০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুকে শিমক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ

হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নে মানসিক প্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে শাহ আলম নামের এক টমটম চালক। এ ঘটনায় শাহ আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে বাহুবল থানায় টমটম চালক শাহ আলমকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। দুপুরে বাহুবল মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই মোস্তাফিজুর রহমানসহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি শাহ আলমকে আটক করেন।

আটক শাহ আলম উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের নোয়াঐ গ্রামের কচির মিয়ার ছেলে।

ভিকটিমের পিতা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, আমার মেয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী। সে মাঝে-মধ্যে পরিবারের অগোচরে বাড়ি থেকে বের হয়ে এদিক সেদিক চলে যায়। রোববার সন্ধ্যায় সবার অগোচরে বের হয়ে যায়। ভিকটিমকে এক পেয়ে মামুন মিয়া কিছু কিনে দেয়ার প্রলোভন দিয়ে শাহ আলমের টমটমে তুলে দেয়। শাহ আলম ভিকটিমকে ভুল বুঝিয়ে নোয়াঐ গ্রাম থেকে দিগাম্বর বাজারগামী রাস্তার সন্নিকটে জনৈক আবদুল কাদিরের শিমক্ষেতে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে রাত সাড়ে ৮টায় শাহ আলম ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে একই এলাকার তার বন্ধু খোয়াছ মিয়াকে টমটম দিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দিতে বলে। খোয়াছ মিয়া (৪০) তাকে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভিকটিম টমটম থেকে লাফ দিয়ে চিৎকার শুরু করে। এ সময় আশপাশের লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে প্রথমে বাহুবল ও পরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বাহুবল মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। মেয়েটির পিতা থানায় জানালে বাহুবল থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। শাহ আলম নামে একজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। মেয়েটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে সংবাদকর্মীদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুকে শিমক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ

প্রকাশিত : ০৭:১৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নে মানসিক প্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে শাহ আলম নামের এক টমটম চালক। এ ঘটনায় শাহ আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে বাহুবল থানায় টমটম চালক শাহ আলমকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। দুপুরে বাহুবল মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই মোস্তাফিজুর রহমানসহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি শাহ আলমকে আটক করেন।

আটক শাহ আলম উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের নোয়াঐ গ্রামের কচির মিয়ার ছেলে।

ভিকটিমের পিতা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, আমার মেয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী। সে মাঝে-মধ্যে পরিবারের অগোচরে বাড়ি থেকে বের হয়ে এদিক সেদিক চলে যায়। রোববার সন্ধ্যায় সবার অগোচরে বের হয়ে যায়। ভিকটিমকে এক পেয়ে মামুন মিয়া কিছু কিনে দেয়ার প্রলোভন দিয়ে শাহ আলমের টমটমে তুলে দেয়। শাহ আলম ভিকটিমকে ভুল বুঝিয়ে নোয়াঐ গ্রাম থেকে দিগাম্বর বাজারগামী রাস্তার সন্নিকটে জনৈক আবদুল কাদিরের শিমক্ষেতে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে রাত সাড়ে ৮টায় শাহ আলম ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে একই এলাকার তার বন্ধু খোয়াছ মিয়াকে টমটম দিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দিতে বলে। খোয়াছ মিয়া (৪০) তাকে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভিকটিম টমটম থেকে লাফ দিয়ে চিৎকার শুরু করে। এ সময় আশপাশের লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে প্রথমে বাহুবল ও পরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বাহুবল মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। মেয়েটির পিতা থানায় জানালে বাহুবল থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। শাহ আলম নামে একজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। মেয়েটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।