০২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড

গত ১২ অক্টোবর বুধবার স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ডের রায় প্রদান করেছেন দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সিনিয়র জেলা জজ বিচারক শরীফ উদ্দিন আহমেদ। মামলার বিবরনে জানা গেছে, দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার খটখটিয়া কৃষ্টপুর গ্রামের সাবজাল মিয়ার কন্যা লায়লা বানুর সহিত একই উপজেলার হরিপুর (সোনাজুড়ি) গ্রামের হারুনুর রশিদের পুত্র সাদ্দাম হোসেনের ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিবাহ হয়। বিবাহের পর যৌতুকের দাবীতে শারিরীক ও মানূষিক নির্যাতন সহৃ করতে না পেরে স্বামীর বাড়ি থেকে স্ত্রী লায়লা বানু গত ১০ জুলাই’১৬ তারিখে পিত্রালয়ে চলে আসে। অতঃপর ২৩ জুলাই’১৬ তারিখে স্থানীয় মহৎদের সাথে আলোচনা করে পিতা তার কন্যা লায়লা বানুকে তার স্বামীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। ২৫ জুলাই’১৬ তারিখে মারা যাওয়ার খবর শুনে পরিবারের লোকজন গিয়ে  নিহত লায়লা বানুকে মারপিট ও জখমের চিহৃ দেখে। এব্যাপারে সাবজাল মিয়া তার কন্যা লায়লা বানুকে হত্যার দায়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ১৫ তাং ২৬/৭/১৬। গতকাল বুধবার ১২ অক্টোবর আদালতের বিচারক ১৬জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন করে স্ত্রী হত্যা দায়ে স্বামী সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুদন্ডের রায় প্রদান করেন। মামলার বাদী পক্ষে ছিলেন পিপি তৈয়বা বেগম, আসামী পক্ষে ছিলেন এডভোকেট সাইফুল ইসলাম।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রে ফুড ফেস্টিভ্যালে বন্দুকহামলা, নিহত ২

দিনাজপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড

প্রকাশিত : ০৮:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২২
গত ১২ অক্টোবর বুধবার স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ডের রায় প্রদান করেছেন দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সিনিয়র জেলা জজ বিচারক শরীফ উদ্দিন আহমেদ। মামলার বিবরনে জানা গেছে, দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার খটখটিয়া কৃষ্টপুর গ্রামের সাবজাল মিয়ার কন্যা লায়লা বানুর সহিত একই উপজেলার হরিপুর (সোনাজুড়ি) গ্রামের হারুনুর রশিদের পুত্র সাদ্দাম হোসেনের ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিবাহ হয়। বিবাহের পর যৌতুকের দাবীতে শারিরীক ও মানূষিক নির্যাতন সহৃ করতে না পেরে স্বামীর বাড়ি থেকে স্ত্রী লায়লা বানু গত ১০ জুলাই’১৬ তারিখে পিত্রালয়ে চলে আসে। অতঃপর ২৩ জুলাই’১৬ তারিখে স্থানীয় মহৎদের সাথে আলোচনা করে পিতা তার কন্যা লায়লা বানুকে তার স্বামীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। ২৫ জুলাই’১৬ তারিখে মারা যাওয়ার খবর শুনে পরিবারের লোকজন গিয়ে  নিহত লায়লা বানুকে মারপিট ও জখমের চিহৃ দেখে। এব্যাপারে সাবজাল মিয়া তার কন্যা লায়লা বানুকে হত্যার দায়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ১৫ তাং ২৬/৭/১৬। গতকাল বুধবার ১২ অক্টোবর আদালতের বিচারক ১৬জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন করে স্ত্রী হত্যা দায়ে স্বামী সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুদন্ডের রায় প্রদান করেন। মামলার বাদী পক্ষে ছিলেন পিপি তৈয়বা বেগম, আসামী পক্ষে ছিলেন এডভোকেট সাইফুল ইসলাম।