১০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

টেকনাফে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ৩ ডাকাত নিহত

টেকনাফে রঙ্গিখালীর পাহাড়ি আস্তানায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ তিন ডাকাত নিহত হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৪ কর্মকর্তাসহ ৫ পুলিশ সদস্য।বুধবার (৬মে) ভোরে উপজেলার হ্নীলা রঙ্গীখালীর গহীন পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে। অস্ত্র তৈরীর কারখানা , অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের পাহাড়ী আস্তানায় পুলিশের দুঃসাহসী অবৈধ অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে ৩ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।

নিহতরা হলেন রঙ্গিখালী মাদ্রাসা পাড়ার মৃত আব্দুল মজিদ ওরফে ভুলাইয়্যা বইদ্যের পুত্র নুরুল আলম (৪০), ছৈয়দ আলম (৩৫) ও শব্বির আহমদের পুত্র আব্দুল মোনাফ (২০)।

এসময় ৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।উদ্ধার করা হয়েছর দেশী-বিদেশী ১৮টি অস্ত্র ও বিপূল পরিমাণ ইয়াবা। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ৬ মে বুধবার ভোরে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে ও এসআই মশিউর রহমানসহ টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকার গাজী পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র তৈরীর কারখানা, মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের কেন্দ্রস্থলে অভিযানে গেলে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে পুলিশের ইন্সপেক্টর মশিউর রহমান, লিয়াকত, সনজিব দত্ত, সৈকত বড়ুয়াসহ ৫ জন সদস্য আহত হয়।

পুলিশ সু-কৌশলে অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে হামলা চালালে স্বশস্ত্র গ্রুপের সদস্যরা পালিয়ে যায়। তখন পুলিশ অস্ত্র তৈরীর কারখানায় তল্লাশী করে ১৮টি দেশী-বিদেশী অবৈধ অস্ত্র, ২শ রাউন্ড গুলি, ৫৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে আহত পুলিশ সদস্য এবং উদ্ধারকৃত সন্ত্রাসীদের চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দিয়ে গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাসীদের আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।

সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে। এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত স্বাপেক্ষে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছ।

ট্যাগ :

খাল খনন কর্মসূচি চালু করায় কৃষকের মুখে হাসি

টেকনাফে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ৩ ডাকাত নিহত

প্রকাশিত : ০৩:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

টেকনাফে রঙ্গিখালীর পাহাড়ি আস্তানায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ তিন ডাকাত নিহত হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৪ কর্মকর্তাসহ ৫ পুলিশ সদস্য।বুধবার (৬মে) ভোরে উপজেলার হ্নীলা রঙ্গীখালীর গহীন পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে। অস্ত্র তৈরীর কারখানা , অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের পাহাড়ী আস্তানায় পুলিশের দুঃসাহসী অবৈধ অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে ৩ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।

নিহতরা হলেন রঙ্গিখালী মাদ্রাসা পাড়ার মৃত আব্দুল মজিদ ওরফে ভুলাইয়্যা বইদ্যের পুত্র নুরুল আলম (৪০), ছৈয়দ আলম (৩৫) ও শব্বির আহমদের পুত্র আব্দুল মোনাফ (২০)।

এসময় ৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।উদ্ধার করা হয়েছর দেশী-বিদেশী ১৮টি অস্ত্র ও বিপূল পরিমাণ ইয়াবা। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ৬ মে বুধবার ভোরে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে ও এসআই মশিউর রহমানসহ টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকার গাজী পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র তৈরীর কারখানা, মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের কেন্দ্রস্থলে অভিযানে গেলে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে পুলিশের ইন্সপেক্টর মশিউর রহমান, লিয়াকত, সনজিব দত্ত, সৈকত বড়ুয়াসহ ৫ জন সদস্য আহত হয়।

পুলিশ সু-কৌশলে অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে হামলা চালালে স্বশস্ত্র গ্রুপের সদস্যরা পালিয়ে যায়। তখন পুলিশ অস্ত্র তৈরীর কারখানায় তল্লাশী করে ১৮টি দেশী-বিদেশী অবৈধ অস্ত্র, ২শ রাউন্ড গুলি, ৫৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে আহত পুলিশ সদস্য এবং উদ্ধারকৃত সন্ত্রাসীদের চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দিয়ে গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাসীদের আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।

সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে। এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত স্বাপেক্ষে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছ।