অধিনায়কত্ব থেকে তামিম ইকবালের সরে দাঁড়ানোর পর এখন বড় আলোচনা, কার হাতে উঠছে টাইগারদের ওয়ানডে ক্যাপ্টেন্সির আর্মব্যান্ড? যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ইঙ্গিত দিয়েছেন এক সপ্তাহের মধ্যেই এ ব্যাপারে নেয়া হবে সিদ্ধান্ত।
তবে বিশ্বকাপ আর এশিয়া কাপ, মেগা দুই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে সাকিব আল হাসানকেই অধিনায়ক করার পক্ষে সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট। তাদের মতে সাকিব ক্যাপ্টেন হলে তা মানসিকভাবেও চাঙ্গা করবে গোটা দলকে।
দায়িত্বটা তামিমকে ছাড়তেই হলো। চট্টগ্রামে চোখের জলে, ঢাকায় অনেকটা বাধ্য হয়ে, ইনজুরির কাছে হার মেনে; তামিম ইকবাল এখন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক।
তবে তামিম ইস্যুতে আর ভাবার সুযোগ নাই। দরজায় কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপের দামামা। তার আগে আছে এশিয়া কাপ। তাইতো কার হাতে উঠছে নতুন অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড, ক্রিকেট পাড়া এখন ব্যস্ত সে আলোচনায়।
তালিকায় শান্ত-মিরাজসহ সম্ভাব্য অনেকের নাম ভাবা হলেও সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকবেন মোটে দুই জন। সাকিব আর লিটন দাস। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, পারফরম্যান্স আর গ্রহণযোগ্যতায় সাকিবেই বাজি সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটের।
তিনি বলেন, ‘আমি সোজাসুজি বলব সাকিব। যতদিন সে আছে, আমি তার বিকল্প দেখি না। মুশফিক এখন অধিনায়কত্ব চায় না। সে রিল্যাক্স হয়ে খেলতে চায়। এই মুহূর্তে আমার মনে হয়, সাকিবের বিকল্প তৈরি হয়নি।’
সাকিবের পক্ষে সাবেক এই অধিনায়কের বাজির কারণ আছে আরও। গোটা দল যে চাঙ্গা হয় সাকিব নামক জিওন কাঠিতে। বড় মঞ্চে যা প্রয়োজন সবচাইতে বেশি ।
পাইলট বলেন, ‘বড় নাম বা বড় খেলোয়াড় দেখলেই হবে না। জানতে হবে যে বাকি খেলোয়াড়রা কাকে পছন্দ করে। আমি যেটা জানি, সিনিয়র-জুনিয়র সবাই সাকিবের নেতৃত্বকে পছন্দ করে। সে খুব পজিটিব। সবাইকে নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করে। সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করে। পেছন থেকে কথা বলে না। এগুলো সবাইকে উৎসাহ যোগায়। খেলোয়াড়দের মধ্যে জয়ের মানসিকতা তৈরি করে দেয়ার সামর্থ্য তার মধ্যে আছে। এ জিনিসটা সবাই পছন্দ করে।’
সেইসঙ্গে অযথাই কালক্ষেপণ নয়। পরিকল্পনা সাজানোর সঙ্গে দলে স্থিরতা ফেরাতে, যতদ্রুত সম্ভব টাইগারদের অধিনায়ক নির্বাচনের তাগিদ সাবেক এই তারকার।

























