৩৪ বছর বয়সে হুট করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন অ্যালেক্স হেলস। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী হিসেবে ইংল্যান্ড ক্যারিয়ার শেষ করলেন তিনি। গত বছর নভেম্বরে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটে জেতা ফাইনালই ছিল তার শেষ ম্যাচ।
গত ৯ মাস ধরে ইংল্যান্ডের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছিলেন হেলস। জাতীয় দলের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে ভারসাম্য রাখতে পারছিরেন না তিনি। সম্প্রতি পাকিস্তান সুপার লিগে খেলতে ইংল্যান্ডের বাংলাদেশ সফর থেকে সরে দাঁড়ান। এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকেই একেবারে বিদায় বললেন।
বিশ্বজুড়ে এখন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে মনোনিবেশ করবেন নিজেকে। গত বছর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে তার ৮৬ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংসে ফাইনালে ওঠে ইংল্যান্ড।
এছাড়া ২০২২ সালের আগে ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ দুটি স্কোরেও হেলস ছিলেন সেরা স্কোরার। ২০১৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তার ১৭১ রানে ইংল্যান্ড করেছিল ৪৪৪ রান এবং ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের করা ৪৮১ রানের ইনিংসে তিনি অবদান রাখেন ১৪৭ রান করে। গত বছর হেলসকে ছাড়া নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে করে ৪৯৮ রান।
বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি ব্যাটারও ছিলেন হেলস। এখনও সবচেয়ে বেশি আকাঙ্ক্ষিত ব্যাটার তিনি। ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ইংল্যান্ডের হয়ে খেলে এই ফরম্যাটে ১৪৭ স্ট্রাইক রেটে ১১ হাজারের বেশি রান করেছেন হেলস।
২০১১ সালের আগস্টে টি-টোয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা হেলস ৭৫ টি-টোয়েন্টি, ১১ টেস্ট ও ৭০ ওয়ানডে খেলে এই অধ্যায়ের ইতি টানলেন। টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের হয়ে দুই হাজারের বেশি রান করা তিনজনের একজন তিনি।
হেলস বলেছেন, ‘আজীবন ধরে রাখার মতো কিছু স্মৃতি ও বন্ধুত্ব তৈরি করেছি আমি। আমি মনে করি এখনই এগিয়ে যাওয়ার সঠিক সময়। ইংল্যান্ডের জার্সিতে আমি কিছু সময় পার করেছি উচ্চ শিখরে থেকে, আবার কখনও সর্বনিম্ন অবস্থাতেও নেমেছি। এটা ছিল অসাধারণ যাত্রা এবং আমি খুবই সন্তুষ্ট বোধ করছি যে আমার শেষ ম্যাচ ছিল ইংল্যান্ডের হয়ে জেতা বিশ্বকাপ ফাইনাল।’

























