০৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

রাঙ্গামাটির বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস

টানা বর্ষণের কারণে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে এখন পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয় যায়নি।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৭ আগস্ট) সকালে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের রাবার বাগান এলাকায় রাস্তার উপর পাহাড়ের মাটি ও গাছ ভেঙে পড়ে। কিছুক্ষণ সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তা অপসারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে রাঙ্গামাটি শহরের সওজ গোডাউন এলাকায় একটি বসতবাড়ি ভেঙে পাহাড়ি খাদে পড়ে যায়। এছাড়াও জেলার বিলাইছড়ি, বাঘাইছড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের সংবাদ পাওয়া গেলেও কোন ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক  মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খান জানান, কাউখালিতে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের ওপর মাটি ও গাছ ভেঙে পরলে তৎক্ষণাত তা অপসারণ করা হয়। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের সংবাদ পেলেও কোন ধরণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, আমরা সার্বিক ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি, যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ১৩জুন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে ভারি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট পাহাড় ধসে ১২০ জন মানুষ মারা যায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেলো ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী

রাঙ্গামাটির বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস

প্রকাশিত : ০৫:২১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০২৩
টানা বর্ষণের কারণে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে এখন পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয় যায়নি।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৭ আগস্ট) সকালে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের রাবার বাগান এলাকায় রাস্তার উপর পাহাড়ের মাটি ও গাছ ভেঙে পড়ে। কিছুক্ষণ সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তা অপসারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে রাঙ্গামাটি শহরের সওজ গোডাউন এলাকায় একটি বসতবাড়ি ভেঙে পাহাড়ি খাদে পড়ে যায়। এছাড়াও জেলার বিলাইছড়ি, বাঘাইছড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের সংবাদ পাওয়া গেলেও কোন ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক  মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খান জানান, কাউখালিতে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের ওপর মাটি ও গাছ ভেঙে পরলে তৎক্ষণাত তা অপসারণ করা হয়। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের সংবাদ পেলেও কোন ধরণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, আমরা সার্বিক ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি, যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ১৩জুন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে ভারি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট পাহাড় ধসে ১২০ জন মানুষ মারা যায়।