০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

তারেককে লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দণ্ডিত ব্যক্তি তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুক্তরাজ্যে মঙ্গলবার বিকেলে ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে (ওডিআই) ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন গল্প: নীতি, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে ভাষণ দেয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি একথা বলেন।

তারেক রহমানের মতো একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্য সরকারেরও সমালোচনা করে বলেন, যুক্তরাজ্য একটি অবাধ স্বাধীনতার দেশ এবং এটি সত্যি যে, যে কোনো ব্যক্তি এখানে আশ্রয় নিতে এবং শরণার্থী হতে পারে। তবে তারেক রহমান অপরাধের কারণে আদালত কর্তৃক একজন দণ্ডিত ব্যক্তি। আমি বুঝতে পারি না, একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কিভাবে যুক্তরাজ্য আশ্রয় দিয়েছে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে এক সাংবাদিক বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশে দণ্ডিত অপরাধী হয়ে কীভাবে এদেশে আছেন? তাকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার কোনো উদ্যোগ সরকারের আছে কি না?

এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে আমরা যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলছি এবং অবশ্যই একদিন আমরা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবো। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সে (তারেক) আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি। আমরা তাকে দেশে ফিরিয়ে নিতে চাই এবং অবশ্যই তাকে আদালতের মুখোমুখি হতে হবে।

রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেখিয়ে আসছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মন্ত্রীরা উভয় দেশ সফর করেছেন। সংকটের সমাধান খুঁজে বের করতে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারের সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আগ্রহ দেখালেও

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক শরণার্থী সীমান্তে অবস্থান করছে। সেখান থেকে মাত্র একটি পরিবারের অর্ধেক লোককে মিয়ানমার নিয়ে গেছে। এর মাধ্যমে সম্ভবত তারা বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছে যে, তারা ফেরত নিচ্ছে। এটি শুভ লক্ষণ।’ তবে মাত্র একটি পরিবারের অর্ধেক লোককে কেন, এ প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

তারেককে লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৮

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দণ্ডিত ব্যক্তি তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুক্তরাজ্যে মঙ্গলবার বিকেলে ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে (ওডিআই) ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন গল্প: নীতি, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে ভাষণ দেয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি একথা বলেন।

তারেক রহমানের মতো একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্য সরকারেরও সমালোচনা করে বলেন, যুক্তরাজ্য একটি অবাধ স্বাধীনতার দেশ এবং এটি সত্যি যে, যে কোনো ব্যক্তি এখানে আশ্রয় নিতে এবং শরণার্থী হতে পারে। তবে তারেক রহমান অপরাধের কারণে আদালত কর্তৃক একজন দণ্ডিত ব্যক্তি। আমি বুঝতে পারি না, একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কিভাবে যুক্তরাজ্য আশ্রয় দিয়েছে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে এক সাংবাদিক বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশে দণ্ডিত অপরাধী হয়ে কীভাবে এদেশে আছেন? তাকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার কোনো উদ্যোগ সরকারের আছে কি না?

এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে আমরা যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলছি এবং অবশ্যই একদিন আমরা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবো। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সে (তারেক) আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি। আমরা তাকে দেশে ফিরিয়ে নিতে চাই এবং অবশ্যই তাকে আদালতের মুখোমুখি হতে হবে।

রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেখিয়ে আসছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মন্ত্রীরা উভয় দেশ সফর করেছেন। সংকটের সমাধান খুঁজে বের করতে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারের সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আগ্রহ দেখালেও

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক শরণার্থী সীমান্তে অবস্থান করছে। সেখান থেকে মাত্র একটি পরিবারের অর্ধেক লোককে মিয়ানমার নিয়ে গেছে। এর মাধ্যমে সম্ভবত তারা বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছে যে, তারা ফেরত নিচ্ছে। এটি শুভ লক্ষণ।’ তবে মাত্র একটি পরিবারের অর্ধেক লোককে কেন, এ প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।