১২:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চাকরি চলে গেলেও বিশ্বকাপ মিস করতে চান না তারা

বিনোদনের অন্যতম সেরা উপলক্ষ্য হলো খেলা। আর সেই খেলা যদি হয় ফুটবল বিশ্বকাপের মতো জনপ্রিয় আসর, তাহলে তো কোনো কথাই নেই!
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এমন অনেক ফুটবলপ্রেমী সমর্থক রয়েছেন; যারা প্রিয় দলের জন্য নিজের জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশ থেকে আর্জেন্টিনার দূরত্ব ১৭ হাজার কিলোমিটার। আর ব্রাজিলের দূরত্ব প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার। অথচ বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশের অধিকাংশ বাড়িতে উড়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা। আর সেই পতাকা সাঁটানো নিয়েও চলে প্রতিযোগিতা। কোন সমর্থকের পতাকা কত বড় এ নিয়েও চায়ের আড্ডা থেকে টিভির টকশোতেও ঝড় ওঠে।

বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশে ফুটবলের যে জোয়ার ওঠে তাতে মনে হয় জামাল ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন দলটি বুঝি বিশ্বকাপ খেলছে। অথচ তাদের দৌড় বাছাইপর্ব পর্যন্তই।

এ দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের অবস্থা দেখে মনে হয় বাংলাদেশ বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার সুযোগ পেলেও মেসি-নেইমারদের সমর্থনে ভাটা পড়বে না। বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশেই যদি সমর্থকদের এমন অবস্থা হয়- তাহলে যে দেশটি বিশ্বকাপ খেলে সেই দেশের সমর্থকদের অবস্থা একটু চিন্তা করুন!

বিশ্বকাপের ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। যুক্তরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ হলো ওয়েলস। তারা এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছে। ইংল্যান্ডের সঙ্গে খেলবে কাতার বিশ্বকাপকে।

কাতার বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের ফুটবলপ্রেমীরা জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপের ম্যাচ চলাকালীন কোনো কাজ নয়। তারা পরবর্তীতে সেই কাজ করে দিতে প্রস্তুত কিন্তু কোনো মতেই বিশ্বকাপ খেলা দেখা মিস করতে নারাজ।

ইংল্যান্ড আর ওয়েলসের প্রায় ৫০ শতাংশ ফুটবলপ্রেমী জানিয়েছেন, অফিস না যাওয়ার জন্য চাকরি গেলে যাক। বিশ্বকাপের খেলা বাদ দেওয়া যাবে না।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের প্রথম ম্যাচ ২১ নভেম্বর ইরানের বিপক্ষে। একই দিন ওয়েলস অভিযান শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। অনেকেই প্রিয় দলের খেলা দেখতে কাতার পৌঁছে গিয়েছেন। যারা দেশে আছেন, তারা বসবেন টেলিভিশনের সামনে। ইংল্যান্ডের ফুটবলপ্রেমীদের ৪৭ শতাংশই জানিয়েছেন বিশ্বকাপের সময় কোনো কাজ করবেন না।

ইংল্যান্ডের ১৩ শতাংশ ফুটবলপ্রেমী বলেছেন, দলের খেলা থাকলে বাড়ির বাইরে পা রাখার প্রশ্নই ওঠে না। অফিসে জানিয়ে দেবেন, খেলা ছেড়ে কাজ করা সম্ভব নয়। ১৫ শতাংশ জানিয়েছেন, খেলার সময় কাজ নয়। অফিস বললে অন্য সময় গিয়ে কাজ করে দিতে পারেন।

ওয়েলস সমর্থকদেরও ৪১ শতাংশ বিশ্বকাপের সময় কাজ করতে নারাজ। ওয়েলস সমর্থকদের ৪০ শতাংশ জানিয়েছেন, দলের খেলার সময় কোনো সেমিনার বা বৈঠক থাকলে এড়িয়ে যাবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ / bh

