০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পতনের বাজারে আরও কমল মূল্য আয় অনুপাত

গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই দেশের শেয়ারবাজারে মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম। ফলে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে পতন হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্সসহ বাকি দুটি সূচকেরও বড় পতন হয়েছে। সূচকের এ পতনের মধ্যে বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৬৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এতে ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত কমেছে প্রায় দুই শতাংশ।

গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১৩ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে। যা সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত কমেছে দশমিক ২৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯১ শতাংশ।

খাত ভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বরাবরের মতো সব থেকে কম পিই রেশিও রয়েছে ব্যাংক খাতে। সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৭ দশমিক ২৭ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৭ দশমিক ৪০ পয়েন্টে।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা টেলিযোগাযোগ খাতের পিই রিশিও ১১ দশমিক ১৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহে এ খাতের পিই ছিল ১১ দশমিক ৭৩ পয়েন্টে। এর পরের স্থানে থাকা বীমা খাতের পিই ১২ দশমিক ১৩ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ১২ দশমিক ১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পিই রেশিও ১৩ দশমিক ৪২ পয়েন্ট থেকে কমে ১৩ দশমিক ২৫ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৪ দশমিক ৭১ পয়েন্ট থেকে কমে ১৪ দশমিক ৬২ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ১৫ দশমিক শূন্য ৬ পয়েন্ট থেকে কমে ১৪ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে এবং সেবা ও আবাসন খাতের পিই ১৬ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট থেকে কমে ১৫ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

২০ পয়েন্টের নিচে পিই থাকা অন্য খাতগুলোর মধ্যে খাদ্য খাতের ১৬ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট থেকে কমে ১৬ দশমিক ৬০ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৮ দশমিক ২৮ পয়েন্ট থেকে কমে ১৮ দশমিক ১০ পয়েন্টে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১৮ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ১৯ দশমিক ১০ পয়েন্টে এবং আর্থিক খাতের ১৮ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট থেকে কমে ১৮ দশমিক ২৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বাকি খাতগুলোর পিইও রেশিও ২০ পয়েন্টের ওপরে। এর মধ্যে- ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ২০ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট থেকে কমে ২০ দশমিক ৪১ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২০ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট থেকে কমে ২০ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ২২ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট থেকে কমে ২২ দশমিক ৫৮ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ২৪ দশমিক ৬০ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ২৪ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৭ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট থেকে কমে ২৬ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে, পেপার খাতের ৩২ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট থেকে কমে ৩১ দশমিক ৯১ পয়েন্টে এবং পাট খাতের ৪৫০ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ৪৯১ দশমিক ৩০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/শেখ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

পতনের বাজারে আরও কমল মূল্য আয় অনুপাত

প্রকাশিত : ০২:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই দেশের শেয়ারবাজারে মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম। ফলে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে পতন হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্সসহ বাকি দুটি সূচকেরও বড় পতন হয়েছে। সূচকের এ পতনের মধ্যে বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৬৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এতে ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত কমেছে প্রায় দুই শতাংশ।

গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১৩ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে। যা সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত কমেছে দশমিক ২৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯১ শতাংশ।

খাত ভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বরাবরের মতো সব থেকে কম পিই রেশিও রয়েছে ব্যাংক খাতে। সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৭ দশমিক ২৭ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৭ দশমিক ৪০ পয়েন্টে।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা টেলিযোগাযোগ খাতের পিই রিশিও ১১ দশমিক ১৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহে এ খাতের পিই ছিল ১১ দশমিক ৭৩ পয়েন্টে। এর পরের স্থানে থাকা বীমা খাতের পিই ১২ দশমিক ১৩ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ১২ দশমিক ১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পিই রেশিও ১৩ দশমিক ৪২ পয়েন্ট থেকে কমে ১৩ দশমিক ২৫ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৪ দশমিক ৭১ পয়েন্ট থেকে কমে ১৪ দশমিক ৬২ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ১৫ দশমিক শূন্য ৬ পয়েন্ট থেকে কমে ১৪ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে এবং সেবা ও আবাসন খাতের পিই ১৬ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট থেকে কমে ১৫ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

২০ পয়েন্টের নিচে পিই থাকা অন্য খাতগুলোর মধ্যে খাদ্য খাতের ১৬ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট থেকে কমে ১৬ দশমিক ৬০ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৮ দশমিক ২৮ পয়েন্ট থেকে কমে ১৮ দশমিক ১০ পয়েন্টে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১৮ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ১৯ দশমিক ১০ পয়েন্টে এবং আর্থিক খাতের ১৮ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট থেকে কমে ১৮ দশমিক ২৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বাকি খাতগুলোর পিইও রেশিও ২০ পয়েন্টের ওপরে। এর মধ্যে- ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ২০ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট থেকে কমে ২০ দশমিক ৪১ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২০ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট থেকে কমে ২০ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ২২ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট থেকে কমে ২২ দশমিক ৫৮ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ২৪ দশমিক ৬০ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ২৪ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৭ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট থেকে কমে ২৬ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে, পেপার খাতের ৩২ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট থেকে কমে ৩১ দশমিক ৯১ পয়েন্টে এবং পাট খাতের ৪৫০ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ৪৯১ দশমিক ৩০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/শেখ