০৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

মহামারিতেও ৬ শতাংশ

করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি প্রবৃদ্ধি) অর্জিত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি। কঠিন পরিস্থিতিতেও এই প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক মনে করে উন্নয়ন সংস্থাটি বলেছে, মহামারি সামাল দিতে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের গতি বাড়ায় এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচক ইতিবাচক হওয়ায় মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিও দ্রুত বাড়বে। ‘এর ফলশ্রুতিতেই ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে।’ কোডিড-১৯ মহামারির মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির হালচাল নিয়ে বুধবার প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের দেয়া প্রণোদনার সুফল মেলার পাশাপাশি বিশ্ব বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি পেতে পারে। আর বিশ্ব অর্থনীতির টেকসই পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানি ও আমদানির গতি বাড়লে আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করেছে এডিবি। প্রতিবেদনে বলা হয়, রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহ অব্যাহত থাকায় ব্যক্তিখাতে ভোগব্যয় বাড়বে। বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশের উন্নতি হলে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগেও গতি আসবে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও মহামারীর বাস্তবতায় পরে তা কমিয়ে ৭ দশমিক ৪ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। মহামারীর ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসে, যা আগের অর্থবছরে ৮ দশমিক ২ শতাংশ ছিল। বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশেও ধীরে ধীরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির শক্তিশালী ধারায় ফিরবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ’২৬ এ রাজারহাটে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অধ্যক্ষ প্রধান শিক্ষক শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত

মহামারিতেও ৬ শতাংশ

প্রকাশিত : ১২:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১

করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি প্রবৃদ্ধি) অর্জিত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি। কঠিন পরিস্থিতিতেও এই প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক মনে করে উন্নয়ন সংস্থাটি বলেছে, মহামারি সামাল দিতে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের গতি বাড়ায় এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচক ইতিবাচক হওয়ায় মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিও দ্রুত বাড়বে। ‘এর ফলশ্রুতিতেই ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে।’ কোডিড-১৯ মহামারির মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির হালচাল নিয়ে বুধবার প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের দেয়া প্রণোদনার সুফল মেলার পাশাপাশি বিশ্ব বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি পেতে পারে। আর বিশ্ব অর্থনীতির টেকসই পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানি ও আমদানির গতি বাড়লে আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করেছে এডিবি। প্রতিবেদনে বলা হয়, রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহ অব্যাহত থাকায় ব্যক্তিখাতে ভোগব্যয় বাড়বে। বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশের উন্নতি হলে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগেও গতি আসবে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও মহামারীর বাস্তবতায় পরে তা কমিয়ে ৭ দশমিক ৪ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। মহামারীর ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসে, যা আগের অর্থবছরে ৮ দশমিক ২ শতাংশ ছিল। বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশেও ধীরে ধীরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির শক্তিশালী ধারায় ফিরবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।