০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাজেট অধিবেশনের জন্য ৫৬ প্রস্তুতি সংসদের

আজ শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন। এর আগে দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করেছে, শনাক্ত হয়েছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (ধরন)। করোনার এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মাথায় রেখে অধিবেশন উপলক্ষে ৫৬টি প্রস্তুতি নিয়েছে সংসদ সচিবালয়। প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে—এমপি-মন্ত্রীদের তিন দিন পরপর করোনা টেস্ট করা, অধিবেশন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকসহ সবারই করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক করা এবং যারা অধিবেশন কক্ষে থাকবেন তাদের কোয়ারেন্টাইনে থাকা নিশ্চিত করা। এছাড়া সংসদ অধিবেশন শুরুর দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত সংসদ চত্বরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কর্তব্যরত সদস্য ব্যতীত অন্য কেউ আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ছুরি বা চাকু অথবা এমন কিছু, যা মানুষের জীবননাশের কারণ হতে পারে, তা বহন করতে পারবেন না। সবাইকে পরতে হবে দুটি করে মাস্ক। চলতি একাদশ জাতীয় সংসদের ১৩তম ও বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে সম্প্রতি প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। আমরা বৈঠকে ৫৬টি প্রস্তুতি নিয়েছি।’ আজ সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হলেও বাজেট পেশ হবে বৃহস্পতিবার (৩ জুন)। চলবে ১২ কার্যদিবস। বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, অধিবেশনকে ঘিরে নানা নিরাপত্তা ও সুরক্ষামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেমন সংসদে প্রবেশের সময় নিরাপত্তা যন্ত্রপাতিসমূহ কার্যোপযোগী আছে কি-না তা পরীক্ষা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর চেম্বারের সম্মুখে এবং ভিআইপি গ্যালারিতে স্থাপিত আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টরগুলো অপারেট করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সংসদ ভবনের প্রধান ফটকসহ সংসদ এলাকা ও সদস্য ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংসদ কক্ষসহ ভবনের অভ্যন্তরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে ওই বৈঠকে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা এবং সংসদের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে নিজ নিজ পরিচয়পত্র দৃশ্যমান অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে। এছাড়া সংসদ অধিবেশনের সময় নিয়োজিত বার্তাবাহকরা নিজেদের কাছে অবশ্যই ছবিসহ পাস সার্বক্ষণিক সংরক্ষণ করবেন। তারা পাস দৃশ্যমান রাখবেন যেন প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরিচয়পত্রবিহীন কোনো ব্যক্তি, সন্দেহভাজন ব্যক্তি যাতে সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে না পারে সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া অধিবেশনকালীন প্রবেশ পাস চেক করার দায়িত্ব এসবি’র ওপর ন্যস্ত থাকবে। এ বিষয়ে সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস সার্বিক সমন্বয় ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। সংসদে আনীত খাদ্য সামগ্রী ও মালামালের সঙ্গে অবৈধ কোনো জিনিস যেন সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে না পারে সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সংসদ ভবনের প্রধান ফটকসহ সংসদ এলাকা ও সদস্য ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংসদ কক্ষসহ ভবনের অভ্যন্তরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সংসদ ভবন সংলগ্ন এলডি হল চত্বরে প্রায়ই বিয়ে বা এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান হয়। আসন্ন অধিবেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এলডি হলে কোনো অনুষ্ঠানের জন্য মালামাল আনা-নেয়া করলে আগেই বিষয়টি সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস ও সদস্য ভবনে কর্মরত পুলিশ পরির্দশককে