ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে রবিবার অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার পদে বিজয়ী হয়েছেন মাইনুদ্দিন ইসলাম দুর্জয়ের খালাতো বোন আমোদা বেগম।
মঙ্গলবার নানাবাড়িতে গিয়ে আনন্দ আয়োজনে শামিল হওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু আগের রাতেই বিজয়ের আনন্দ বদলে গেল বিষাদে। বাড়ি ফিরছে দুর্জয়, তবে নিথর দেহে। স্বজনরাও অপেক্ষা করছেন চোখে অশ্রু নিয়ে।
সোমবার রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় নিহত দুর্জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিন ভাই-বোনের মধ্যে দুর্জয় ছিল সবার বড়। প্রায় ২০ বছর আগে দুর্জয়ের বাবা সবকিছু বিক্রি করে ঢাকায় চলে যান। সেজন্য বাদ এশা জানাজা শেষে দুর্জয়ের লাশ সরাইল উপজেলা সদরের হালুয়াপাড়ায় তার নানাবাড়ির পাশের একটি কবরস্থানে দাফন করা হবে।
রাত থেকেই দুর্জয়ের নানাবাড়িতে চলছে শোকের মাতম। একমাত্র দেবরকে হারিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন ভাবি শারমিন আক্তার। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন খালা আফিয়া বেগমও। লাশের অপেক্ষায় বাড়ির সামনের সড়কে অবস্থান করছেন দুর্জয়ের স্বজনরা। নিথর দুর্জয়কে দেখতে জড়ো হচ্ছে আরো মানুষ।
ভাবি শিরিন আক্তার বলেন, আমার ছোট্ট বাচ্চাটাকে নিয়ে সারাক্ষণ মেতে থাকত দুর্জয়। আর কেউ আমার বাচ্চার সঙ্গে খেলবে না। আমাকে ডাকাডাকি করবে না। এসব ভাবতেই আমার বুক ফেটে যাচ্ছে।
সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের একটি বাসের চাপায় নিহত হয় শিক্ষার্থী দুর্জয়। সে রামপুরার কামরুননেসা স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















