আর মাত্র ১৩ দিন পর পর্দা উঠছে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের। ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’ খ্যাত এই টুর্নামেন্ট শুরু হবে আগামী ১৪ জুন। চলছে সেটারই ক্ষণগণনা। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক বিশ্বকাপ নিয়ে চমকপ্রদ কিছু তথ্য।
১. প্রথমবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে রাশিয়া। এটি বিশ্বকাপের ২১তম আসর। ৮৮ বছর আগে প্রথম বিশ্বকাপ হয়েছিল ১৯৩০ সালে। উরুগুয়ে ছিল প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক।
২. ২০১৮ বিশ্বকাপে অংশ নেবে মোট ৩২টি দল। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবে আইসল্যান্ড এবং পানামা। ২০১০ সালে সবশেষ অভিষেক হয়েছিল স্লোভাকিয়ার।
৩. রাশিয়ার ১১ শহরে মোট ১২টি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো হবে। একমাত্র মস্কোতেই রয়েছে দুটি স্টেডিয়াম (লুঝনিকি ও স্পার্তাক)।
৪. দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়া (২০১০) প্রতিটা আয়োজক দেশই বিশ্বকাপের কমপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে। এমনকি ৩০ শতাংশই (৬/২০) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আয়োজক দেশ হিসেবে সবশেষ ১৯৯৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স।
৫. বিশ্বকাপের প্রতিটা আসরই জিতছে ইউরোপিয়ান (১১) ও দক্ষিণ আমেরিকান দল (৯)।
৬. সর্বোচ্চ পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে ব্রাজিল। একমাত্র দেশ হিসেবে তারা বিশ্বকাপের প্রতিটা আসরেই অংশ নিয়েছে।
৭. বিশ্বকাপের এক আসরে কোনো দলের সব ম্যাচ জয়ের ঘটনা আছে মাত্র চারটি- উরুগুয়ে (৪/৪, ১৯৩০), ইতালি (৪/৪, ১৯৩৮) এবং ব্রাজিল (৬/৬, ১৯৭০ ও ৭/৭, ২০০২)।
৮. ১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানির সামনে। জার্মানির (৪) চেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ জিতেছে শুধু ব্রাজিল (৫)।
৯. বিশ্বকাপে দুই চ্যাম্পিয়ন দল পরের আসরে বিদায় নিয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকেই। ২০০৬ সালের চাম্পিয়ন ইতালি ২০১০ সালের গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে যায়, ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেন ২০১৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে থেকে বিদায় নেয়।
১০. মাত্র চতুর্থ দল হিসেবে টানা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি পর্তুগালের সামনে। এর আগে এই কীর্তি গড়েছে পশ্চিম জার্মানি (১৯৭২ ইউরো, ১৯৭৪ বিশ্বকাপ), ফ্রান্স (১৯৯৮ বিশ্বকাপ, ২০০০ ইউরো) ও স্পেন (২০১০ বিশ্বকাপ, ২০১২ ইউরো)। ২০১৬ সালে ইউরো জেতা পর্তুগাল কখনো বিশ্বকাপ জেতেনি।
১১. ১৯৫৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে ইতালি। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ জেতা আট দলের মধ্যে তারাই একমাত্র রাশিয়ার টিকিট পায়নি।
১২. কোনো শিরোপা জেতা ছাড়া সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠেছে মেক্সিকো (১৬)।
১৩. একমাত্র সুইজারল্যান্ড কোনো গোল হজম করা ছাড়াই কোনো বিশ্বকাপ শেষ করতে পেরেছে। ২০০৬ বিশ্বকাপে একটি গোলও হজম করেনি তারা। শেষ ষোলোতে গোলশূন্য ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিয়েছিল।
১৪. বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের খেলা ৬২ ম্যাচের মধ্যে ১১টি গোলশূন্য স্কোরলাইনে শেষ হয়েছে, যা কোনো দলের সর্বোচ্চ।
১৫. বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড পেয়েছে ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা (১১)। আর্জেন্টিনা (১০) এবং উরুগুয়েও (৯) খুব একটা পিছিয়ে নেই।
১৬. বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি গোল হয়েছে ১৭১টি (১৯৯৮ ও ২০১৪)। আর সবচেয়ে কম ১৪৫ গোল হয়েছে ৬৪ ম্যাচে (২০১০)।
