০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬

ই-ক্যাবের বাইরে ব্যবসা চালাচ্ছে হাজারখানেক প্রতিষ্ঠান

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) মোট সদস্য এক হাজার ৬২০। আর দেশে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি। শনিবার এ তথ্য জানান, ই-ক্যাব এর জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম শোভন। তিনি জানান, গতবছর ৫০০টি প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাব এর সদস্যপদ পায়।

এ বছর ২০০টি প্রতিষ্ঠান সদস্যপদ পেয়েছে। গত ২৮ আগস্ট থেকে সদস্যপদ দেওয়া স্থগিত রেখেছে ই-ক্যাব। সূত্র জানায়, ই-ক্যাব এর সদস্যপদ স্থগিত করার পর এখন পর্যন্ত আবেদন পরেছে ২৫টি। যেকোনো প্রতিষ্ঠান আবেদন করলেই যে সদস্যপদ দেওয়া হয়, তা নয়।

ওই প্রতিষ্ঠানের সব কিছু যাচাই-বাছাই করে সদস্যপদ দেওয়া হয়। বর্তমানে আরও বেশি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৩০০টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ই-ক্যাব। ই-ক্যাব এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে বেশ কিছু অনৈতিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার ফলে এ খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে যে, দেশে নামে-বেনামে অনেকেই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে ভোক্তাদের পকেট কাটছে। ই-ক্যাব এর সদস্য প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সবসময় পর্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে। ইতোমধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও খন্দকার মারুফ হোসেনসহ ২০ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

ই-ক্যাবের বাইরে ব্যবসা চালাচ্ছে হাজারখানেক প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত : ১২:০০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) মোট সদস্য এক হাজার ৬২০। আর দেশে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি। শনিবার এ তথ্য জানান, ই-ক্যাব এর জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম শোভন। তিনি জানান, গতবছর ৫০০টি প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাব এর সদস্যপদ পায়।

এ বছর ২০০টি প্রতিষ্ঠান সদস্যপদ পেয়েছে। গত ২৮ আগস্ট থেকে সদস্যপদ দেওয়া স্থগিত রেখেছে ই-ক্যাব। সূত্র জানায়, ই-ক্যাব এর সদস্যপদ স্থগিত করার পর এখন পর্যন্ত আবেদন পরেছে ২৫টি। যেকোনো প্রতিষ্ঠান আবেদন করলেই যে সদস্যপদ দেওয়া হয়, তা নয়।

ওই প্রতিষ্ঠানের সব কিছু যাচাই-বাছাই করে সদস্যপদ দেওয়া হয়। বর্তমানে আরও বেশি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৩০০টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ই-ক্যাব। ই-ক্যাব এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে বেশ কিছু অনৈতিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার ফলে এ খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে যে, দেশে নামে-বেনামে অনেকেই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে ভোক্তাদের পকেট কাটছে। ই-ক্যাব এর সদস্য প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সবসময় পর্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে। ইতোমধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।