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

চাকরি চলে গেলেও বিশ্বকাপ মিস করতে চান না তারা

প্রকাশিত : ০৮:১১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২

বিনোদনের অন্যতম সেরা উপলক্ষ্য হলো খেলা। আর সেই খেলা যদি হয় ফুটবল বিশ্বকাপের মতো জনপ্রিয় আসর, তাহলে তো কোনো কথাই নেই!
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এমন অনেক ফুটবলপ্রেমী সমর্থক রয়েছেন; যারা প্রিয় দলের জন্য নিজের জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশ থেকে আর্জেন্টিনার দূরত্ব ১৭ হাজার কিলোমিটার। আর ব্রাজিলের দূরত্ব প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার। অথচ বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশের অধিকাংশ বাড়িতে উড়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা। আর সেই পতাকা সাঁটানো নিয়েও চলে প্রতিযোগিতা। কোন সমর্থকের পতাকা কত বড় এ নিয়েও চায়ের আড্ডা থেকে টিভির টকশোতেও ঝড় ওঠে।

বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশে ফুটবলের যে জোয়ার ওঠে তাতে মনে হয় জামাল ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন দলটি বুঝি বিশ্বকাপ খেলছে। অথচ তাদের দৌড় বাছাইপর্ব পর্যন্তই।

এ দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের অবস্থা দেখে মনে হয় বাংলাদেশ বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার সুযোগ পেলেও মেসি-নেইমারদের সমর্থনে ভাটা পড়বে না। বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশেই যদি সমর্থকদের এমন অবস্থা হয়- তাহলে যে দেশটি বিশ্বকাপ খেলে সেই দেশের সমর্থকদের অবস্থা একটু চিন্তা করুন!

বিশ্বকাপের ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। যুক্তরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ হলো ওয়েলস। তারা এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছে। ইংল্যান্ডের সঙ্গে খেলবে কাতার বিশ্বকাপকে।

কাতার বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের ফুটবলপ্রেমীরা জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপের ম্যাচ চলাকালীন কোনো কাজ নয়। তারা পরবর্তীতে সেই কাজ করে দিতে প্রস্তুত কিন্তু কোনো মতেই বিশ্বকাপ খেলা দেখা মিস করতে নারাজ।

ইংল্যান্ড আর ওয়েলসের প্রায় ৫০ শতাংশ ফুটবলপ্রেমী জানিয়েছেন, অফিস না যাওয়ার জন্য চাকরি গেলে যাক। বিশ্বকাপের খেলা বাদ দেওয়া যাবে না।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের প্রথম ম্যাচ ২১ নভেম্বর ইরানের বিপক্ষে। একই দিন ওয়েলস অভিযান শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। অনেকেই প্রিয় দলের খেলা দেখতে কাতার পৌঁছে গিয়েছেন। যারা দেশে আছেন, তারা বসবেন টেলিভিশনের সামনে। ইংল্যান্ডের ফুটবলপ্রেমীদের ৪৭ শতাংশই জানিয়েছেন বিশ্বকাপের সময় কোনো কাজ করবেন না।

ইংল্যান্ডের ১৩ শতাংশ ফুটবলপ্রেমী বলেছেন, দলের খেলা থাকলে বাড়ির বাইরে পা রাখার প্রশ্নই ওঠে না। অফিসে জানিয়ে দেবেন, খেলা ছেড়ে কাজ করা সম্ভব নয়। ১৫ শতাংশ জানিয়েছেন, খেলার সময় কাজ নয়। অফিস বললে অন্য সময় গিয়ে কাজ করে দিতে পারেন।

ওয়েলস সমর্থকদেরও ৪১ শতাংশ বিশ্বকাপের সময় কাজ করতে নারাজ। ওয়েলস সমর্থকদের ৪০ শতাংশ জানিয়েছেন, দলের খেলার সময় কোনো সেমিনার বা বৈঠক থাকলে এড়িয়ে যাবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ / bh