১২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিরাজ করছে : জার্মান প্রেসিডেন্ট

আকর্ষণীয় উন্নয়ন ও উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাংলাদেশে প্রাণবন্ত গণতন্ত্র বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার। এক লিখিত বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সপ্তম দিনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এ বার্তা পাঠ করেন। জার্মান প্রেসিডেন্ট তার বার্তায় বলেন, দেশটি অসাধারণ উন্নয়ন অর্জন করেছে। উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে দেশটিতে আজ প্রাণবন্ত গণতন্ত্র বিরাজ করছে। উদ্ভাবনী উন্নয়ন নীতি ও কৌশল গ্রহণ করে বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে দারিদ্র্য হ্রাসে সফল হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি এবং উদার মানবিক সম্পৃক্ততা বিশেষ করে স্বদেশ ভূমি থেকে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আশ্রয়দানকে বিশ্ব অত্যন্ত মর্যাদা দেয়। একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে স্টাইনমায়ার বলেন, আমাদের সময়ের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো বিশেষ করে চলমান মহামারি পরিস্থিতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন কেবল তখনই মোকাবিলা করা সম্ভব, যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি। এ ধরনের সহযোগিতার জন্য আমাদের বহু বছরের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সামনের সব কার্যক্রমের সাফল্যও কামনা করেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বুড়িচংয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিরাজ করছে : জার্মান প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত : ১২:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ ২০২১

আকর্ষণীয় উন্নয়ন ও উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাংলাদেশে প্রাণবন্ত গণতন্ত্র বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার। এক লিখিত বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সপ্তম দিনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এ বার্তা পাঠ করেন। জার্মান প্রেসিডেন্ট তার বার্তায় বলেন, দেশটি অসাধারণ উন্নয়ন অর্জন করেছে। উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে দেশটিতে আজ প্রাণবন্ত গণতন্ত্র বিরাজ করছে। উদ্ভাবনী উন্নয়ন নীতি ও কৌশল গ্রহণ করে বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে দারিদ্র্য হ্রাসে সফল হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি এবং উদার মানবিক সম্পৃক্ততা বিশেষ করে স্বদেশ ভূমি থেকে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আশ্রয়দানকে বিশ্ব অত্যন্ত মর্যাদা দেয়। একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে স্টাইনমায়ার বলেন, আমাদের সময়ের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো বিশেষ করে চলমান মহামারি পরিস্থিতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন কেবল তখনই মোকাবিলা করা সম্ভব, যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি। এ ধরনের সহযোগিতার জন্য আমাদের বহু বছরের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সামনের সব কার্যক্রমের সাফল্যও কামনা করেছেন।