০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানে রেকর্ড, এক লিটার রান্নার তেল ৬০৫ রুপি!

পাকিস্তানে রান্নার তেল ও ঘি’র দাম ব্যাপক পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। দেশটিতে প্রতি লিটার রান্নার তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে ২১৩ রুপি আর ঘির দাম বাড়ানো হয়েছে ২০৮ রুপি। এতে করে দেশটির বাজারে ভোক্তাপর্যায়ে ভোজ্য তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৬০৫ রুপি, যা ছাড়িয়েছে আগের সব রেকর্ড।

পাকিস্তানের স্থানীয় গণমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, তেলের উচ্চমূল্যের পরও খুচরা বাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

করাচির ইউটিলিটি স্টোর কর্পোরেশনের (ইউএসসি) একজন কর্মকর্তা মূল্যবৃদ্ধির তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, রান্নার তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে ইউএসসি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এবং বুধবার থেকেই সেটি কার্যকর হয়েছে।

পাকিস্তানের বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিভিএমএ) সেক্রেটারি-জেনারেল উমের ইসলাম জানিয়েছেন, রান্নার তেল প্রস্তুতকারীরা ইউএসসিকে ক্রেডিট করে পণ্য দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ, কর্পোরেশন উৎপাদনকারীদের কাছে বকেয়া থাকা ২০০ থেকে ৩০০ কোটি রুপি এখনও পরিশোধ করেনি।

উমের জানান, করাচি বন্দরে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন পাম তেলের মজুদ রয়েছে যা তিন সপ্তাহ ভালোভাবে ব্যবহার করা যাবে। গত ২৩ মে ইন্দোনেশিয়া পাম তেলের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তোলার পরও পাকিস্তানে ইন্দোনেশিয়ার তেলের সিঙ্গেল কোনো জাহাজ যাত্রা করেনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

পাকিস্তানে রেকর্ড, এক লিটার রান্নার তেল ৬০৫ রুপি!

প্রকাশিত : ০৪:১৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০২২

পাকিস্তানে রান্নার তেল ও ঘি’র দাম ব্যাপক পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। দেশটিতে প্রতি লিটার রান্নার তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে ২১৩ রুপি আর ঘির দাম বাড়ানো হয়েছে ২০৮ রুপি। এতে করে দেশটির বাজারে ভোক্তাপর্যায়ে ভোজ্য তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৬০৫ রুপি, যা ছাড়িয়েছে আগের সব রেকর্ড।

পাকিস্তানের স্থানীয় গণমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, তেলের উচ্চমূল্যের পরও খুচরা বাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

করাচির ইউটিলিটি স্টোর কর্পোরেশনের (ইউএসসি) একজন কর্মকর্তা মূল্যবৃদ্ধির তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, রান্নার তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে ইউএসসি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এবং বুধবার থেকেই সেটি কার্যকর হয়েছে।

পাকিস্তানের বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিভিএমএ) সেক্রেটারি-জেনারেল উমের ইসলাম জানিয়েছেন, রান্নার তেল প্রস্তুতকারীরা ইউএসসিকে ক্রেডিট করে পণ্য দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ, কর্পোরেশন উৎপাদনকারীদের কাছে বকেয়া থাকা ২০০ থেকে ৩০০ কোটি রুপি এখনও পরিশোধ করেনি।

উমের জানান, করাচি বন্দরে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন পাম তেলের মজুদ রয়েছে যা তিন সপ্তাহ ভালোভাবে ব্যবহার করা যাবে। গত ২৩ মে ইন্দোনেশিয়া পাম তেলের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তোলার পরও পাকিস্তানে ইন্দোনেশিয়ার তেলের সিঙ্গেল কোনো জাহাজ যাত্রা করেনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর