০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

সংকটে রড শিল্পের উদ্যোক্তারা

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে এম এস রড তৈরির প্রধান কাঁচামাল স্ক্র্যাপ ও বিলেটের দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় সংকটে পড়েছেন এই খাতের উদ্যোক্তা ও ভোক্তাশ্রেণী। কাঁচামালের দাম বাড়ায় রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে গেছে রডের দাম। এতে ব্যয় বাড়ছে সরকারি-বেসরকারি নির্মাণ কর্মকাণ্ডে; বাড়ছে প্রকল্প ব্যয়। অন্যদিকে কাঁচামালের দাম যে পরিমাণে বেড়েছে সেই অনুপাতে দাম বাড়াতে পারছেন না এই খাতের উদ্যোক্তারা। এতে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছেন এম এস রড উৎপাদনকারীরা। মাত্র ৬ মাস আগে ৫২ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া ৭৫ গ্রেডের এম এস রড এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতি টন ৭২ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে, পাইকারি বা মিল পর্যায়ে গত ৬ মাসে প্রতি টন রডের দাম ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএসআর গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর তপন সেনগুপ্ত বলেন, ‘রডের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ আর্ন্তজাতিক বাজারে স্ক্র্যাপ ও স্ক্র্যাপ জাহাজের বুকিং দর বৃদ্ধি। গত বছর ২০২০ সালে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন স্ক্র্যাপের দাম ছিল ২৬৫-২৭০ ডলারে। চলতি সপ্তাহে স্ক্র্যাপের বুকিং দর ৫৫০-৫৮০ ডলার অর্থাৎ স্ক্র্যাপের দাম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা সরকারের মেগা প্রজেক্ট এবং ক্রেতাদের সামর্থের কথা ভেবে পণ্যের দাম দ্বিগুণ করতে পারি নি। এখনো উৎপাদন খরচের সাথে সমন্বয় করে পণ্য বিক্রি করছি।’ কয়েকদিন আগে একই কথা জানিয়েছেন আরএসআরএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ থেকে ফিরে দেশে কর্মসংস্থান ও শিল্প গড়ে তোলার চিন্তা থেকে আমদানি-রফতানির ব্যবসায় না গিয়ে ঝুঁকি নিয়ে স্টিল রি-রোলিং মিল প্রতিষ্ঠা করি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের দাম যেভাবে বেড়ে গেছে তাতে ব্যবসায় টিকে থাকা এই খাতের কোন উদ্যোক্তার পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না।’ তিনি হিসাব দিয়ে বলেন, ‘স্ক্র্যাপ ও বিলেটের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে সাড়ে ১৯ হাজার টাকা। সেখানে রডের দাম বেড়েছে ২০ হাজার টাকা। ৭০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে মাত্র ৫শ টাকা মুনাফা করে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে টিকে থাকা আদৌ সম্ভব নয়। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের নীতি সহায়তা আবশ্যক।’ এই খাতের উদ্যোক্তারা জানান, দেশের ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল শতভাগ আমদানি নির্ভর। এরমধ্যে ৭৫ শতাংশ বিলেট সরাসরি আমদানি হয় এবং বাকি ২৫ শতাংশ জাহাজ ভাঙ্গা থেকে যোগান আসে। দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক বাজারে রড উৎপাদনের কাচাঁমাল স্ক্র্যাপ ও কেমিক্যালের বাজার বেড়েছে। তিন মাস আগে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি-মার্চে আর্ন্তজাতিক বাজারে স্ক্র্যাপের বুকিং দর ছিল মাত্র ৪৬০-৪৭০ ডলার। যা বর্তমান বুকিং চলছে ৫৪৫-৫৫০ ডলার। একইভাবে দেশীয় বাজারে নভেম্বরের শুরুতে স্ক্র্যাপের দাম ছিল টনপ্রতি ৩০-৩৫ হাজার টাকা। যা বর্তমানে ৫০-৫২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক বাজারে ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল বৃদ্ধির কারণে এম এস রডের দাম বেড়ে চলেছে। এমএস রডের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইস্পাতের বাজারে বর্তমানে চার কোয়ালিটির এম এস রড রয়েছে। এরমধ্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি বা অটো কারখানাগুলোতে তৈরি ৭৫ গ্রেড, সেমি অটো কারখানাগুলোতে তৈরি ৬০ গ্রেড, সাধারণ গ্রেড বা ৪০ গ্রেড এবং কোন সিল বা গ্রেড ছাড়া রড যা