০২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটিতে অগ্নিকাণ্ড, পুড়েছে ৫১ দোকান-বসতঘর

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলা সদরের বাজারে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ৫১টি দোকান ও বসতঘর পুড়ে গেছে।

রোববার (৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আগুন লাগে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পুলিশ, সেনাবাহিনী, আনসার ও স্থানীয়রা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। কিছু কিছু দোকানের মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হলেও অধিকাংশ পুড়ে গেছে।

জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিউল আজম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিতেন্দ্র কুমার নাথ জানিয়েছেন, জুরাছড়ি বাজারে আগুনে ৩৭টি দোকান, ১০টি বসতঘর ও ৪টি ভাসমান দোকান পুড়ে গেছে।

তিনি জানান, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে তা এখনো বলা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা ও জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইমন চাকমা ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন। এ সময় সুরেশ কুমার চাকমাসহ স্থানীয়রা দাবি করেন, ফায়ার স্টেশন না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ বেশি হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেলো ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী

রাঙামাটিতে অগ্নিকাণ্ড, পুড়েছে ৫১ দোকান-বসতঘর

প্রকাশিত : ০৮:৪৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০২২

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলা সদরের বাজারে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ৫১টি দোকান ও বসতঘর পুড়ে গেছে।

রোববার (৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আগুন লাগে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পুলিশ, সেনাবাহিনী, আনসার ও স্থানীয়রা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। কিছু কিছু দোকানের মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হলেও অধিকাংশ পুড়ে গেছে।

জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিউল আজম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিতেন্দ্র কুমার নাথ জানিয়েছেন, জুরাছড়ি বাজারে আগুনে ৩৭টি দোকান, ১০টি বসতঘর ও ৪টি ভাসমান দোকান পুড়ে গেছে।

তিনি জানান, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে তা এখনো বলা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা ও জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইমন চাকমা ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন। এ সময় সুরেশ কুমার চাকমাসহ স্থানীয়রা দাবি করেন, ফায়ার স্টেশন না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ বেশি হয়েছে।