দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হচ্ছে না অভিযোগ করে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, যারা বিদেশে টাকা পাচার করছে, তারাই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।
দেশে পেঁয়াজের ভরা মৌসুমেও ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনুন। এটা করতে সরকার ব্যর্থ হলে সচিবালয় ঘেরাও করা হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জাতীয় জাদুঘরের সামনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে সরকারকে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। নুরের সহযোগী সংগঠন ‘যুব অধিকার পরিষদ’ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
সরকার দিনবদলের সনদ নামে ভাওতাবাজির ইশতেহার দিয়েছিল মন্তব্য করে নুর বলেন, ‘দশ টাকার চাল এখন ৭০ টাকায় খেতে হচ্ছে। পাঁচ টাকার লবণ এখন বত্রিশ টাকায় খেতে হচ্ছে। ভাওতাবাজির নামে ৪৯ বছর রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় থেকে জনগণের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ভোটারবিহীন সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সব জায়গায় দলীয়করণের মাধ্যমে দুর্বৃত্তায়ন ঘটিয়েছে। ফলে সমাজে গুম-খুন-ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে। ধর্ষণের আইন মৃত্যুদণ্ড করা হয়েছে। কিন্তু ধর্ষণ কমছে না। শুধু আইন করলে তো হবে, আইনের প্রয়োগ করতে হবে।’
বড় বড় টাকা পাচারকারীরা আলোচনায় আসছে না উল্লেখ করে নুর বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য আছে, ২৫৩টি পরিবার জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। এরাই টাকা পাচার করছে, এরাই সিন্ডিকেট করে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কেন সরকার ব্যবস্থা নিতে পারছে না? কেননা তারা সরকারেরই লোক।’
সমাবেশের শুরু থেকে সেখানে শতাধিক পুলিশ মোতায়ন ছিল। পুলিশের উপস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো সরকারবিরোধী রাজনৈতিক প্রোগ্রাম করতে আসিনি। আমরা এসেছি দেশের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে কথা বলতে। কিন্তু এখানে এত পুলিশের ভিড় কেন?’
সমাবেশ শেষে মিছিল করতে চাইলে পুলিশের বাঁধার মুখে পড়েন তারা। পরে পুলিশের জেরার মুখে স্থান ত্যাগ করেন সমাবেশকারীরা।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


