বাজারে ‘বাংলা রড’ বলে পরিচিত। গত তিন দিনে ইস্পাতের বাজারে অস্বাভাবিক বেড়েছে ৭৫ গ্রেডের (৫০০ ওয়াট) রডের দাম। গত তিন দিনে দুই দফায় প্রতি টনে ২ হাজার টাকা বেড়েছে সর্বোচ্চ গ্রেডের এই রডের দাম। গতকাল বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ডের প্রতি টন ৭৫ গ্রেডের রড বিক্রি হয়েছে ৭০-৭২ হাজার টাকা দামে। যা গত সপ্তাহে ৭০ হাজার টাকার নিচে বিক্রি হয়েছে। আর গেল বছরের (২০২০ সাল) নভেম্বরের শেষ দিকে প্রতি টন ৭৫ গ্রেডের রডের দাম ছিল মাত্র ৫০-৫২ হাজার টাকার মধ্যে। সেই হিসেবে, গত ছয় মাসে প্রতি টন ৭৫ গ্রেডের রডের দাম বেড়েছে ২০-২২ হাজার টাকা। গত তিন দিনে আরো এক দফা বেড়েছে সেমি অটো, সাধারণ গ্রেড ও বাংলা রডের বাজারও। গত ছয় মাসের ব্যবধানে এসব রডের দামও টনপ্রতি ২০-২২ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে সেমি অটো মিলের ৬০ গ্রেডের রডের দাম তিন দিনের ব্যবধানে প্রতিটন ৬২ হাজার থেকে বেড়ে ৬৪-৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সেমি অটো এম এস রডের মধ্যে পেনিনসুলা, ইসলাম স্টিল, আল কারা স্টিল, এনবিআর স্টিল, বলাকা স্টিল এমএসআরএম (মানতি) ও আম্বিয়া ব্রান্ডের রড উল্লেখযোগ্য। ছয় মাস আগে সেমি অটো মিলের ৬০ গ্রেডের রডের দাম ছিল সর্বোচ্চ ৪২-৪৪ হাজার টাকার মধ্যে। একই সময়ে দুই হাজার টাকা বেড়ে বর্তমানে সাধারণ ৪০ গ্রেডের প্রতিটন এম এস রড বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৬৩ হাজার ৫০০ টাকায়। তিন দিন আগে বাজারে একই মানের রড ৬০-৬১ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে। গত ছয় মাস আগে অর্থাৎ গেল নভেম্বর পর্যন্ত পাইকারিতে ৪০ গ্রেডের রডের দাম ছিল ৪০ হাজার টাকার নিচে। গত এক সপ্তাহে বাংলা রডের দাম টনে দুই হাজার টাকা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ হাজার ৫০০ টাকায়। গত ছয়মাস আগে এসব বাংলা রডের দাম ছিল মাত্র ৩৭-৩৮ হাজার টাকার মধ্যে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুমিল্লায় শতাধিক মাল্টিমিডিয়া সংবাদকর্মীদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংকটে রড শিল্পের উদ্যোক্তারা

প্রকাশিত : ১২:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুন ২০২১

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে এম এস রড তৈরির প্রধান কাঁচামাল স্ক্র্যাপ ও বিলেটের দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় সংকটে পড়েছেন এই খাতের উদ্যোক্তা ও ভোক্তাশ্রেণী। কাঁচামালের দাম বাড়ায় রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে গেছে রডের দাম। এতে ব্যয় বাড়ছে সরকারি-বেসরকারি নির্মাণ কর্মকাণ্ডে; বাড়ছে প্রকল্প ব্যয়। অন্যদিকে কাঁচামালের দাম যে পরিমাণে বেড়েছে সেই অনুপাতে দাম বাড়াতে পারছেন না এই খাতের উদ্যোক্তারা। এতে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছেন এম এস রড উৎপাদনকারীরা। মাত্র ৬ মাস আগে ৫২ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া ৭৫ গ্রেডের এম এস রড এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতি টন ৭২ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে, পাইকারি বা মিল পর্যায়ে গত ৬ মাসে প্রতি টন রডের দাম ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএসআর গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর তপন সেনগুপ্ত বলেন, ‘রডের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ আর্ন্তজাতিক বাজারে স্ক্র্যাপ ও স্ক্র্যাপ জাহাজের বুকিং দর বৃদ্ধি। গত বছর ২০২০ সালে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন স্ক্র্যাপের দাম ছিল ২৬৫-২৭০ ডলারে। চলতি সপ্তাহে স্ক্র্যাপের বুকিং দর ৫৫০-৫৮০ ডলার অর্থাৎ স্ক্র্যাপের দাম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা সরকারের মেগা প্রজেক্ট এবং ক্রেতাদের সামর্থের কথা ভেবে পণ্যের দাম দ্বিগুণ করতে পারি নি। এখনো উৎপাদন খরচের সাথে সমন্বয় করে পণ্য বিক্রি করছি।’ কয়েকদিন আগে একই কথা জানিয়েছেন আরএসআরএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ থেকে ফিরে দেশে কর্মসংস্থান ও শিল্প গড়ে তোলার চিন্তা থেকে আমদানি-রফতানির ব্যবসায় না গিয়ে ঝুঁকি নিয়ে স্টিল রি-রোলিং মিল প্রতিষ্ঠা করি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের দাম যেভাবে বেড়ে গেছে তাতে ব্যবসায় টিকে থাকা এই খাতের কোন উদ্যোক্তার পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না।’ তিনি হিসাব দিয়ে বলেন, ‘স্ক্র্যাপ ও বিলেটের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে সাড়ে ১৯ হাজার টাকা। সেখানে রডের দাম বেড়েছে ২০ হাজার টাকা। ৭০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে মাত্র ৫শ টাকা মুনাফা করে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে টিকে থাকা আদৌ সম্ভব নয়। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের নীতি সহায়তা আবশ্যক।’ এই খাতের উদ্যোক্তারা জানান, দেশের ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল শতভাগ আমদানি নির্ভর। এরমধ্যে ৭৫ শতাংশ বিলেট সরাসরি আমদানি হয় এবং বাকি ২৫ শতাংশ জাহাজ ভাঙ্গা থেকে যোগান আসে। দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক বাজারে রড উৎপাদনের কাচাঁমাল স্ক্র্যাপ ও কেমিক্যালের বাজার বেড়েছে। তিন মাস আগে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি-মার্চে আর্ন্তজাতিক বাজারে স্ক্র্যাপের বুকিং দর ছিল মাত্র ৪৬০-৪৭০ ডলার। যা বর্তমান বুকিং চলছে ৫৪৫-৫৫০ ডলার। একইভাবে দেশীয় বাজারে নভেম্বরের শুরুতে স্ক্র্যাপের দাম ছিল টনপ্রতি ৩০-৩৫ হাজার টাকা। যা বর্তমানে ৫০-৫২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক বাজারে ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল বৃদ্ধির কারণে এম এস রডের দাম বেড়ে চলেছে। এমএস রডের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইস্পাতের বাজারে বর্তমানে চার কোয়ালিটির এম এস রড রয়েছে। এরমধ্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি বা অটো কারখানাগুলোতে তৈরি ৭৫ গ্রেড, সেমি অটো কারখানাগুলোতে তৈরি ৬০ গ্রেড, সাধারণ গ্রেড বা ৪০ গ্রেড এবং কোন সিল বা গ্রেড ছাড়া রড যা বাজারে ‘বাংলা রড’ বলে পরিচিত। গত তিন দিনে ইস্পাতের বাজারে অস্বাভাবিক বেড়েছে ৭৫ গ্রেডের (৫০০ ওয়াট) রডের দাম। গত তিন দিনে দুই দফায় প্রতি টনে ২ হাজার টাকা বেড়েছে সর্বোচ্চ গ্রেডের এই রডের দাম। গতকাল বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ডের প্রতি টন ৭৫ গ্রেডের রড বিক্রি হয়েছে ৭০-৭২ হাজার টাকা দামে। যা গত সপ্তাহে ৭০ হাজার টাকার নিচে বিক্রি হয়েছে। আর গেল বছরের (২০২০ সাল) নভেম্বরের শেষ দিকে প্রতি টন ৭৫ গ্রেডের রডের দাম ছিল মাত্র ৫০-৫২ হাজার টাকার মধ্যে। সেই হিসেবে, গত ছয় মাসে প্রতি টন ৭৫ গ্রেডের রডের দাম বেড়েছে ২০-২২ হাজার টাকা। গত তিন দিনে আরো এক দফা বেড়েছে সেমি অটো, সাধারণ গ্রেড ও বাংলা রডের বাজারও। গত ছয় মাসের ব্যবধানে এসব রডের দামও টনপ্রতি ২০-২২ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে সেমি অটো মিলের ৬০ গ্রেডের রডের দাম তিন দিনের ব্যবধানে প্রতিটন ৬২ হাজার থেকে বেড়ে ৬৪-৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সেমি অটো এম এস রডের মধ্যে পেনিনসুলা, ইসলাম স্টিল, আল কারা স্টিল, এনবিআর স্টিল, বলাকা স্টিল এমএসআরএম (মানতি) ও আম্বিয়া ব্রান্ডের রড উল্লেখযোগ্য। ছয় মাস আগে সেমি অটো মিলের ৬০ গ্রেডের রডের দাম ছিল সর্বোচ্চ ৪২-৪৪ হাজার টাকার মধ্যে। একই সময়ে দুই হাজার টাকা বেড়ে বর্তমানে সাধারণ ৪০ গ্রেডের প্রতিটন এম এস রড বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৬৩ হাজার ৫০০ টাকায়। তিন দিন আগে বাজারে একই মানের রড ৬০-৬১ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে। গত ছয় মাস আগে অর্থাৎ গেল নভেম্বর পর্যন্ত পাইকারিতে ৪০ গ্রেডের রডের দাম ছিল ৪০ হাজার টাকার নিচে। গত এক সপ্তাহে বাংলা রডের দাম টনে দুই হাজার টাকা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ হাজার ৫০০ টাকায়। গত ছয়মাস আগে এসব বাংলা রডের দাম ছিল মাত্র ৩৭-৩৮ হাজার টাকার মধ্যে।