১২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানে নির্বাচনে ইমরান খান এগিয়ে

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে দেশটির বিশ্বকাপ ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ১১৪টি আসন পেয়ে অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছে। দেশটিতে বুধবার ১১তম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

পাকিস্তানের ডন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসরকারিভাবে পাওয়া খবর অনুযায়ী ১১৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে পিটিআই। নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) এগিয়ে রয়েছে ৬৮টি আসনে।

এর আগে দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিষদের (এনএ) ১৪৩, ১৪৯, ১৫২, ১৫৪, ১৫৬, ১৫৭, ১৫৮, ৬, ৮, ৯, ১১, ১২, ১৪, ১৬, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩২, ৩৫, ৪১, ৪৩, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৫, ৬৩, ৬৬, ৭০-সহ ৯৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে পিটিআই।

ডনের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) এগিয়ে রয়েছে ৬৮ আসনে। আর বিলওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এগিয়ে আছে ৩৯টি আসনে। এখন পর্যন্ত মোট প্রাপ্ত ভোটের ৩৪ শতাংশ গণনা শেষ হয়েছে।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২৩টি এগিয়ে রয়েছেন। মুত্তাহিদা মজলিশ আমল (এমএমএ) এগিয়ে রয়েছে ৯টি আসনে এবং গ্র্যান্ড ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (জিডিএ) এগিয়ে আছে ৭টি আসনে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের মোট ৩৪২ আসনের মধ্যে ২৭২ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়। বাকি ৭০টি আসন নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত। কোনো দলকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে ২৭২ আসনের মধ্যে ১৩৭ আসনে জিততে হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় পরিষদের সঙ্গে দেশটির চারটি প্রাদেশিক পরিষদেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল আটটায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

এরই মধ্যে ইমরান খানের দল পিটিআই শিবিরে আনন্দ উল্লাহ করতে শুরু করেছে। মধ্যরাতে পিটিআইয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পাতায় ইমরান খানকে ‘উজিরে আজম’ হিসেবে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্টও দিয়ে দেয়া হয়েছে।

এদিকে ফল প্রত্যাখ্যান করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ভাই শাহবাজ শরীফ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, নির্বাচনে নজিরবিহীন কারচুপি হয়েছে এবং এর ফলাফলে জনগণের প্রকৃত রায়ের প্রতিফলন ঘটেনি।

পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল নির্বাচনের ফলাফলকে ‘অযৌক্তিক ও অসঙ্গত’ বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তবে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের প্রধান (সিইসি) মুহাম্মাদ রাজা খান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছেন, নির্বাচন ১০০% সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

পাকিস্তানে নির্বাচনে ইমরান খান এগিয়ে

প্রকাশিত : ১১:২৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই ২০১৮

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে দেশটির বিশ্বকাপ ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ১১৪টি আসন পেয়ে অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছে। দেশটিতে বুধবার ১১তম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

পাকিস্তানের ডন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসরকারিভাবে পাওয়া খবর অনুযায়ী ১১৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে পিটিআই। নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) এগিয়ে রয়েছে ৬৮টি আসনে।

এর আগে দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিষদের (এনএ) ১৪৩, ১৪৯, ১৫২, ১৫৪, ১৫৬, ১৫৭, ১৫৮, ৬, ৮, ৯, ১১, ১২, ১৪, ১৬, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩২, ৩৫, ৪১, ৪৩, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৫, ৬৩, ৬৬, ৭০-সহ ৯৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে পিটিআই।

ডনের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) এগিয়ে রয়েছে ৬৮ আসনে। আর বিলওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এগিয়ে আছে ৩৯টি আসনে। এখন পর্যন্ত মোট প্রাপ্ত ভোটের ৩৪ শতাংশ গণনা শেষ হয়েছে।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২৩টি এগিয়ে রয়েছেন। মুত্তাহিদা মজলিশ আমল (এমএমএ) এগিয়ে রয়েছে ৯টি আসনে এবং গ্র্যান্ড ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (জিডিএ) এগিয়ে আছে ৭টি আসনে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের মোট ৩৪২ আসনের মধ্যে ২৭২ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়। বাকি ৭০টি আসন নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত। কোনো দলকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে ২৭২ আসনের মধ্যে ১৩৭ আসনে জিততে হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় পরিষদের সঙ্গে দেশটির চারটি প্রাদেশিক পরিষদেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল আটটায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

এরই মধ্যে ইমরান খানের দল পিটিআই শিবিরে আনন্দ উল্লাহ করতে শুরু করেছে। মধ্যরাতে পিটিআইয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পাতায় ইমরান খানকে ‘উজিরে আজম’ হিসেবে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্টও দিয়ে দেয়া হয়েছে।

এদিকে ফল প্রত্যাখ্যান করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ভাই শাহবাজ শরীফ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, নির্বাচনে নজিরবিহীন কারচুপি হয়েছে এবং এর ফলাফলে জনগণের প্রকৃত রায়ের প্রতিফলন ঘটেনি।

পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল নির্বাচনের ফলাফলকে ‘অযৌক্তিক ও অসঙ্গত’ বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তবে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের প্রধান (সিইসি) মুহাম্মাদ রাজা খান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছেন, নির্বাচন ১০০% সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।