০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

পাইকগাছার গদাইপুরের মৃত্যুশীল্প পরিবারের মানবেতর জীবন যাপন

খুলনার পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের কর্মহীন অসহায় পালপাড়ার মৃত্যু শিল্প পরিবারের কেউই কোন প্রকার খাদ্য বা ত্রাণ সামগ্রী পায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, হিতামপুরের পালপাড়ার ৫০ পরিবার মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত ছিল। হাঁড়ি, পাতিল, কলস তথা মাটির তৈরী জিনিসপত্র বিক্রি করে তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করত।

বর্তমানে প্লাস্টিক, মেলামাইন ও স্টিলের যুগে মাটির তৈরী আসবাবপত্র সবিই বিলুপ্তের পথে। বর্তমান ১৬টি পরিবার শুধুমাত্র গাছের চারা তৈরীর পাত্র ছাড়া তেমন কোন কাজ নেই বলে নরেন্দ্রনাথ পাল জানান। মহামারী করোনা ভাইরাসের সময়ে তাদের মাটির তৈরী কোন কিছুই বিক্রি হচ্ছে না।

ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। ইতোমধ্যে সরকার ৭নং গদাইপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সরকারি ও স্থানীয়ভাবে অনেকেই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেও এ পরিবারগুলোর মধ্যে কেউ কোন প্রকার সাহায্যের হাত বাড়ায়নি বলে বিধান পাল ও সুব্রত পাল জানান।

এ অবস্থায় সরেজমিনে দেখা যায়, ১১২ বছরের বৃদ্ধা বেহুলা পাল নিজ হাতে মাটির জিনিসপত্র তৈরী করছে এবং সাংবাদিকদের দিকে তাকিয়ে বলেন, আমাদের এই চরম দুর্দিনে কেউ খোঁজ-খবর নেয়নি। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ জাকির হোসেন লিটন সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ১শ কেজি চাল পেয়েছি। ৫ কেজি করে ২০জনকে দিয়েছি। যা পালপাড়া পর্যন্ত দেয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে দেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বালুয়াকান্দিতে উদ্বোধন হল ন্যাচার লাউঞ্জ

পাইকগাছার গদাইপুরের মৃত্যুশীল্প পরিবারের মানবেতর জীবন যাপন

প্রকাশিত : ১১:০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

খুলনার পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের কর্মহীন অসহায় পালপাড়ার মৃত্যু শিল্প পরিবারের কেউই কোন প্রকার খাদ্য বা ত্রাণ সামগ্রী পায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, হিতামপুরের পালপাড়ার ৫০ পরিবার মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত ছিল। হাঁড়ি, পাতিল, কলস তথা মাটির তৈরী জিনিসপত্র বিক্রি করে তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করত।

বর্তমানে প্লাস্টিক, মেলামাইন ও স্টিলের যুগে মাটির তৈরী আসবাবপত্র সবিই বিলুপ্তের পথে। বর্তমান ১৬টি পরিবার শুধুমাত্র গাছের চারা তৈরীর পাত্র ছাড়া তেমন কোন কাজ নেই বলে নরেন্দ্রনাথ পাল জানান। মহামারী করোনা ভাইরাসের সময়ে তাদের মাটির তৈরী কোন কিছুই বিক্রি হচ্ছে না।

ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। ইতোমধ্যে সরকার ৭নং গদাইপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সরকারি ও স্থানীয়ভাবে অনেকেই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেও এ পরিবারগুলোর মধ্যে কেউ কোন প্রকার সাহায্যের হাত বাড়ায়নি বলে বিধান পাল ও সুব্রত পাল জানান।

এ অবস্থায় সরেজমিনে দেখা যায়, ১১২ বছরের বৃদ্ধা বেহুলা পাল নিজ হাতে মাটির জিনিসপত্র তৈরী করছে এবং সাংবাদিকদের দিকে তাকিয়ে বলেন, আমাদের এই চরম দুর্দিনে কেউ খোঁজ-খবর নেয়নি। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ জাকির হোসেন লিটন সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ১শ কেজি চাল পেয়েছি। ৫ কেজি করে ২০জনকে দিয়েছি। যা পালপাড়া পর্যন্ত দেয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে দেয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