দারিদ্র, সংঘাত আর মেয়ে শিশুর প্রতি বৈষম্যের কারণে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি বা ১২০ কোটির বেশি শিশু ঝুঁকির মুখে রয়েছে। শিশু অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটির দ্বিতীয় ‘এ্যান্ড অব চাইল্ডহুড’ সূচকে দেখা গেছে, বিশ্বের ১২০ কোটির বেশি শিশু এই হুমকির সম্মুখীন। এদের মধ্যে ১৫ কোটি ৩০ লাখ শিশু এক সাথে এই তিন ঝুঁকির মধ্যেই রয়েছে।
গত বছরের চেয়ে বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হলেও অগ্রগতি যথেষ্ট নয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। পহেলা জুন আন্তর্জাতিক শিশু দিবসকে সামনে রেখে সেভ দ্য চিলড্রেন প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
সংস্থাটির সূচকে বলা হয়েছে, দারিদ্র কবলিত দেশে ঝুঁকির মধ্যে আছে ১০০ কোটি শিশু, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে হুমকির মধ্যে ২৪ কোটি শিশুর বাস আর যেসব দেশে নারীর প্রতি বৈষম্য স্বাভাবিক হিসেবে দেখা হয় এমন দেশে ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মেয়ে শিশু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ কারণে এসব শিশুরা যেই হোক বা যে দেশেই বাস করুক, তাদের শৈশব ও ভবিষ্যতের সম্ভাবনা লুটের ঝুঁকিতে রয়েছে।
১৭৫টি দেশে জরিপ চালিয়ে তৈরি প্রতিবেদনটি সেভ দ্য চিলড্রেন বুধবার প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, ১৭৫টি দেশের মধ্যে ৯৫টি দেশে শিশুদের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে অবনতি ঘটেছে ৪০ দেশে।
শিশুরা কতটুকু মৃত্যু ঝুঁকির মুখে আছে, অপুষ্টি, শিক্ষার অভাব, বাল্যবিবাহ এবং শিশু শ্রমের উপর ভিত্তি করে দেশগুলোর তালেকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সূচক অনুসারে শিশুদের অবস্থার সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে সিঙ্গাপুর ও স্লোভেনিয়াতে। এই দুটি দেশে র্যাংকিংয়ের শীর্ষে যৌথভাবে অবস্থান করছে। পরে রয়েছে নরওয়ে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড।
সূচকের একেবারে নিচের সারিতে হয়েছে নাইজার, মালি ও সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। তালিকার একেবারে নিচের দশটি দেশের মধ্যে আটটিই পশ্চিম ও সেন্ট্রাল আফ্রিকার। সূত্র: বিবিসি

























