০৮:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

৭০০ রোহিঙ্গা টেকনাফ থেকে উখিয়ায়

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং পর্যটন এলাকা হিসেবে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ১৪৪টি পরিবারের ৬৭০ রোহিঙ্গা নাগরিককে টেকনাফ থেকে উখিয়ায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধবার (১৩ জানুয়ারি) তাদের কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির থেকে উখিয়ার ২০ নম্বর শরণার্থীশিবিরে স্থানান্তর করা হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্রটি জানায়, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বিভিন্ন ব্লক থেকে উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে যেতে ইচ্ছুক, এমন ১৪৪টি পরিবারের ৬৭০ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুকেই বুধবার স্থানান্তর করা হয়। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের (আরআরআরসি) মাধ্যমে এ স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হয়।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের কর্মকর্তা, বাহারছড়ার শামলাপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ সিনিয়র সহকারী সচিব পুলক কান্তি চক্রবর্তী বলেন, সরকারের নির্দেশনায় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাহারছড়ার শামলাপুর ক্যাম্পটি খালি করে রোহিঙ্গাদের উখিয়াসহ অন্য ক্যাম্পে নেওয়া হচ্ছে।

বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দিন স্থানান্তরের বিষয়ে বলেন, সরকার পর্যটন এলাকা ও টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে। এ জন্য এই শিবিরের রোহিঙ্গাদের অন্যত্র স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। প্রথম দফায় ১৪৪টি পরিবারের ৬৭০ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুকে উখিয়ার স্থানান্তর করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের মাধ্যমে নয়টি বাস ও চারটি ট্রাকে করে রোহিঙ্গাদের উখিয়ায় নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ শরণার্থী শিবিরে বসবাস করা সব রোহিঙ্গা নাগরিককে বিভিন্ন শিবিরে হস্তান্তর করা হবে।

ট্যাগ :

বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের অভিযানে ১০ দশ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার

৭০০ রোহিঙ্গা টেকনাফ থেকে উখিয়ায়

প্রকাশিত : ০১:১৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং পর্যটন এলাকা হিসেবে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ১৪৪টি পরিবারের ৬৭০ রোহিঙ্গা নাগরিককে টেকনাফ থেকে উখিয়ায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধবার (১৩ জানুয়ারি) তাদের কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির থেকে উখিয়ার ২০ নম্বর শরণার্থীশিবিরে স্থানান্তর করা হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্রটি জানায়, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বিভিন্ন ব্লক থেকে উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে যেতে ইচ্ছুক, এমন ১৪৪টি পরিবারের ৬৭০ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুকেই বুধবার স্থানান্তর করা হয়। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের (আরআরআরসি) মাধ্যমে এ স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হয়।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের কর্মকর্তা, বাহারছড়ার শামলাপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ সিনিয়র সহকারী সচিব পুলক কান্তি চক্রবর্তী বলেন, সরকারের নির্দেশনায় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাহারছড়ার শামলাপুর ক্যাম্পটি খালি করে রোহিঙ্গাদের উখিয়াসহ অন্য ক্যাম্পে নেওয়া হচ্ছে।

বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দিন স্থানান্তরের বিষয়ে বলেন, সরকার পর্যটন এলাকা ও টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে বাহারছড়ার শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে। এ জন্য এই শিবিরের রোহিঙ্গাদের অন্যত্র স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। প্রথম দফায় ১৪৪টি পরিবারের ৬৭০ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুকে উখিয়ার স্থানান্তর করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের মাধ্যমে নয়টি বাস ও চারটি ট্রাকে করে রোহিঙ্গাদের উখিয়ায় নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ শরণার্থী শিবিরে বসবাস করা সব রোহিঙ্গা নাগরিককে বিভিন্ন শিবিরে হস্তান্তর করা হবে।