০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ম্যাক্রোঁর পরামর্শে সেনা প্রত্যাহার করেনি ট্রাম্প

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পরামর্শে সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিরিয়ায় দীর্ঘ মেয়াদে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন এমানুয়েল।

চলতি মাসের শুরুতে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিল, সিরিয়া থেকে দ্রুত সেনা সরিয়ে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। অথচ এই ঘোষণার মধ্যেই শনিবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স যৌথভাবে সিরিয়ার সরকারি ভবনে হামলা চালায়। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ায় আসাদ বাহিনী রাসায়নিক হামলা চালিয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই দেশটিতে একজোট হয়ে হামলা চালানো হয়েছে।

সিরিয়ায় বিমান হামলা সীমিত রাখার বিষয়েও তিনি ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছেন। ম্যাক্রোঁ এবং ট্রাম্পের মধ্যে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তারা সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালানোর আগে বেশ কয়েকবার নিজেদের মধ্যে আলোচনাও করেছেন।

তবে ম্যাঁক্রোর দেয়া বক্তব্যের পরেই হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারা স্যান্ডার্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার পরিকল্পনা পরিবর্তন করেনি। প্রেসিডেন্ট পরিস্কারভাবেই জানিয়েছেন যে, তিনি চান সিরিয়া থেকে যত দ্রুত সম্ভব মার্কিন সেনারা দেশে ফিরে আসুক।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার হোয়াইট হাউস থেকে সিরিয়ায় সামরিক হামলার ঘোষণা দেন। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, চারটি টর্নেডো বিমান হোমস থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত একটি সামরিক স্থাপনায় স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এটি একটি সাবেক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি। সিরিয়া সরকার একে রাসায়নিক অস্ত্র মজুদের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে হামলাটি সফল হয়েছে।

টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, দশ দিন আগে ট্রাম্প এক ঘোষণায় বলেছিলেন যে, তিনি সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবেন। কিন্তু আমরা তাকে বুঝিয়েছি যে, সেখানে দীর্ঘ মেয়াদে সেনা রাখা জরুরি।

এদিকে সিরিয়ায় হামলার পর রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের ইন্টারন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান কোনসটানটিন কোসাচেভ ইন্টারফেক্সকে বলেন, সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের বিমান হামলা সার্বভৌমিক একটি দেশে ভিত্তিহীন হামলা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ম্যাক্রোঁর পরামর্শে সেনা প্রত্যাহার করেনি ট্রাম্প

প্রকাশিত : ১২:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৮

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পরামর্শে সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিরিয়ায় দীর্ঘ মেয়াদে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন এমানুয়েল।

চলতি মাসের শুরুতে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিল, সিরিয়া থেকে দ্রুত সেনা সরিয়ে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। অথচ এই ঘোষণার মধ্যেই শনিবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স যৌথভাবে সিরিয়ার সরকারি ভবনে হামলা চালায়। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ায় আসাদ বাহিনী রাসায়নিক হামলা চালিয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই দেশটিতে একজোট হয়ে হামলা চালানো হয়েছে।

সিরিয়ায় বিমান হামলা সীমিত রাখার বিষয়েও তিনি ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছেন। ম্যাক্রোঁ এবং ট্রাম্পের মধ্যে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তারা সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালানোর আগে বেশ কয়েকবার নিজেদের মধ্যে আলোচনাও করেছেন।

তবে ম্যাঁক্রোর দেয়া বক্তব্যের পরেই হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারা স্যান্ডার্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার পরিকল্পনা পরিবর্তন করেনি। প্রেসিডেন্ট পরিস্কারভাবেই জানিয়েছেন যে, তিনি চান সিরিয়া থেকে যত দ্রুত সম্ভব মার্কিন সেনারা দেশে ফিরে আসুক।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার হোয়াইট হাউস থেকে সিরিয়ায় সামরিক হামলার ঘোষণা দেন। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, চারটি টর্নেডো বিমান হোমস থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত একটি সামরিক স্থাপনায় স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এটি একটি সাবেক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি। সিরিয়া সরকার একে রাসায়নিক অস্ত্র মজুদের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে হামলাটি সফল হয়েছে।

টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, দশ দিন আগে ট্রাম্প এক ঘোষণায় বলেছিলেন যে, তিনি সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবেন। কিন্তু আমরা তাকে বুঝিয়েছি যে, সেখানে দীর্ঘ মেয়াদে সেনা রাখা জরুরি।

এদিকে সিরিয়ায় হামলার পর রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের ইন্টারন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান কোনসটানটিন কোসাচেভ ইন্টারফেক্সকে বলেন, সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের বিমান হামলা সার্বভৌমিক একটি দেশে ভিত্তিহীন হামলা।