১০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

উন্নয়ন সব জায়গায় ছিটিয়ে দিয়েছি

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, সরকার সারাদেশের উন্নয়ন সুষম বন্টনে বিশ্বাসী। এজন্য আমরা দেশের সব জায়গায় উন্নয়ন ছিটিয়ে দিয়েছি। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, বরিশাল, রংপুর, জামালপুর এবং যশোর জেলায় বিটাকের ৬টি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এতেই প্রমাণিত হয় সরকার সারাদেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী।

এর মাধ্যমে শিল্প খাতে প্রশিক্ষিত জনবল সৃষ্টির মাধ্যমে আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির মাধ্যমে শিল্প কারখানায় দক্ষ জনবলের চাহিদা পূরণসহ বেকার জনশক্তির আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেট অঞ্চলে পতিত জমি ব্যবহার করে আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তার ও শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের আয় ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং পুষ্টি ও সামাজিক ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন হবে।

সারাদেশে পাসপোর্ট সুবিধা দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ করা হবে। ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ ও ৪টি পাসপোর্ট অফিস ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হবে। আমরা চাই দেশের মানুষ পাসপোর্টের জন্য ভালো সুবিধা যেন পান। বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে জনগণকে নিকটতম সুবিধাজনক স্থান থেকে উন্নতমানের পাসপোর্ট সেবা এবং ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবন নির্মাণ ও সিলেট, চট্টগ্রাম (মনসুরাবাদ), কক্সবাজার, যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের মাধ্যমে সর্বমোট ২১টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিরাপদ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট সেবা দেয়া হবে।

ট্যাগ :

এক দেয়ালের ধসে নিভে গেল বৃদ্ধ কৃষকের স্বপ্ন, গাভী-বাছুর হারিয়ে পথে বসার শঙ্কা

উন্নয়ন সব জায়গায় ছিটিয়ে দিয়েছি

প্রকাশিত : ১২:১৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, সরকার সারাদেশের উন্নয়ন সুষম বন্টনে বিশ্বাসী। এজন্য আমরা দেশের সব জায়গায় উন্নয়ন ছিটিয়ে দিয়েছি। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, বরিশাল, রংপুর, জামালপুর এবং যশোর জেলায় বিটাকের ৬টি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এতেই প্রমাণিত হয় সরকার সারাদেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী।

এর মাধ্যমে শিল্প খাতে প্রশিক্ষিত জনবল সৃষ্টির মাধ্যমে আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির মাধ্যমে শিল্প কারখানায় দক্ষ জনবলের চাহিদা পূরণসহ বেকার জনশক্তির আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেট অঞ্চলে পতিত জমি ব্যবহার করে আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তার ও শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের আয় ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং পুষ্টি ও সামাজিক ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন হবে।

সারাদেশে পাসপোর্ট সুবিধা দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ করা হবে। ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ ও ৪টি পাসপোর্ট অফিস ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হবে। আমরা চাই দেশের মানুষ পাসপোর্টের জন্য ভালো সুবিধা যেন পান। বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে জনগণকে নিকটতম সুবিধাজনক স্থান থেকে উন্নতমানের পাসপোর্ট সেবা এবং ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবন নির্মাণ ও সিলেট, চট্টগ্রাম (মনসুরাবাদ), কক্সবাজার, যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের মাধ্যমে সর্বমোট ২১টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিরাপদ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট সেবা দেয়া হবে।