জানাতে হবে। এসব অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র প্রদর্শন করে কেবল মনিপুরী পাড়া রাস্তা/গেইট ব্যবহার করা যেতে পারে। গণপূর্ত বিভাগের কর্মচারীরা কোথায় কখন ডিউটি করবেন তার একটি তালিকা গণপূর্ত বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে সরবরাহ করবেন। সংসদ ভবনে অবস্থিত ভিআইপিদের অফিস কক্ষগুলোতে ব্যবহৃত আসবাবপত্র ভালোভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে হবে। কক্ষ সমূহের টেলিফোন সেট সচল রাখা, বিজলি বাতি ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে। সংসদের অধিবেশন চলাকালে সংসদ কক্ষের মাইক্রোফোন সিস্টেম সার্বক্ষণিক ত্রুটিমুক্ত রাখার জন্য প্রতিদিন অধিবেশন শুরু হওয়ার কমপক্ষে দুই ঘণ্টা আগে পরীক্ষা করতে হবে। সংসদ চলাকালে কর্তব্যরত কর্মকর্তা/কর্মচারী ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কন্ট্রোল রুমে প্রবেশ করতে পারবেন না। ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম ও রেকর্ডিং পদ্ধতি সচল রাখতে হবে। অধিবেশন চলাকালে কোনো ফেরিওয়ালা বা অবাঞ্ছিত লোক যেন সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন সড়ক এবং খেজুর বাগান এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ ফোর্সেস মোতায়েন থাকবে। অধিবেশন চলাকালে সংসদ ভবনের সব লিফট চালু রাখা নিশ্চিত করতে হবে। অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই সব লিফট পরীক্ষা করে ত্রুটিমুক্ত রাখতে হবে। সংসদ ভবনের অভ্যন্তরে বৈদ্যুতিক বাতি পরিদর্শন করে ড্রাইভওয়ে ও টানেলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা কার্যকর রাখার জন্য হ্যালোজেন লাইট রাতে সার্বক্ষণিক প্রজ্জ্বলিত রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য সব ভিভিআইপি-ভিআইপিদের কক্ষসমূহ যেন ইঁদুর দ্বারা সারা বছর আক্রান্ত না হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। যেসব স্থান থেকে পানি

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুমিল্লায় শতাধিক মাল্টিমিডিয়া সংবাদকর্মীদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাজেট অধিবেশনের জন্য ৫৬ প্রস্তুতি সংসদের

প্রকাশিত : ১২:০০:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুন ২০২১

আজ শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন। এর আগে দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করেছে, শনাক্ত হয়েছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (ধরন)। করোনার এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মাথায় রেখে অধিবেশন উপলক্ষে ৫৬টি প্রস্তুতি নিয়েছে সংসদ সচিবালয়। প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে—এমপি-মন্ত্রীদের তিন দিন পরপর করোনা টেস্ট করা, অধিবেশন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকসহ সবারই করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক করা এবং যারা অধিবেশন কক্ষে থাকবেন তাদের কোয়ারেন্টাইনে থাকা নিশ্চিত করা। এছাড়া সংসদ অধিবেশন শুরুর দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত সংসদ চত্বরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কর্তব্যরত সদস্য ব্যতীত অন্য কেউ আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ছুরি বা চাকু অথবা এমন কিছু, যা মানুষের জীবননাশের কারণ হতে পারে, তা বহন করতে পারবেন না। সবাইকে পরতে হবে দুটি করে মাস্ক। চলতি একাদশ জাতীয় সংসদের ১৩তম ও বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে সম্প্রতি প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। আমরা বৈঠকে ৫৬টি প্রস্তুতি নিয়েছি।’ আজ সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হলেও বাজেট পেশ হবে বৃহস্পতিবার (৩ জুন)। চলবে ১২ কার্যদিবস। বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, অধিবেশনকে ঘিরে নানা নিরাপত্তা ও সুরক্ষামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেমন সংসদে প্রবেশের সময় নিরাপত্তা যন্ত্রপাতিসমূহ কার্যোপযোগী আছে কি-না তা পরীক্ষা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর চেম্বারের সম্মুখে এবং ভিআইপি গ্যালারিতে স্থাপিত আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টরগুলো অপারেট করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সংসদ ভবনের প্রধান ফটকসহ সংসদ এলাকা ও সদস্য ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংসদ কক্ষসহ ভবনের অভ্যন্তরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে ওই বৈঠকে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা এবং সংসদের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে নিজ নিজ পরিচয়পত্র দৃশ্যমান অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে। এছাড়া সংসদ অধিবেশনের সময় নিয়োজিত বার্তাবাহকরা নিজেদের কাছে অবশ্যই ছবিসহ পাস সার্বক্ষণিক সংরক্ষণ করবেন। তারা পাস দৃশ্যমান রাখবেন যেন প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরিচয়পত্রবিহীন কোনো ব্যক্তি, সন্দেহভাজন ব্যক্তি যাতে সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে না পারে সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া অধিবেশনকালীন প্রবেশ পাস চেক করার দায়িত্ব এসবি’র ওপর ন্যস্ত থাকবে। এ বিষয়ে সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস সার্বিক সমন্বয় ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। সংসদে আনীত খাদ্য সামগ্রী ও মালামালের সঙ্গে অবৈধ কোনো জিনিস যেন সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে না পারে সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সংসদ ভবনের প্রধান ফটকসহ সংসদ এলাকা ও সদস্য ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংসদ কক্ষসহ ভবনের অভ্যন্তরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সংসদ ভবন সংলগ্ন এলডি হল চত্বরে প্রায়ই বিয়ে বা এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান হয়। আসন্ন অধিবেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এলডি হলে কোনো অনুষ্ঠানের জন্য মালামাল আনা-নেয়া করলে আগেই বিষয়টি সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস ও সদস্য ভবনে কর্মরত পুলিশ পরির্দশককে জানাতে হবে। এসব অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র প্রদর্শন করে কেবল মনিপুরী পাড়া রাস্তা/গেইট ব্যবহার করা যেতে পারে। গণপূর্ত বিভাগের কর্মচারীরা কোথায় কখন ডিউটি করবেন তার একটি তালিকা গণপূর্ত বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে সরবরাহ করবেন। সংসদ ভবনে অবস্থিত ভিআইপিদের অফিস কক্ষগুলোতে ব্যবহৃত আসবাবপত্র ভালোভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে হবে। কক্ষ সমূহের টেলিফোন সেট সচল রাখা, বিজলি বাতি ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে। সংসদের অধিবেশন চলাকালে সংসদ কক্ষের মাইক্রোফোন সিস্টেম সার্বক্ষণিক ত্রুটিমুক্ত রাখার জন্য প্রতিদিন অধিবেশন শুরু হওয়ার কমপক্ষে দুই ঘণ্টা আগে পরীক্ষা করতে হবে। সংসদ চলাকালে কর্তব্যরত কর্মকর্তা/কর্মচারী ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কন্ট্রোল রুমে প্রবেশ করতে পারবেন না। ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম ও রেকর্ডিং পদ্ধতি সচল রাখতে হবে। অধিবেশন চলাকালে কোনো ফেরিওয়ালা বা অবাঞ্ছিত লোক যেন সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন সড়ক এবং খেজুর বাগান এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ ফোর্সেস মোতায়েন থাকবে। অধিবেশন চলাকালে সংসদ ভবনের সব লিফট চালু রাখা নিশ্চিত করতে হবে। অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই সব লিফট পরীক্ষা করে ত্রুটিমুক্ত রাখতে হবে। সংসদ ভবনের অভ্যন্তরে বৈদ্যুতিক বাতি পরিদর্শন করে ড্রাইভওয়ে ও টানেলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা কার্যকর রাখার জন্য হ্যালোজেন লাইট রাতে সার্বক্ষণিক প্রজ্জ্বলিত রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য সব ভিভিআইপি-ভিআইপিদের কক্ষসমূহ যেন ইঁদুর দ্বারা সারা বছর আক্রান্ত না হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। যেসব স্থান থেকে পানি