নাটোরের দিঘাপতিয়ার একটি বাড়ি থেকে জঙ্গি সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় সেখান থেকে পাঁচটি ককটেল, ল্যাপটপ, তিনটি ছুরি ও জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।
সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া উত্তরা গণভবনের পেছনের একটি বাড়ি থেকে মঙ্গলবার ভোরে তাদের আটক ও মালামাল উদ্ধার করা হয়। বাড়ির মালিক ইকবাল সিকদার দুবাই থাকেন। বাড়িটি দেখাশোনা করেন তার চাচাতো ভাই রফিক শিকদার।
আটকরা হলেন, নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার চাপাপুকুর গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪২), একই গ্রামের মৃত ভিকু মণ্ডলের ছেলে ফজলুর রহমান (৩৮), সিংড়া উপজেলার আরকান্দি পশ্চিমপাড়ার ইউনুস আলীর ছেলে আনিছুর রহমান (৪০) ও নলডাঙ্গা উপজেলার খোলাবাড়িয়া গ্রামের ফোজলার রহমানের ছেলে জাকির হোসেন ওরফে জাকির মাস্টার (৩৮)।
পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পার দিঘাপতিয়া উত্তরা গণভবনের পেছনের এলাকায় দুইটি বাড়িতে সন্দেহজনক কিছু অপরিচিত লোকের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। এর ভিত্তিতে সোমবার মধ্য রাত থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাড়ি দুটি ঘিরে রাখে। রাতের অন্ধকারে বাড়িতে অভিযান না চালিয়ে দিনের আলো ফুটে ওঠার অপেক্ষায় থাকে পুলিশ।
তিনি বলেন, পুলিশের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে ইকবালের বাড়ি থেকে চারজন আত্মসমর্পণ করেন। পরে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে পাঁচটি ককটেল, ল্যাপটপ, মোটরসাইকেল, তিনটি ছুরি, কিছু কাচের বোতল, ফসফরাস ও বেশ কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, অপর বাড়িটিতে কেউ ছিল না। আটকরা কি উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে অবস্থান করছিল সে বিষয়ে কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যাবে।
পুলিশ সুপার দাবি করেন, বাড়িটি জেএমবি বসবাসের উপযোগী একটি বাড়ি। এর চারদিকে উঁচু দেয়াল, ভেতরে অন্ধকার। বাড়িতে খাট, চৌকি নেই।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আবদুল হাই জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা জেএমবি সদস্য। তাদের দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।




















