সীতাকুন্ডে প্রথম গত ৮ ই এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ ফেরত এক ব্যাক্তির করোনা শনাক্ত হয় । প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে সীতাকুণ্ডে। গত কাল ১৮ মে একদিনেই শনাক্তের সংখ্যঅ ২ অংকে অর্থাৎ ১১জনে পেীছেছে। যা সীতাকুণ্ডের প্রথম। এই নিয়ে সীতাকুণ্ডে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪০ জন।
ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি তে ১ জন। চট্রগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটি ( CVASU) তে ৭ জন। চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ সহ মোট ১১ জনের রিপোর্ট গত ২৪ ঘন্টায় পজেটিভ আসে।তাদের মধ্যে সৈয়দপুর-১জন বারৈয়াঢালা (লালা নগর) ৩জন, কলেজ রোড (পৌরসভা) সীতাকুণ্ড ১জন, মুরাদপুর ২জন, বাড়বকুণ্ড ২ জন,বাঁশবাড়িয়া ১জন ও শীতল পুর সোনাইছড়ি ১জন।
সর্বশেষ তথ্য মতে সীতাকুণ্ডে মোট করোনা আক্রান্ত ৪০ জন, সুস্থ হয়েছেন ১০ জন, প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৭৫৮ জন, আইসোলেশনে আছে ৩০ জন। এছাড়া সীতাকুণ্ডের এক সাংবাদিক ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। বিয়টি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুর উদ্দিন রাশেদ।
প্রতিদিনে উপজেলায় নতুন নতুন করোনা রোগী সনাক্ত হলেও জনগণের মধ্যে সচেতনতার লেস মাত্র নেই এবং সামাজিক দূরত্বকে উপেক্ষা করে হাট-বাজারে ভিড় করছে সাধারণ লোক জন। এছাড়া সীতাকুণ্ডে বাজার কমিটি মিটিং করে মার্কেট বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নিলেও বাস্তবে তাদের ইশারায় কিছু ব্যাক্তি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দোকান খোলা রাখছে। করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরে থাকা মানুষগুলোর জন্য সরকারের প্রণোদনা ও ত্রাণ সহায়তা জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে প্রতিটি মানুষের কাছে।
ত্রাণ সহায়তাগুলো জনগণের মাঝে দেওয়ার সময় ক্যামেরার সামনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলেও ক্যামেরার পেছনে চিত্রটা থাকে তার উল্টো। প্রতিটা ইউনিয়ের চিত্রটা প্রায় একই। জনপ্রতিনিধিরা যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জনসাধারণের জীবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, সেখানেও যদি এই ধরনের উদাসীনতার কারনে করোনা পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারন করে, কোথাও কোথাও এমনো দেখা গেছে যে মাঠে সারিবদ্ধভাবে ত্রান গুলো সাজিয়ে রাখা হলে ও ত্রানের জন্য আসা মানুষগুলো একজন অন্যজনের সাথে লেগে আছে। এ কারনে পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলতে পারে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রশাসন প্রতিনিয়ত বিষয়টা নিয়ে কাজ করছে। জনগন যদি নিজে সচেতন না হয় তাহলে প্রশাসনের সমস্ত চেষ্টাকে ব্যার্থ করে দিবে।তাই সবার আগে জনগনকে সচেতন হতে হবে। আর জনগন সচেতন হলে এই করোনার মহামারী থেকে সকলেই সুস্থ থাকতে পারবে।





















