রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া। প্রথমবারেরমত বিশ্বকাপের ফাইনালে গেলো ক্রোয়েশিয়া। মারিও মান্দজুকিচের গোলে অতিরিক্ত সময়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে লিড নিল ক্রোয়েশিয়া। ১০৯ মিনিটে অসাধারণ গোলটি করেন তিনি।

এর আগে ম্যাচের নির্ধারিত সময় ও যোগ করা ৩ মিনিটেও ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়ার সেমিফাইনালটি ১-১ গোলে সমতা থাকে। ফলে অতিরিক্ত আরও ৩০ মিনিটের বাঁশি বাজান রেফারি।
মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায় ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে চমৎকার ফ্রি-কিক লক্ষ্যভেদ করেন কিয়েরান ট্রিপায়ার। ক্রোয়োশিয়া গোলরক্ষক কিছু বুঝে ওঠার আগেই বল ঠিকানা খুঁজে পায় জালে।

ইংলিশ লিগে টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে খেলা এই ডিফেন্ডারের এটি প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।
পরে ৬৮ মিনিটে ক্রোয়েশিয়াকে খেলার সমতায় ফেরান ইভান পেরিসিচ। ডান দিক থেকে শিমে ভারসালকোর ক্রসে পা অনেক উঁচিয়ে বল জালে পাঠান পেরিসিচ।
চার মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ক্রোয়েটরা, দুর্ভাগ্য তাদের পেরিসিচের শট বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। তাই খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচের ১০৯ মিনিটে এগিয়েও যায় ক্রোয়েশিয়া, চমৎকার গোলটি করেন মারিও মান্দজুকিচ।

১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর ইংল্যান্ডের সামনে দ্বিতীয়বারের মতো সুযোগ এসেছে ফাইনালে খেলার। অবশ্য এর আগে ১৯৯০ সালে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল তারা।

আর ক্রোয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ অভিষেকেই চমক দেখিয়ে ছিল, সেমি-ফাইনালে ওঠে। দ্বিতীয়বারের মতো সেমিতে উঠলেও ফাইনালে খেলার সুযোগ পায়নি তারা এখনো। এবার তারা কেমন করে সেটাই এখন দেখার।

ক্রোয়েশিয়া: দানিয়েল সুবাসিচ, সিমে ভ্রাসালিকো, ইভান স্ত্রিনিচ, ইভান পেরিসিচ, দেজান লোভরেন, ইভান রাকিটিচ, লুকা মদ্রিচ, মার্সেলো ব্রোজোভিচ, মারিও মান্দজুকিচ, আন্তে রেবিচ, দোমাগোজ ভিদা।
ইংল্যান্ড: জর্ডান পিকফোর্ড, কাইলে ওয়াকার, জন স্টোন্স, হ্যারি মাগিরে, জেসে লিংগার্ড, জর্ডান হেন্ডারসন, হ্যারি কেন, রহিম স্টারলিং, কিয়েরান ট্রিপ্পিয়ার, অ্যাশলি ইয়ং, ডেলে আলি।
























