টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এখনো পানিবন্দি লাখো মানুষ। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় বিত্তবানরা। স্পিডবোট ও নৌকায় করে দুর্গম এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চারটি টিম কেরানীহাটের প্রধান সড়ককে কেন্দ্র করে স্পিডবোট ও নৌকাযোগে বিভিন্ন প্লাবিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম এবং শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ শুরু করেছে।
বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। অন্যদিকে চন্দনাইশ ও আংশিক সাতকানিয়ার প্রায় ৩০ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপহার হিসেবে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জসিম উদ্দিন আহমেদ।
ত্রাণ বিতরণে অংশ নেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক।
কেওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মহসিন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ নিজ উদ্যোগে বন্যার্তদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত মানুষের মাঝে বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকায় এখনো পানি কমেনি। পানিবন্দি মানুষ অপেক্ষা করছেন আরও খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সহায়তার।
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
সাতকানিয়ার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ডিএস./



















