০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

কাল থেকে উপজেলা পর্যায়েও ওএমএসে চাল-আটা বিক্রি

চাল ও আটার দাম বেড়ে যাওয়ায় উপজেলা পর্যায়ে ওএমএস (খোলা বাজারে বিক্রি) কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) থেকে উপজেলা পর্যায়ে এক হাজার ৭৬০ ডিলারের মাধ্যমে ওএমএসে চাল ও আটা বিক্রি করা হবে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ কার্য অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওএমএস সারা বছরই চালু আছ। ৭৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে ওএমএস চালু আছে। আগামীকাল থেকে উপজেলা পর্যায়ে এক হাজার ৭৬০ জন ডিলারের মাধ্যমে ওএসএম চালু হবে।’

ওএমএসের প্রতি কেজি চালের দাম ৩০ টাকা ও আটার দাম ১৮ টাকা। একজন সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি করে আটা ও চাল পাবেন। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে বলেও জানান সাধন চন্দ্র মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘আমাদের চালের মজুত সর্বকালের সর্ববৃহৎ। সেটা মানসম্মত চালের মজুত। আশা করি মানুষ এই চাল নিয়ে খাবে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কাল থেকে উপজেলা পর্যায়েও ওএমএসে চাল-আটা বিক্রি

প্রকাশিত : ০২:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২

চাল ও আটার দাম বেড়ে যাওয়ায় উপজেলা পর্যায়ে ওএমএস (খোলা বাজারে বিক্রি) কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) থেকে উপজেলা পর্যায়ে এক হাজার ৭৬০ ডিলারের মাধ্যমে ওএমএসে চাল ও আটা বিক্রি করা হবে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ কার্য অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওএমএস সারা বছরই চালু আছ। ৭৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে ওএমএস চালু আছে। আগামীকাল থেকে উপজেলা পর্যায়ে এক হাজার ৭৬০ জন ডিলারের মাধ্যমে ওএসএম চালু হবে।’

ওএমএসের প্রতি কেজি চালের দাম ৩০ টাকা ও আটার দাম ১৮ টাকা। একজন সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি করে আটা ও চাল পাবেন। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে বলেও জানান সাধন চন্দ্র মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘আমাদের চালের মজুত সর্বকালের সর্ববৃহৎ। সেটা মানসম্মত চালের মজুত। আশা করি মানুষ এই চাল নিয়ে খাবে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর