০২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কালীগঞ্জে শহীদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে

গাজীপুরের কালীগঞ্জে স্থানীয় মানুষের ৩৫ বছরের ফুটবলের ক্ষুধা মিটলো শহীদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের মাধ্যমে। কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে টুর্ণামেন্টের কালীগঞ্জ বর্তুল ফুটবল ক্লাব এন্ড একাডেমি বনাম কাপাসিয়া কোট বাজালিয়া আদর্শ য্বু কল্যাণ সংঘের মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্যে দিয়ে এই টুর্ণামেন্টের পর্দা উঠলো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসসাদিকজামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ পৌর মেয়র এস.এম রবীন হোসেন, কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন সরকার প্রমুখ।

উদ্বোধনী ম্যাচে কালীগঞ্জ বর্তুল ফুটবল ক্লাব এন্ড একাডেমিকে কাপাসিয়া কোট বাজালিয়া আদর্শ য্বু কল্যাণ সংঘ ১-০ গোলে পরাজিত করে। ম্যাচের সেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের গোল কিপার রাজীব হোসেন। পরে জয়ী ও বিজয়ী দুই দলকেই ৫ হাজার টাকার করে প্রাইজ মানি উপহার দেওয়া হয়।

ফুটবলারদের হাত ধরে মাঠে প্রবেশ করা ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিহান জানায়, মাঠে অনেক মানুষ দেখে তার খুব ভাল লাগছে। ফুটবল খেলাও অনেক সুন্দর হয়েছে। কালীগঞ্জ আরআরএন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ফুটবল একাডেমির কিশোর ফুটবলার রাশেদ্বীন রূপণ জানায়, এই ধরণের আয়োজন সব সময় হওয়া উচিত। ফুটবলকে ভালবেসে ফুটবল একাডেমিতে ভর্তি হয়েছে। তাই বেশি বেশি আয়োজন হলে একদিন তারাও খেলার সুযোগ পাবে।

কালীগঞ্জ বাজারের কাপড় ব্যবসায়ি ও ফুটবল খেলা দেখেতে আসা মাঠের দর্শক আলামিন হোসেন বলেন, ফুটবল খেলার খবর শুনে খেলার সময়টা দোকান বন্ধ রেখেছি। খেলা শেষে আবার দোকান খুলবো। কালীগঞ্জে দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজনের জন্য কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থাকে তিনি ধন্যবাদও জানান। দড়িসোম গ্রামের ষাটোর্ধ ফুটবল দর্শক সফুরউদ্দিন বলেন, অনেকদিন পর কালীগঞ্জে আবার ফুটবল ফিরে আসলো। দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজন হলো। তবে তিনি এই ধারা অব্যাহত রাখার বিনীত অনুরোধ জানান স্থানীয় ফুটবল সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি। একই কথা বলেন কালীগঞ্জ আরআরএন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন পঞ্চাশোর্ধ রুনা আহমেদ। তিনি মাঠ পাশর্^বর্তী তিনতলার একটি ছাদে বসে ফুটবল খেলা দেখছিলেন। তবে মাঠে এতো লোকের সমাগমে তিনি খুব উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

টুর্ণামেন্টে খেলতে আসা নাইজেরিয়ান ফুটবলার ডায়মন্ড বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খেলতে গেলেও এখানকার মত ফুটবল পিপাসু খুব কমই দেখেছি। মাঠের চার পাশে এত দর্শক দেখে মাঠে খেলতে পেরে খুব ভাল লাগছিল। এই ধরণের আয়োজনে ডাকা হলে আমার শত ব্যবস্ততা থাকলেও চলে আসবো।

কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, এতো বড় আয়োজনে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছেন ইউএনও স্যার। উনার কারণেই আমাদের কালীগঞ্জে দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছরের ফুটবলের ক্ষুধা মিটলো। আমরা আশা করবো ইউএনও স্যারের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতেও চলমান এই ফুটবলের গতিপথ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ইউএনও স্যারের মাধ্যমে কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার অধীনে ক্ষুদে ফুটবলার গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে স্থানীয়ভাবে ফুটবল একাডেমী গড়ে তুলেছি। আর সেই একাডেমির ক্ষুদে ফুটবলারদের কালীগঞ্জ আরআরএন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সপ্তাহে ৬দিন জাতীয় পর্যায়ের সাবেক দুইজন ফুলবলার দিয়ে প্রশিক্ষন দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

ইউএনও মো. আসসাদিকজামান বলেন, আমরা যদি ৯০ দশকের কথা চিন্তা করি। ফুটবল নিয়ে গ্রাম-গঞ্জে অনেক বড় বড় আয়োজন হতো। মানুষ বহুতল ভবন, গাছের ডালে, টিনের চালে বসে ফুটবল উপভোগ করতো। এমন কি শিশু দর্শকরা মাঠে খেলা দেখার জন্য বড়দের দুই পায়ের নিচ নিয়ে উঁকি-ঝুঁকি মেরে ফুটবল উপভোগ করতো। কিন্তু আজ একটা সময় আমাদের গ্রাম-গঞ্জে এমন আয়োজন আর চোখে পড়ে না। তাছাড়া এই ডিজিটাল সময়ে এসে স্মার্ট ফোনের কুফল, মাদক. বাল্যবিয়ে, কিশোর অপরাধসহ নানাবিধ কারণে এ প্রজন্ম খেলাধূলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। আর আমাদের এই আয়োজনের মাধ্যমে যদি ওই প্রজন্মকে ফুটবলমুখি করা যায়, তাহলে এই আয়োজন স্বার্থক হবে বলে মনে করবো।

তিনি আরো বলেন, ফুটবলে কালীগঞ্জের একটি ঐতিহ্য রয়েছে। স্বাধীন বাংলার প্রথম ফুটবল দলের সদস্য এনায়েত সাহেব এই কালীগঞ্জের সন্তান ছিলেন। তাছাড়া এক সময় স্থানীয়ভাবে এখানে অনেক বড় বড় ফুটবল টুর্ণামেন্ট পরিচালিত হতো। এখন আর খুব একটা হয় না। এতো সুন্দর পরিবেশ আর এতো বড় মাঠ থাকা সত্ত্বেও কেন ক্রীড়া চর্চা হচ্ছে না! বিষয়টি আমাকে খুবই মর্মাহত করে। তাই উপজেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার তত্ত্বাবধানে মাত্র শুরু করলাম। তবে এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।

গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, স্মার্ট ফোনের কুফল, মাদক. বাল্যবিয়ে, কিশোর অপরাধ থেকে আগামী প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনতে এই ধরণের আয়োজন বেশি বেশি করতে হবে। এতে করে সুস্থ্য বিকাশের যুব সমাজ দেশের বোঝা নয়, তারা হবে দেশের সম্পদ।

ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পরিচালনা কমিটির আহবায়ক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজ সেবক, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মদানকারী জাতীয় বীর শহীদ ময়েজউদ্দিনের স্মৃতি স্মরণে কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

কালীগঞ্জে শহীদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে

প্রকাশিত : ০১:২৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

গাজীপুরের কালীগঞ্জে স্থানীয় মানুষের ৩৫ বছরের ফুটবলের ক্ষুধা মিটলো শহীদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের মাধ্যমে। কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে টুর্ণামেন্টের কালীগঞ্জ বর্তুল ফুটবল ক্লাব এন্ড একাডেমি বনাম কাপাসিয়া কোট বাজালিয়া আদর্শ য্বু কল্যাণ সংঘের মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্যে দিয়ে এই টুর্ণামেন্টের পর্দা উঠলো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসসাদিকজামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ পৌর মেয়র এস.এম রবীন হোসেন, কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন সরকার প্রমুখ।

উদ্বোধনী ম্যাচে কালীগঞ্জ বর্তুল ফুটবল ক্লাব এন্ড একাডেমিকে কাপাসিয়া কোট বাজালিয়া আদর্শ য্বু কল্যাণ সংঘ ১-০ গোলে পরাজিত করে। ম্যাচের সেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের গোল কিপার রাজীব হোসেন। পরে জয়ী ও বিজয়ী দুই দলকেই ৫ হাজার টাকার করে প্রাইজ মানি উপহার দেওয়া হয়।

ফুটবলারদের হাত ধরে মাঠে প্রবেশ করা ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিহান জানায়, মাঠে অনেক মানুষ দেখে তার খুব ভাল লাগছে। ফুটবল খেলাও অনেক সুন্দর হয়েছে। কালীগঞ্জ আরআরএন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ফুটবল একাডেমির কিশোর ফুটবলার রাশেদ্বীন রূপণ জানায়, এই ধরণের আয়োজন সব সময় হওয়া উচিত। ফুটবলকে ভালবেসে ফুটবল একাডেমিতে ভর্তি হয়েছে। তাই বেশি বেশি আয়োজন হলে একদিন তারাও খেলার সুযোগ পাবে।

