০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

পঞ্চপাণ্ডবের বিরল রেকর্ড

বিরল এক রেকর্ড গড়লেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাঁচ স্তম্ভ, মাশরাফি-সাকিব-তামিম-মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। একসঙ্গে শততম ম্যাচ খেললেন তারা। সম্মিলিত সেঞ্চুরির ম্যাচে নিজ নিজ ভূমিকায় সবাই অবদান রেখেছেন। তামিম-সাকিব-মুশফিক তিন জনই তুলে নিয়েছেন ফিফটি। এরমধ্যে দেশের হয়ে সর্বাধিক সেঞ্চুরি জুটির রেকর্ডও গড়েছেন তামিম-মুশফিক।

তবে এমন মাইলফলক ছোঁয়ার ম্যাচে শেষপর্যন্ত হারের আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয়েছে টাইগারদেরকে।

মাশরাফি-তামিম-সাকিব-মুশফিক-রিয়াদ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সুপার ফাইভ। পাঁচজনের সম্মিলনে ভিন্ন এক বাংলাদেশ। পাঁচজনের এক সঙ্গে প্রায় এক যুগের পথচলা, আর তাতে বাংলাদেশ খুঁজে পেয়েছে আশার আলো।

একটা জয়, একটা সময়ে কতোটা আরাধ্য ছিলো। একেকটা ম্যাচ আর একেকটা হতাশার মিতালী। সেখান থেকে বেরিয়ে আজকের ধারাবাহিক বাংলাদেশ। জয়-পরাজয়ের হিসেবে আজকাল সাফল্যের গল্পই বেশি।

দেশের ক্রিকেটের প্রায় সব রেকর্ড নিজেদের ঝুলিতে পুরেছেন এই পাঁচজন। দাপট দেখিয়েছেন বিশ্বক্রিকেটেও। এবার ভিন্নরকম একটা রেকর্ড মাড়িয়েছেন। একসঙ্গে খেলেছেন শততম ম্যাচ। এর মধ্যে জয় ৪৭টিতে (৩৪ ওয়ানডে, ১২টি-টোয়েন্টি, ১ টেস্ট)। আর হার ৪৯টি ম্যাচে। ফল আসেনি ৪টি ম্যাচে।

এই পাঁচ ক্রিকেটারের একসঙ্গে খেলা প্রথম ম্যাচ ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। অধিনায়ক মাশরাফির প্রথম ও ক্যারিয়ারের এখন পর্যন্ত সবশেষ টেস্টও সেটিই।

এই পাঁচ জনের পথচলা শুরু ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এই পাঁচ জনের মধ্যে সর্বশেষ অভিষিক্ত মাহমুদউল্লাহর অভিষেকের পর থেকেই।

সুপার ফাইভের শততম ম্যাচেও সবাই আলো ছড়িয়েছেন। দলের সিংহভাগ রান এসেছে পঞ্চপান্ডবের ব্যাটে। বিশেষ করে তামিম সাকিব মুশফিক হাঁকিয়েছেন ফিফটি। শুরুতেই লিটনের ইনজুরি আর ইমরুলের বিদায়ের পর দলকে উদ্ধার করেছেন তামিম-মুশি। গড়েছেন পঞ্চম শততম জুটি।

রিয়াদের ব্যাট থেকেও এসেছে মুল্যবান ৩১ রান। বল হাতে মিরপুরে নিজের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচে ১টি উইকেট শিকার করেছেন ম্যাশ।

তবে সুপার ফাইভের নতুন মাইলস্টোন ছোঁয়ার দিনে শাই হোপ হয়ে উঠলেন গলার কাঁটা। স্লগ ওভারে মোস্তাফিজ-রুবেলের ব্যর্থতা দাগ কেটে গেলো আরো একবার।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পঞ্চপাণ্ডবের বিরল রেকর্ড

প্রকাশিত : ১০:৩৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

বিরল এক রেকর্ড গড়লেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাঁচ স্তম্ভ, মাশরাফি-সাকিব-তামিম-মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। একসঙ্গে শততম ম্যাচ খেললেন তারা। সম্মিলিত সেঞ্চুরির ম্যাচে নিজ নিজ ভূমিকায় সবাই অবদান রেখেছেন। তামিম-সাকিব-মুশফিক তিন জনই তুলে নিয়েছেন ফিফটি। এরমধ্যে দেশের হয়ে সর্বাধিক সেঞ্চুরি জুটির রেকর্ডও গড়েছেন তামিম-মুশফিক।

তবে এমন মাইলফলক ছোঁয়ার ম্যাচে শেষপর্যন্ত হারের আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয়েছে টাইগারদেরকে।

মাশরাফি-তামিম-সাকিব-মুশফিক-রিয়াদ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সুপার ফাইভ। পাঁচজনের সম্মিলনে ভিন্ন এক বাংলাদেশ। পাঁচজনের এক সঙ্গে প্রায় এক যুগের পথচলা, আর তাতে বাংলাদেশ খুঁজে পেয়েছে আশার আলো।

একটা জয়, একটা সময়ে কতোটা আরাধ্য ছিলো। একেকটা ম্যাচ আর একেকটা হতাশার মিতালী। সেখান থেকে বেরিয়ে আজকের ধারাবাহিক বাংলাদেশ। জয়-পরাজয়ের হিসেবে আজকাল সাফল্যের গল্পই বেশি।

দেশের ক্রিকেটের প্রায় সব রেকর্ড নিজেদের ঝুলিতে পুরেছেন এই পাঁচজন। দাপট দেখিয়েছেন বিশ্বক্রিকেটেও। এবার ভিন্নরকম একটা রেকর্ড মাড়িয়েছেন। একসঙ্গে খেলেছেন শততম ম্যাচ। এর মধ্যে জয় ৪৭টিতে (৩৪ ওয়ানডে, ১২টি-টোয়েন্টি, ১ টেস্ট)। আর হার ৪৯টি ম্যাচে। ফল আসেনি ৪টি ম্যাচে।

এই পাঁচ ক্রিকেটারের একসঙ্গে খেলা প্রথম ম্যাচ ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। অধিনায়ক মাশরাফির প্রথম ও ক্যারিয়ারের এখন পর্যন্ত সবশেষ টেস্টও সেটিই।

এই পাঁচ জনের পথচলা শুরু ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এই পাঁচ জনের মধ্যে সর্বশেষ অভিষিক্ত মাহমুদউল্লাহর অভিষেকের পর থেকেই।

সুপার ফাইভের শততম ম্যাচেও সবাই আলো ছড়িয়েছেন। দলের সিংহভাগ রান এসেছে পঞ্চপান্ডবের ব্যাটে। বিশেষ করে তামিম সাকিব মুশফিক হাঁকিয়েছেন ফিফটি। শুরুতেই লিটনের ইনজুরি আর ইমরুলের বিদায়ের পর দলকে উদ্ধার করেছেন তামিম-মুশি। গড়েছেন পঞ্চম শততম জুটি।

রিয়াদের ব্যাট থেকেও এসেছে মুল্যবান ৩১ রান। বল হাতে মিরপুরে নিজের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচে ১টি উইকেট শিকার করেছেন ম্যাশ।

তবে সুপার ফাইভের নতুন মাইলস্টোন ছোঁয়ার দিনে শাই হোপ হয়ে উঠলেন গলার কাঁটা। স্লগ ওভারে মোস্তাফিজ-রুবেলের ব্যর্থতা দাগ কেটে গেলো আরো একবার।

বিবি/জেজে