০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

দাউদকান্দিতে ত্রাণের দাবিতে চালকদের বিক্ষোভ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ত্রাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রেন্ট-এ কার সংগঠনের চালকরা বিক্ষোভ করেছেন।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন মাইক্রোবাসের দুইশতাধিক শ্রমিক।

চালকদের অবরোধের সময়ে ঢাকাগামী পণ্যবাহী এবং জরুরি যাত্রীবাহী অর্ধশতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে যায়। পরে হাইওয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর টহল দল এবং দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের টহল দল এসে আগামী দুই দিনের মধ্যে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিলে চালকেরা মহাসড়ক থেকে সরে যান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মাইক্রোবাস চালক আবদুস সাত্তার এবং আবদুল মোতালেব বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দুই শতাধিক মাইক্রোবাস চালকের পরিবারের সদস্যরা খেয়ে না খেয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। সন্তানেরা বাসায় কান্নাকাটি করলেও খাবার কিনে দিতে পারছে না।

গৌরীপুর একতা ড্রাইভার সমিতির সভাপতি মো. আলাল বলেন, সরকারিভাবে ত্রাণ পেতে ১৯১ জন মাইক্রোবাস চালকের তালিকা তৈরি করে ২৬ মার্চ দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খানের বরাবর লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ত্রাণ পাচ্ছেন না।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার টিএসআই আশরাফ হোসেন বলেন, ত্রাণের দাবিতে চালকদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধের বিষয়টি দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে।

দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খান বলেন, লকডাইনে গাড়ি চালানোর জন্য মাইক্রোবাস চালকরা প্রথমে আবেদন করে। আমরা জানিয়ে দিয়েছি ধৈর্য ধরে সরকারের নির্দেশ পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য। পরে ত্রাণের জন্য সংগঠন থেকে মাইক্রোবাসের চালকদের ১৯১ জনের তালিকা দেয়। সেটি আমি পেয়েছি। দিনরাত কাজের চাপে এবং পুরো দাউদকান্দি ত্রাণ পৌঁছে দিতে বিলম্ব হয়েছে। তালিকা পাওয়া চালকদের ত্রাণ দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হবে বলার পরও উপজেলা প্রশাসনের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ ছাড়াই তারা কেন মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। সেটার তদন্ত হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর/ইমরান

ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

দাউদকান্দিতে ত্রাণের দাবিতে চালকদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত : ১১:১০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ত্রাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রেন্ট-এ কার সংগঠনের চালকরা বিক্ষোভ করেছেন।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন মাইক্রোবাসের দুইশতাধিক শ্রমিক।

চালকদের অবরোধের সময়ে ঢাকাগামী পণ্যবাহী এবং জরুরি যাত্রীবাহী অর্ধশতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে যায়। পরে হাইওয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর টহল দল এবং দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের টহল দল এসে আগামী দুই দিনের মধ্যে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিলে চালকেরা মহাসড়ক থেকে সরে যান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মাইক্রোবাস চালক আবদুস সাত্তার এবং আবদুল মোতালেব বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দুই শতাধিক মাইক্রোবাস চালকের পরিবারের সদস্যরা খেয়ে না খেয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। সন্তানেরা বাসায় কান্নাকাটি করলেও খাবার কিনে দিতে পারছে না।

গৌরীপুর একতা ড্রাইভার সমিতির সভাপতি মো. আলাল বলেন, সরকারিভাবে ত্রাণ পেতে ১৯১ জন মাইক্রোবাস চালকের তালিকা তৈরি করে ২৬ মার্চ দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খানের বরাবর লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ত্রাণ পাচ্ছেন না।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার টিএসআই আশরাফ হোসেন বলেন, ত্রাণের দাবিতে চালকদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধের বিষয়টি দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে।

দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খান বলেন, লকডাইনে গাড়ি চালানোর জন্য মাইক্রোবাস চালকরা প্রথমে আবেদন করে। আমরা জানিয়ে দিয়েছি ধৈর্য ধরে সরকারের নির্দেশ পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য। পরে ত্রাণের জন্য সংগঠন থেকে মাইক্রোবাসের চালকদের ১৯১ জনের তালিকা দেয়। সেটি আমি পেয়েছি। দিনরাত কাজের চাপে এবং পুরো দাউদকান্দি ত্রাণ পৌঁছে দিতে বিলম্ব হয়েছে। তালিকা পাওয়া চালকদের ত্রাণ দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হবে বলার পরও উপজেলা প্রশাসনের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ ছাড়াই তারা কেন মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। সেটার তদন্ত হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর/ইমরান