কালকিনি কলেজের প্রিন্সিপাল পদ থেকে সাময়িক ভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দুদক কর্মকর্তার তদন্তে অভিযুক্ত হওয়ায় মাদারীপুরের কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসনে কলেজের প্রিন্সিপ্যাল মোঃ হাসানুল সিরাজীকে সাময়িক ভাবে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মীর গোলাম ফারুক। রোববার ২৯ অক্টোবর সকালে সভাপতির স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে সাময়িক ভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অব্যাহতির স্মারক সূত্রে জানা যায়, কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের প্রিন্সিপ্যাল মোঃ হাসানুল সিরাজীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, অসদাচারণ ও নারী শিক্ষকদের প্রতি তার আচরণ শিষ্টাচার বহিভূর্ত ও নারী বিদ্বেষী বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ এনে কলেজের অধিকাংশ শিক্ষকরা দুদকে একটি অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তার বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করেন। যেহেতু তদন্তে উক্ত প্রিন্সিপ্যাল মোঃ হাসানুল সিরাজীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে পরিচালনা পর্ষদ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু সভাপতির ৪টি কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব প্রদান না করায় প্রিন্সিপ্যাল হাসানুল সিরাজীকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে প্রিন্সিপ্যাল হাসানুল সিরাজী সাংবাদিকদের বলেন একক ভাবে আমাকে অব্যাহতির একটি পত্র দিয়েছে এটা ভিত্তিহীন।
এদিকে একই কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ আলমগীর হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপ্যাল হিসেবে দায়িত্বে থাকতে বলা হয়েছে।ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মীর গোলাম ফারুক প্রিন্সিপ্যাল মোঃ হাসানুল সিরাজীকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দিয়ে আমাকে ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপ্যাল হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বলেছেন।

























