১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

পরিবার পরিকল্পনা নীতি বাদ দিচ্ছে চীন!

জনসংখ্যা নীতি থেকে সরে আসতে যাচ্ছে চীন। দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যম চীনা ডেইলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবোতে এক পোস্টে জানিয়েছে, কেবল এক সন্তান নীতিই নয় বরং পুরো পরিবার পরিকল্পনা নীতিটিই বাদ দেওয়া হচ্ছে।

এতে বলা হয়েছে, সোমবার দেশটির শীর্ষ কয়েকজন আইনপ্রণেতা একটি সিভিল কোডের খসড়া জমা দিয়েছেন। খসড়া সিভিল কোডে ‘শান্ত হওয়ার’ একটি বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এই বিধান অনুযায়ী, যারা বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেছেন তাদেরকে সেই আবেদন প্রত্যাহারের জন্য এক মাসের সময় দেওয়া হবে।

২০২০ সালের মার্চে চীনের পার্লামেন্টের বার্ষিক অধিবেশনে এই খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।

উল্লেখ্য, জনসংখ্যার ক্ষেত্রে ১৯৭৯ সাল থেকে এক সন্তান নীতি অনুসরণ করে আসছে চীন। তবে জনসংখ্যা কমে যাওয়া, জন্মহার হ্রাস ও শ্রমিকের সংখ্যা হ্রাসের কারণে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি থেকে সরে আসে চীন। ওই সময় জানানো হয় নগর এলাকাগুলোতে দম্পতিরা চাইলে দু’টি সন্তান নিতে পারবেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

পরিবার পরিকল্পনা নীতি বাদ দিচ্ছে চীন!

প্রকাশিত : ০২:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৮

জনসংখ্যা নীতি থেকে সরে আসতে যাচ্ছে চীন। দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যম চীনা ডেইলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবোতে এক পোস্টে জানিয়েছে, কেবল এক সন্তান নীতিই নয় বরং পুরো পরিবার পরিকল্পনা নীতিটিই বাদ দেওয়া হচ্ছে।

এতে বলা হয়েছে, সোমবার দেশটির শীর্ষ কয়েকজন আইনপ্রণেতা একটি সিভিল কোডের খসড়া জমা দিয়েছেন। খসড়া সিভিল কোডে ‘শান্ত হওয়ার’ একটি বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এই বিধান অনুযায়ী, যারা বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেছেন তাদেরকে সেই আবেদন প্রত্যাহারের জন্য এক মাসের সময় দেওয়া হবে।

২০২০ সালের মার্চে চীনের পার্লামেন্টের বার্ষিক অধিবেশনে এই খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।

উল্লেখ্য, জনসংখ্যার ক্ষেত্রে ১৯৭৯ সাল থেকে এক সন্তান নীতি অনুসরণ করে আসছে চীন। তবে জনসংখ্যা কমে যাওয়া, জন্মহার হ্রাস ও শ্রমিকের সংখ্যা হ্রাসের কারণে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি থেকে সরে আসে চীন। ওই সময় জানানো হয় নগর এলাকাগুলোতে দম্পতিরা চাইলে দু’টি সন্তান নিতে পারবেন।