নবীগঞ্জ পৌরসভার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৩নং ওয়ার্ড আনমনু গ্রাম,নবীগঞ্জ বাজার। শাখাবরাক নদীতে একটি ব্রীজের অভাবে এই ওয়ার্ডের লোকজনসহ ৫ গ্রামবাসীর জনদুর্ভোগ চরমে। পৌর মেয়র থেকে শুরু করে এখানে ব্রীজ নির্মাণে কোনো জনপ্রতিনিধিই উদ্যোগ নেননি অভিযোগ ওয়ার্ডবাসীর। অথচ নিজের ব্যক্তি মালিকানা জমি দাবী করে শত বাঁধা বিপত্তি সৃষ্টি করছে একটি ভুমিখেকু চক্র।
নির্বাচন আসলে প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে বার বার। বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেননি কোনো জনপ্রতিনিধি। বিগত ২২ বছর ধরে পৌরসভার সড়ক থাকলে ও নদীর পাড়ে গিয়ে ব্রীজের অভাবে আটকে আছে রাস্তা। এই সড়ক দিয়ে জরাজীর্ণ বাঁশের সাকোঁ দিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। চিকিৎসা নিতে বাঁশের সাকোঁ পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে যেতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে গুরুতর আহত হয়ে প্রাণনাশের ও শঙ্কা রয়েছে। আনমনু গ্রামের যুবকরা একত্রিত হয়ে সাধারন মানুষের যাতাযাতের জন্য একটি বাশের শাকোঁ নির্মান করেছেন।
প্রথম শ্রেণীর খেতাবপ্রাপ্ত এই পৌরসভায় এমন অবস্থা দেখলে চোখ কপালে উঠার মত। সাকোঁটি দেখলে মনেই হবে না এটি প্রথম শ্রেণীর খেতাবপ্রাপ্ত পৌরসভার চিত্র। বার বার টেন্ডার হলেও আজ পর্যন্ত নির্মাণ হয়নি ব্রীজ। নদীতে ব্যক্তিগত জমির মালিক দাবী করে একশ্রেণীর প্রভাবশালী মহল সৃষ্টি করছে শত বাঁধা বিপত্তি।
আনমনু গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছাবির আহমেদ চৌধুরী পৌর এলাকায় যে জায়গায় উনার ব্যাক্তিগত জায়গা আছে এবং খালের জন্য রাস্তার সমস্যা উনার নিজ স্বার্থে মাটি ভরাট ও ব্রীজ নির্মানের নজির আছে। এবং সরজমিনে তা বাস্তবেও পাওয়া যায়।
এর আগে প্রভাবশালী চিহ্নিত ভূমিখেকুদের শত বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে এখানে প্রথমে বাঁশের সাকোঁ তৈরী করেছিলেন নবীগঞ্জ পৌর এলাকার আনমনু গ্রামের শাপলা যুব সংঘ নামের সংগঠন। ০৩ নং ওয়ার্ড আনমনু গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষিকা ডেইজি বেগম বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল শাখাবরাক নদীতে ব্রীজ নির্মাণ করে দেওয়ার কিন্তুু নির্বাচনের আগে সবাই প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে এর জন্য কেউই উদ্যোগ নেননি। আমরা এর সুষ্ট সমাধান চাই।





















