ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনকে ইনিংস ও ৯ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। আজ সোমবার শেষ দিনে ৩৪২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা ওয়ালটন ৩৩৩ রানে অলআউট হয়।
তার আগে ওয়ালটন তাদের প্রথম ইনিংসে ২১৩ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে ইস্ট জোন তামিম ইকবালের অপরাজিত ৩৩৪, মুমিনুল হকের ১১১ ও ইয়াসির আলীর অপরাজিত ৬২ রানের ইনিংসে ভর করে ২ উইকেট হারিয়ে ৫৫৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে।
৩৪২ রানে পিছিয়ে থেকে ওয়ালটন রোববার বিকেলে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে। ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান তুলে তৃতীয় দিন শেষ করে ওয়ালটন। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে আজ সোমবার ২২৭ রান করতে হত। কিন্তু বাকি ৭টি উইকেট হারিয়ে তারা দলীয় সংগ্রহে ২১৮ রান যোগ করতে পারে। তাতে ১০৯.২ ওভারে ৩৩৩ রানে থামে ওয়ালটনের দ্বিতীয় ইনিংস।
ব্যাট হাতে এই ইনিংসে ওয়ালটনের মোহাম্মদ মিথুন সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন। এ ছাড়া লড়াই করেন তাইবুর রহমান (৬২) ও শুভাগত হোম (৩৫)। বল হাতে ইস্ট জোনের নাঈম হাসান ৬টি উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন : ২১৩/১০ ও ৩৩৩/১০
ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন : ৫৫৫/২ ডিক্লে.
ফল : ইস্ট জোন ইনিংস ও ৯ রানে জয়ী
ম্যাচসেরা : তামিম ইকবাল।
অষ্টম উইকেট হারাল ওয়ালটন : আট উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে এখনো ২৫ রান প্রয়োজন ওয়ালটনের। অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন মুস্তাফিজুর রহমান। ১০ বল খেলে ২ রান করে নাঈম হাসানের বলে ইয়াসির আলীর হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
৩০০ রান পেরিয়ে ওয়ালটন : চা বিরতিতে যাওয়ার আগে মোহাম্মদ মিথুন আউট হন। চা বিরতি থেকে ফিরে আউট হন সোহরাওয়ার্দী শুভ। মাত্র ৬ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে ৪ রান করে ফিরেন তিনি। এরপর মুস্তাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় সংগ্রহকে ৩০০ পার করেছেন শুভাগত হোম চৌধুরী। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের এখনো প্রয়োজন ৩৭ রান। হাতে আছে ৩ উইকেট। দিনের খেলা শেষ হতে বাকি ৩২ ওভার!
চা বিরতির আগে ফিরলেন মিথুন : ৮৩ ওভারের মাথায় তাইবুর রহমান রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরেন তাইবুর রহমান। তারপর মোহাম্মদ মিথুন ও শুভাগত হোম টেনে নিচ্ছিলেন ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনকে। কিন্তু চা বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগের বলে আউট হয়ে যান মিথুন। নাঈম হাসানের বলে আউট হওয়ার আগে ১৪৩ বল খেলে ১০টি চার ও ১ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৮৩ রান করে ফিরেন।
রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরলেন তাইবুর : ৮৩ ওভারের মাথায় ৮৭ বল খেলে ৬টি চার ও ৩ ছক্কায় ৫৯ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরেন তাইবুর রহমান। তিনি পঞ্চম উইকেটে মোহাম্মদ মিথুনের সঙ্গে ১১৩ রানের জুটি গড়ে যান। তাইবুর যাওয়ার পর মিথুন ও শুভাগত হোম ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনকে টেনে নিচ্ছেন।
তাইবুর-মিথুনের জোড়া ফিফটি : ১৪৮ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের হাল ধরেন তাইবুর রহমান ও মোহাম্মদ মিথুন। তারা দুজন ষষ্ঠ উইকেটে ইতিমধ্যে শতরানের জুটি গড়েছেন। পাশাপাশি দুজনেই তুলে নিয়েছেন ফিফটি। তাইবুর ৬৬ বল খেলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন। এরপর মিথুন নাঈম হাসানকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৪৯ থেকে ৫৫ রানে পৌঁছান। ১০৬ বল খেলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯ রান নিয়ে ব্যাট করছেন তিনি। তাদের দুজনের ব্যাটে ভর করে ওয়ালটন ২৫০ রান পেরিয়েছে।
মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত ওয়ালটন ২০৭/৫ : ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান নিয়ে চতুর্থ ও শেষ দিন শুরু করে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। শেষ দিনের প্রথম সেশনে তারা ২ উইকেট হারিয়ে তারা দলীয় সংগ্রহে ৯২ রান যোগ করেছে। ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান তুলে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে গিয়েছে। ক্রিজে আছেন তাইবুর রহমান ৩৩ রান নিয়ে ও মোহাম্মদ মিথুন ৩১ রান নিয়ে। ষষ্ঠ উইকেটে এই জুটির সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫৯ রান। আউট হয়েছেন শহীদুল ইসলাম (১৭) ও রকিবুল হাসান (২৯)।
২০০ রান পেরিয়ে ওয়ালটন : সকালে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই দুই উইকেট হারায় ওয়ালটন। ফিরে যান শহীদুল ইসলাম ও অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রকিবুল হাসান। এরপর জুটি বাঁধেন মোহাম্মদ মিথুন ও তাইবুর রহমান। তারা দুজন স্বাভাবিক ব্যাটিং করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তারা দুজন ৯ ওভারে ৫৩ রান সংগ্রহ করেছেন। তাতে ২০০ রান পেরিয়েছে ওয়ালটন। মিথুন ৩১ ও তাইবুর ২৭ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।
ওয়ালটনের পঞ্চম উইকেটের পতন : দলীয় ১৪৮ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট হারাল ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। ইস্ট জোনের তাইজুল ইসলামের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে যান রকিবুল হাসান। ১৪৭ মিনিট ক্রিজে থেকে ১০২ বল খেলে ৩ চারে ২৯ রান করে যান। তার আউটের মধ্য দিয়ে বিপাকে পড়ল ওয়ালটন। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে এখনো ওয়ালটনের প্রয়োজন ১৬২ রান।
শুরুতেই ফিরলেন শহীদুল : রোববার শেষ বিকেলে নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হওয়ার পর নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে মাঠে নামেন ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের পেসার শহীদুল ইসলাম। তিনি ৭ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। আজ চতুর্থ দিনে নিজের নামের পাশে আরো ৭ রান যোগ করে (১৭) রুবেল হোসেনের বলে আউট হন। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে ওয়ালটনের এখনো প্রয়োজন ২০৫ রান।


























