টাঙ্গাইলে তৃতীয় পর্যায় দ্বিতীয় ধাপে জমিসহ পাকা ঘর পেলো ৩৪৯ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকালে গণভবণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘর হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ঘর গুলোর কবুলিয়ত দলিল হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলাকে ভূমিহীন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক শামীম আরা রিনি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত জেলার ১২ টি উপজেলায় করবেন।
জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি জানান, জেলায় তিন হাজার ২০৬ টি ভূমিহীন, গৃহহীন পরিবার চিহ্নিত করা হয়। এদের মধ্যে দুই হাজার নয়শ ৯৩ টি পরিবারকে ঘর দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তর গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। জেলায় অবৈধ দখলে থাকা একশ ৫০ বিঘা খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। এই জমির মূল্য প্রায় চারশ কোটি টাকা। উদ্ধার করা জমিতে আশ্রয় প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছে সারা বাংলাদেশে একজন মানুষও ভূমি ও গৃহহীন থাকবে না। তারই অংশ হিসেবে সারা বাংলাদেশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহীনদের গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিপূর্বে যে সকল গৃহহীনদের মাঝে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। সেই সব আশ্রয়নে বিশুদ্ধ পানি, বিদ্যুৎ, বৃক্ষরোপন করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই প্রশিক্ষনের মাধ্যমে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। এ দিকে বন্যায় ভাঙনের শিকার হয়ে যে সকল মানুষ গৃহহীন ও ভূমিহীন হয়েছে তাদেরও তালিকা প্রস্তুত করে জমিসহ গৃহ নির্মাণ করা হবে।




