কালীগঞ্জ বাজারের কাপড় ব্যবসায়ি ও ফুটবল খেলা দেখেতে আসা মাঠের দর্শক আলামিন হোসেন বলেন, ফুটবল খেলার খবর শুনে খেলার সময়টা দোকান বন্ধ রেখেছি। খেলা শেষে আবার দোকান খুলবো। কালীগঞ্জে দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজনের জন্য কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থাকে তিনি ধন্যবাদও জানান। দড়িসোম গ্রামের ষাটোর্ধ ফুটবল দর্শক সফুরউদ্দিন বলেন, অনেকদিন পর কালীগঞ্জে আবার ফুটবল ফিরে আসলো। দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজন হলো। তবে তিনি এই ধারা অব্যাহত রাখার বিনীত অনুরোধ জানান স্থানীয় ফুটবল সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি। একই কথা বলেন কালীগঞ্জ আরআরএন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন পঞ্চাশোর্ধ রুনা আহমেদ। তিনি মাঠ পাশর্^বর্তী তিনতলার একটি ছাদে বসে ফুটবল খেলা দেখছিলেন। তবে মাঠে এতো লোকের সমাগমে তিনি খুব উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

টুর্ণামেন্টে খেলতে আসা নাইজেরিয়ান ফুটবলার ডায়মন্ড বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খেলতে গেলেও এখানকার মত ফুটবল পিপাসু খুব কমই দেখেছি। মাঠের চার পাশে এত দর্শক দেখে মাঠে খেলতে পেরে খুব ভাল লাগছিল। এই ধরণের আয়োজনে ডাকা হলে আমার শত ব্যবস্ততা থাকলেও চলে আসবো।

কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, এতো বড় আয়োজনে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছেন ইউএনও স্যার। উনার কারণেই আমাদের কালীগঞ্জে দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছরের ফুটবলের ক্ষুধা মিটলো। আমরা আশা করবো ইউএনও স্যারের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতেও চলমান এই ফুটবলের গতিপথ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ইউএনও স্যারের মাধ্যমে কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার অধীনে ক্ষুদে ফুটবলার গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে স্থানীয়ভাবে ফুটবল একাডেমী গড়ে তুলেছি। আর সেই একাডেমির ক্ষুদে ফুটবলারদের কালীগঞ্জ আরআরএন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সপ্তাহে ৬দিন জাতীয় পর্যায়ের সাবেক দুইজন ফুলবলার দিয়ে প্রশিক্ষন দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

ইউএনও মো. আসসাদিকজামান বলেন, আমরা যদি ৯০ দশকের কথা চিন্তা করি। ফুটবল নিয়ে গ্রাম-গঞ্জে অনেক বড় বড় আয়োজন হতো। মানুষ বহুতল ভবন, গাছের ডালে, টিনের চালে বসে ফুটবল উপভোগ করতো। এমন কি শিশু দর্শকরা মাঠে খেলা দেখার জন্য বড়দের দুই পায়ের নিচ নিয়ে উঁকি-ঝুঁকি মেরে ফুটবল উপভোগ করতো। কিন্তু আজ একটা সময় আমাদের গ্রাম-গঞ্জে এমন আয়োজন আর চোখে পড়ে না। তাছাড়া এই ডিজিটাল সময়ে এসে স্মার্ট ফোনের কুফল, মাদক. বাল্যবিয়ে, কিশোর অপরাধসহ নানাবিধ কারণে এ প্রজন্ম খেলাধূলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। আর আমাদের এই আয়োজনের মাধ্যমে যদি ওই প্রজন্মকে ফুটবলমুখি করা যায়, তাহলে এই আয়োজন স্বার্থক হবে বলে মনে করবো।

তিনি আরো বলেন, ফুটবলে কালীগঞ্জের একটি ঐতিহ্য রয়েছে। স্বাধীন বাংলার প্রথম ফুটবল দলের সদস্য এনায়েত সাহেব এই কালীগঞ্জের সন্তান ছিলেন। তাছাড়া এক সময় স্থানীয়ভাবে এখানে অনেক বড় বড় ফুটবল টুর্ণামেন্ট পরিচালিত হতো। এখন আর খুব একটা হয় না। এতো সুন্দর পরিবেশ আর এতো বড় মাঠ থাকা সত্ত্বেও কেন ক্রীড়া চর্চা হচ্ছে না! বিষয়টি আমাকে খুবই মর্মাহত করে। তাই উপজেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার তত্ত্বাবধানে মাত্র শুরু করলাম। তবে এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।

গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, স্মার্ট ফোনের কুফল, মাদক. বাল্যবিয়ে, কিশোর অপরাধ থেকে আগামী প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনতে এই ধরণের আয়োজন বেশি বেশি করতে হবে। এতে করে সুস্থ্য বিকাশের যুব সমাজ দেশের বোঝা নয়, তারা হবে দেশের সম্পদ।

ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পরিচালনা কমিটির আহবায়ক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজ সেবক, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মদানকারী জাতীয় বীর শহীদ ময়েজউদ্দিনের স্মৃতি স্মরণে কালীগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব