জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি দলিলের সময় অতিরিক্ত টাকা নেওয়া সেই সাথে দলিল লেখকদের সমিতির নামে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ঘেরাও কর্মসূচী ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বেলা ১১ টা থেকে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী সাব-রেজিস্ট্রিারের অফিসে অবস্থান করেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
এসময় সাব-রেজিস্ট্রারের এজলাস কক্ষে ঢুকে স্লোগান দিতে থাকেন বৈষ্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। তখন তারা “দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা, দূর্নীতিবাজের গালে , জুতা মারো তালে তালে, দূর্নীতি অনিয়মন, চলবেনা চলবেনা” এমন স্লোগান দিতে থাকেন।
এসময় সদ্য যোগদানকৃত ভারপ্রাপ্ত নবাগত উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কামরুল ইসলামের সামনে দলিল লেখক সমিতির নামে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের দূর্নীতি অনিয়মের বিষয়ে উপস্থাপন করেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যে, ঘুষখোর দলিল লেখক সমিতি আছে। দলিল লেখার সময় তারা যদি অতিরিক্ত টাকা চায় তখন আপনারা তাদের জুতা মারবেন। উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে যদি তারা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বানাতে চায় তাহলে তাদের ঠিকানা দিল্লিতে হবে কি না জানিনা। ঘুষ নিলে আমাদের জানাবেন আমরা ছাত্র জনতা তাদের বিরুদ্ধে এ্যাকশানে যাবো। আমরা আজ থেকে তাদেরকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি অমল প্রশাদ পান্ডের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে আমি কোন বক্তব্য দিবো না।
পাঁচবিবি উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) সাব-রেজিস্ট্রার কামরুল ইসলাম বলেন, আমি (৫ মার্চ) এখানে যোগদান করেছি। আজকে সমন্বয়করা হঠাৎ অতর্কিত ভাবে আমার এজলাসে ঢুকে আমার কর্মচারী ও দলিল লেখকদের সঙ্গে যে হেস্তনেস্ত করার চেষ্টা করেছে এটা সুষ্ঠ মস্তিষ্কে কেউ করতে পারে না।
এমনকি তারা আমাকেও অপমান, অপদস্ত করেছে বলেও জানান তিনি । আমি তাদের বলেছি, তোমাদের কোনো অভিযোগ থাকলে আমাকে লিখিত আকারে দাও, আমি সেটি জেলা রেজিস্ট্রার স্যারকে পাঠাবো কিন্তু তারা আমার কোনো কথাই শুনলেন না।
ডিএস../




















