০৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চলছে ভোট গণনা, অপেক্ষা ফলাফলের

বিচ্ছিন্ন সহিংসতা, বর্জন এবং অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৬০ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা। শীত ও করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে ভোটার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটগ্রহণের শুরুতে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভোটারের লাইন।

শনিবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে বেলা চারটা পর্যন্ত চলা ভোটগ্রহণে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি সহিংসতা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৬০ পৌরসভার মধ্যে তিনটিতে অনিয়ম, কাপচুপির ও এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন বিএনপির প্রার্থীরা।

তবে, রিটার্নিং কর্মকর্তারা বলছেন, ভোট সুষ্ঠুভাবেই হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ তারা পাননি। বিএনপির ভোট বর্জনের বিষয়ে আ.লীগের প্রার্থীরা বলছেন, পরাজয় দেখে হয়ত ভোট বর্জন করেছেন তারা।

অন্যদিকে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, কোথাও কোনো ধানের শীষের এজেন্ট দেখা যায়নি। নির্বাচন অংশ্রগ্রহণমূলক হয়নি বলে মন্তব্য তার। ভোটার সংখ্যা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার একজন প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করা হয়। আর ৬০টি পৌরসভার ৫৬টিতে মেয়র পদে ভোট হয়। নারায়ণগঞ্জের তারাবো, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, পাবনার ভাঙুরা ও পিরোজপুরে মোট চারটি পৌরসভায় ভোটের আগেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। তাই বাকি ৫২টিতে মেয়র পদে ভোট হয়।

গত ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশিন। ২৯টি পৌরসভায় ইভিএমে এবং বাকি ৩১টি পৌরসভায় কাগজের ব্যালটে ভোট হয়।

এই ধাপের নির্বাচনে মেয়র পদে ২১১ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে দুই হাজার ২৩২ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

চলছে ভোট গণনা, অপেক্ষা ফলাফলের

প্রকাশিত : ০৫:৪৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১

বিচ্ছিন্ন সহিংসতা, বর্জন এবং অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৬০ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা। শীত ও করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে ভোটার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটগ্রহণের শুরুতে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভোটারের লাইন।

শনিবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে বেলা চারটা পর্যন্ত চলা ভোটগ্রহণে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি সহিংসতা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৬০ পৌরসভার মধ্যে তিনটিতে অনিয়ম, কাপচুপির ও এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন বিএনপির প্রার্থীরা।

তবে, রিটার্নিং কর্মকর্তারা বলছেন, ভোট সুষ্ঠুভাবেই হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ তারা পাননি। বিএনপির ভোট বর্জনের বিষয়ে আ.লীগের প্রার্থীরা বলছেন, পরাজয় দেখে হয়ত ভোট বর্জন করেছেন তারা।

অন্যদিকে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, কোথাও কোনো ধানের শীষের এজেন্ট দেখা যায়নি। নির্বাচন অংশ্রগ্রহণমূলক হয়নি বলে মন্তব্য তার। ভোটার সংখ্যা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার একজন প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করা হয়। আর ৬০টি পৌরসভার ৫৬টিতে মেয়র পদে ভোট হয়। নারায়ণগঞ্জের তারাবো, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, পাবনার ভাঙুরা ও পিরোজপুরে মোট চারটি পৌরসভায় ভোটের আগেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। তাই বাকি ৫২টিতে মেয়র পদে ভোট হয়।

গত ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশিন। ২৯টি পৌরসভায় ইভিএমে এবং বাকি ৩১টি পৌরসভায় কাগজের ব্যালটে ভোট হয়।

এই ধাপের নির্বাচনে মেয়র পদে ২১১ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে দুই হাজার ২৩২ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর