ছয় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার, যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা বেশি। গুরুত্ব দেওয়া হবে স্বাস্থ্য খাত ও সামাজিক নিরাপত্তা খাত। বিশাল বাজেট বাস্তবায়নে করোনা মোকাবিলা করে বরাদ্দের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে অর্থনীতি ঠিক রাখাই চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। পেশায় রাজমিস্ত্রি আনোয়ার হোসেন বোঝেন না রাষ্ট্রনীতি বা বাজেট। করোনা সংকটে কাজ হারানোর পর ৬ জনের পরিবার নিয়ে জীবনের হিসাব কষার নামই তার কাছে বাজেট। জাতীয় বাজেটে প্রত্যাশা কি? এমন প্রশ্নের প্রায় একই রকম জবাব তার মতো শ্রমজীবীদের। অনেকেই যদিও বলছেন, বাজেট দেশের সব নাগরিকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ তাই বণ্টন যেন হয় সুষম ও দুর্নীতিমুক্ত। আগামী এক বছরের হিসাবের দলিল সংসদে উপস্থাপিত হবে জুনের প্রথম বৃহস্পতিবার। এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৬ লাখ ২ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। বাস্তবায়নে এনবিআরের জোগান দিতে হবে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সম্ভাব্য ব্যয় ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। ভ্যাকসিন কেনা, করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দসহ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে। সুযোগ থাকবে কালোটাকা সাদা করার। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, অর্থনীতির চাকা গতিশীল রাখতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য একটা বরাদ্দ রাখা উচিত। সেখানে সুদও কম থাকবে। করোনাকালীন দ্বিতীয় বাজেটে এবার ঘাটতিও ছাড়াবে অতীতের সব রেকর্ড। ২ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকেই ঋণ নেয়া হবে এক লাখ কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত স্বাস্থ্য খাতের জন্য বরাদ্দ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসায়ীদের উদ্যোগ। আর অবশ্যই সাধারণ মানুষকে জরুরি সহায়তা দানের কর্মসূচি। দেশের ৫০ তম বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রায় কিছুটা লাগাম টেনে ধরা হতে পারে ৭ শতাংশ।
১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থনীতি গতিশীল রাখতে ক্ষুদ্র-মাঝারি খাতে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - প্রকাশিত : ১২:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ মে ২০২১
- 56
ট্যাগ :
জনপ্রিয়




















