প্রতিবেশী এক গৃহবধূর ঘরে শিক্ষক! এখানেই শেষ নয়, তাদের দু’জনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে গণধোলাইও দিয়েছে এলাকাবাসী। পরে ওই গৃহবধূ এবং শিক্ষককে দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে মাঠে ফেলে রাখা হয়। তারপর তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয় গ্রামবাসীরা।
বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর বেলা ভারতের উত্তর দিনাজপুরে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক সুদীপ মণ্ডল ওরফে নন্দলাল স্থানীয় একটি হাই স্কুলের শিক্ষক। এই ঘটনার পরই ওই শিক্ষকের স্ত্রী বিভা মণ্ডল স্বামীর বিরুদ্ধে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। এছাড়া গ্রামবাসীরাও ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষকের কাছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২০১০ সালে স্থানীয় বিলপাড়ার বিভা মণ্ডলের সঙ্গে শিক্ষক সুদীপ মণ্ডলের বিয়ে হয়। তাদের একটি ৪ বছরের পুত্র সন্তানও রয়েছে। স্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত বিবাদের জের ধরেই প্রতিবেশী এক গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সুদীপ।
অন্যদিকে, প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর স্বামী দিল্লিতে শ্রমিকের কাজ করত। এই সুযোগে প্রায়ই ওই শিক্ষক প্রতিবেশীর গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হতেন। নিজের বাড়িতে রাতে থাকতেন না তিনি। গত বুধবার রাতেও ওই গৃহবধূর ঘরে যান শিক্ষক। বৃহস্পতিবার ভোর বেলা আপত্তিকর অবস্থায় তাদের দেখে ফেলেন এলাকাবাসী। পরে তাদের দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে একটি মাঠে ফেলে রেখে পুলিশে খবর দেয় তারা। পরে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গ্রামবাসীদের তরফ থেকে থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়।
এ বিষয়ে কানকি পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন সিংহ বলেন, ‘গ্রামবাসীদের তরফ থেকে অভিযোগ করা হলেও ওই শিক্ষকের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’


























