০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় কয়েক দিনের ভারি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় গৃহহীন হয়েছেন ৩৪ হাজার বাসিন্দা।

কেরালা রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানায়, বন্যায় ১ হাজার ৩১ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের মোট ১৪টির মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে গতকাল শনিবার ইদুক্কি জেলার এক রিসোর্ট থেকে ৫৪ জন পর্যটককে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। ৩১ হাজার মানুষ উদ্ধার শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।

খবরে আরও বলা হয়েছে, গত ২৬ বছরের মধ্যে এই প্রথম ইদুক্কি বাঁধ এলাকায় তিন মাত্রার সতর্কতা জারি করে ওয়াটার রিজার্ভারের ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে। রিজার্ভারের পানি উচ্চতা ২ হাজার ৪০০ ফুটের বেশি হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার সেটির তিনটি ফটক খুলে দেওয়া হয়। এতে একাধিক নদীর পানি বেড়ে গিয়ে এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকা থেকে এর মধ্যেই ১০ হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। দিনব্যাপী উদ্ধারকাজ চলছে। ওই এলাকায় দুর্গতদের জন্য অন্তত ৫০০ ত্রাণশিবির তৈরি করা হয়েছে।

কেরালার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা পি এইচ কুরিয়ান বলেন, ‘বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। তবে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আমরা আমাদের সতর্কতা ও প্রস্তুতি চালিয়ে যাব।’

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের আজ রোববার বন্যা পরিস্থিতি ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য দেখতে প্লাবিত এলাকায় যাওয়ার কথা রয়েছে।

ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) পাশাপাশি দেশটির সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নিয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

প্রকাশিত : ০১:০৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৮

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় কয়েক দিনের ভারি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় গৃহহীন হয়েছেন ৩৪ হাজার বাসিন্দা।

কেরালা রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানায়, বন্যায় ১ হাজার ৩১ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের মোট ১৪টির মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে গতকাল শনিবার ইদুক্কি জেলার এক রিসোর্ট থেকে ৫৪ জন পর্যটককে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। ৩১ হাজার মানুষ উদ্ধার শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।

খবরে আরও বলা হয়েছে, গত ২৬ বছরের মধ্যে এই প্রথম ইদুক্কি বাঁধ এলাকায় তিন মাত্রার সতর্কতা জারি করে ওয়াটার রিজার্ভারের ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে। রিজার্ভারের পানি উচ্চতা ২ হাজার ৪০০ ফুটের বেশি হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার সেটির তিনটি ফটক খুলে দেওয়া হয়। এতে একাধিক নদীর পানি বেড়ে গিয়ে এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকা থেকে এর মধ্যেই ১০ হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। দিনব্যাপী উদ্ধারকাজ চলছে। ওই এলাকায় দুর্গতদের জন্য অন্তত ৫০০ ত্রাণশিবির তৈরি করা হয়েছে।

কেরালার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা পি এইচ কুরিয়ান বলেন, ‘বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। তবে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আমরা আমাদের সতর্কতা ও প্রস্তুতি চালিয়ে যাব।’

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের আজ রোববার বন্যা পরিস্থিতি ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য দেখতে প্লাবিত এলাকায় যাওয়ার কথা রয়েছে।

ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) পাশাপাশি দেশটির সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নিয়েছে।