০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কমনওয়েলথ গেমসে ফিরছে ক্রিকেট!

কমনওয়েলথ গেমসে ১৯৯৮ আসরে প্রথমবারের মতো ছিল ক্রিকেট। সেটাই প্রথম, সেটাই শেষ। নানান বাস্তবতায় এরপর ক্রিকেট আর কমনওয়েলথে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তবে বেশ কয়েক বছর ধরেই আইসিসি বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। গতকাল সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২২ কমনওয়েলথ গেমসে নারী টি২০ ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

চার বছর পর কমনওয়েলথ গেমসের বাইশতম আসর বসবে ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে। স্বাগতিক দেশ হিসেবে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডও (ইসিবি) আইসিসির এই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে। কমনওয়েলথ গেমসে নারী টি২০ অন্তর্ভুক্ত হলে সেটা বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের উন্নতি এবং নারী ক্রিকেটকে আরও ছড়িয়ে দিতে সহায়ক হবে বলে মনে করেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন।

তিনি বলেন, ‘সারা বিশ্বে ক্রিকেটের যে ১০০ কোটি দর্শক আছে, তার মধ্যে ৯১ কোটি দর্শকই কমনওয়েলথভুক্ত দেশের। এ থেকেই বোঝা যায় যে, ক্রিকেট ও কমনওয়েলথ কতটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নারী ক্রিকেট ও কমনওয়েলথ গেমসকে একীভূত করতে পারলে সেটা খেলাধুলায় নারীদের অংশগ্রহণের আরও সুযোগ তৈরি করবে।’

রিচার্ডসন আরও বলেন, ‘কমনওয়েলথ গেমসে আবারও ক্রিকেটকে সম্পৃক্ত করার জন্য বার্মিংহামই হতে পারে সবচেয়ে ভালো জায়গা। এই শহরের ক্রিকেট খেলার দারুণ ঐতিহ্য আছে। এখানকার ২৩ শতাংশ মানুষ ইংল্যান্ডের বাইরের ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর নাগরিক। এখানে তাই কমনওয়েলথের সব ক্রিকেট দলই ‘হোম সাপোর্ট’ পাবে। আমরা আশা করছি, বার্মিংহাম নারী ক্রিকেটের পরবর্তী প্রজন্মকে অনেকটা উৎসাহিত করবে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

কমনওয়েলথ গেমসে ফিরছে ক্রিকেট!

প্রকাশিত : ০১:২৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮

কমনওয়েলথ গেমসে ১৯৯৮ আসরে প্রথমবারের মতো ছিল ক্রিকেট। সেটাই প্রথম, সেটাই শেষ। নানান বাস্তবতায় এরপর ক্রিকেট আর কমনওয়েলথে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তবে বেশ কয়েক বছর ধরেই আইসিসি বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। গতকাল সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২২ কমনওয়েলথ গেমসে নারী টি২০ ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

চার বছর পর কমনওয়েলথ গেমসের বাইশতম আসর বসবে ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে। স্বাগতিক দেশ হিসেবে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডও (ইসিবি) আইসিসির এই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে। কমনওয়েলথ গেমসে নারী টি২০ অন্তর্ভুক্ত হলে সেটা বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের উন্নতি এবং নারী ক্রিকেটকে আরও ছড়িয়ে দিতে সহায়ক হবে বলে মনে করেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন।

তিনি বলেন, ‘সারা বিশ্বে ক্রিকেটের যে ১০০ কোটি দর্শক আছে, তার মধ্যে ৯১ কোটি দর্শকই কমনওয়েলথভুক্ত দেশের। এ থেকেই বোঝা যায় যে, ক্রিকেট ও কমনওয়েলথ কতটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নারী ক্রিকেট ও কমনওয়েলথ গেমসকে একীভূত করতে পারলে সেটা খেলাধুলায় নারীদের অংশগ্রহণের আরও সুযোগ তৈরি করবে।’

রিচার্ডসন আরও বলেন, ‘কমনওয়েলথ গেমসে আবারও ক্রিকেটকে সম্পৃক্ত করার জন্য বার্মিংহামই হতে পারে সবচেয়ে ভালো জায়গা। এই শহরের ক্রিকেট খেলার দারুণ ঐতিহ্য আছে। এখানকার ২৩ শতাংশ মানুষ ইংল্যান্ডের বাইরের ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর নাগরিক। এখানে তাই কমনওয়েলথের সব ক্রিকেট দলই ‘হোম সাপোর্ট’ পাবে। আমরা আশা করছি, বার্মিংহাম নারী ক্রিকেটের পরবর্তী প্রজন্মকে অনেকটা উৎসাহিত করবে।

বিবি/রেআ