চীনের অদূরবর্তী পশ্চিমাঞ্চলে জিনজিয়াং প্রদেশে অস্থিরতার সৃষ্টির জন্য ‘বাইরের প্রভাব’কে দায়ী করেছে চীনের একটি পত্রিকা। শনিবার চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত পত্রিকার সম্পাদকীয়তে চীনের কর্মকর্তাদের নিষেধাজ্ঞার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের একটি গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেছে।
দেশটির ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা পিপলস ডেইলির ট্যাবলয়েড গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশিত সম্পাদকীয়তে বলা হয়, পশ্চিমাদের অভিযোগের কারণে চরমপন্থিদের বিষয়ে গুরুত্বরভাবে ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে জিনজিয়াং প্রশাসন। পশ্চিমারা বিশ্বাস করে যে, সেখানে ধর্মীয় যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
যার ফলে চরমপন্থিরা পশ্চিমা ও আন্তর্জাতিক সমাজের সহানুভূতি ও সমর্থন লাভ করেছে। ওই সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, কিছু বাহিনী জিনজিয়াংয়ে চীনের সরকারের শাসন প্রচেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে। পশ্চিম-কেন্দ্রিক মূল্যবোধের রীতির ওপর ভিত্তি করে জিনজিয়াংয়ে শাসনের উদ্দেশ্য ও প্রভাব এবং নির্দয়-সত্যের লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ যা শুধু বিবৃতির দেওয়ার পর্যায়ে পড়ে।
সম্পাদকীয়তে আরো বলা হয়, এ ধরনের ফাঁকা বক্তব্য চরমপন্থিদের অনুপ্রাণিত করে। ফলে জিনজিয়াং প্রশাসনের অর্জনকে হ্রাস করার চেষ্টা এবং এ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কয়েকজন পশ্চিমা রাজনীতিবিদ। যদিও জিনজিয়াংয়ে শাসনব্যবস্থার কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি এ অঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বার্থ রক্ষা করে কিনা তার প্রেক্ষিতে বিচার করা ও অব্যাহত থাকার প্রশ্নে বিবেচনা করার বিষয়টি আসে।
এদিকে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপিস্ট আইনপ্রণেতাদের একটি দল চীনের জিনজিয়াংয়ে সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে চীনের কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ সময় আইনপ্রণেতারা বলেছে, তারা বিষয়টিকে ‘উচ্চ-প্রযুক্তির পুলিশি রাষ্ট্রে’ পরিণত করেছে।-


