১৭. শেষ তিন বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করেছে জার্মানি (২০০৬ সালে ১৪টি, ২০১০ সালে ১৬টি, ২০১৪ সালে ১৮টি)।
১৮. বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোল হয়েছে ১৯৫৪ সালের ২৬ জুন; সুইজারল্যান্ডকে ৭-৫ গোলে হারিয়েছিল অস্ট্রিয়া।
১৯. ইউরোপের একমাত্র দল হিসেবে জার্মানি সব বাছাইপর্ব পেরিয়েছে। যেখানে তাদের সর্বোচ্চ গোল পার্থক্য (+৩৯)।
২০. এই নিয়ে ১৫তম বারের মতো বিশ্বকাপে খেলবে ইংল্যান্ড। টানা ছয় আসরে তারা বাছাইপর্ব পেরিয়েছে, যেটি তাদের যৌথভাবে সর্বোচ্চ। ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত টানা ছয় আসরে খেলেছিল তারা।
২১. রাশিয়া হিসেবে খেলে (সোভিয়েত ইউনিয়ন না) এবারের আয়োজকরা কখনো বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব পার হতে পারেনি (১৯৯৪, ২০০২, ২০১৪), তিনবারই তারা তৃতীয় স্থানে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে।
২২. এবার ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে স্পেন যৌথভাবে সবচেয়ে কম গোল হজম করেছে (১০ ম্যাচে ৩ গোল, যেমনটা ইংল্যান্ডের)। এবং তারা চার অপরাজিত দলের একটি (৯ জয়, ১ ড্র)। অন্য তিন দল হলো- বেলজিয়াম, জার্মানি ও ইংল্যান্ড।
২৩. ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে সরাসরি সবচেয়ে বেশি গোলে (১৮) সম্পৃক্ত ছিলেন পর্তুগালের তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো- ১৫ গোল, ৩ অ্যাসিস্ট।
২৪. এটি রবার্তো মার্টিনেজের প্রথম বিশ্বকাপ। ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ডগ লিভিংস্টোনের পর কোনো মেজর টুর্নামেন্টে বেলজিয়ামের প্রথম বিদেশি কোচ তিনিই।
২৫. যুগোস্লাভিয়া ও সার্বিয়া অ্যান্ড মন্টেনেগ্রোর রেকর্ড মিলিয়ে এটি সার্বিয়ার ১২তম বিশ্বকাপ। তবে স্বাধীন দেশ হিসেবে এই নিয়ে মাত্র দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে তারা (প্রথমবার ২০১০ সালে)।
২৬. বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ২৪ ম্যাচের মধ্যে সুইডেন ক্লিনশিট (গোল হজম না করা) রাখতে পেরেছে মাত্র তিনটি।
২৭. সুইজারল্যান্ড সবশেষ কোনো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পেরেছিল ১৯৫৪ সালে, যেবার তারা ছিল আয়োজক; এরপর তারা কখনো দ্বিতীয় রাউন্ড পার হতে পারেনি।
২৮. বিশ্বকাপে পোল্যান্ড তাদের শেষ আট ম্যাচের ছয়টি হেরেছে কোনো গোল করা ছাড়াই। এমনকি এই আট ম্যাচেই কমপক্ষে একটি গোল তারা হজম করেছে (তাদের সবশেষ ক্লিনশিট ১৯৮৬ বিশ্বকাপে)।
২৯. ক্রোয়েশিয়া তাদের শেষ তিন বিশ্বকাপেই প্রথম ম্যাচ হেরেছে। যার শেষ দুটি ব্রাজিলের বিপক্ষে (২০০৬ ও ২০১৪)। রাশিয়ায় তাদের প্রথম ম্যাচ নাইজেরিয়ার সঙ্গে।
৩০. বিশ্বকাপে ডেনমার্ক তাদের সব গোলই (২৭) করেছে বক্সের ভেতর থেকে।
৩১. বিশ্বকাপের ইতিহাসে জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে চূড়ান্তপর্বের টিকিট পেয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটির জনসংখ্যা মাত্র ৩ লাখ ৩৫ হাজার।
৩২. সবশেষ দল হিসেবে ব্যাক টু ব্যাক বিশ্বকাপ জিতেছে ব্রাজিল (১৯৫৮ ও ১৯৬২)।
৩৩. এবার দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনার (১৯) চেয়ে কম গোল করেছে শুধু বলিভিয়া (১৮)।
৩৪. দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ গোলদাতা উরুগুয়ের স্ট্রাইকার এডিনসন কাভানি (১০)।
৩৫. ২০১৪ বিশ্বকাপ ও ২০১৮ বাছাইপর্বে কলম্বিয়ার সর্বোচ্চ গোলদাতা হামেস রদ্রিগেজ। বিশ্বকাপে তার দেশের শেষ ১০ গোলের ৮টিতে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন (৬ গোল, ২ অ্যাসিস্ট)।
৩৬. বিশ্বকাপে পেরুর ১৯ গোলের ১০টি করেছেন এবং দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিওফিলো কুবিলাস (৬৩ শতাংশ)।
৩৭. মেক্সিকো শেষ ছয় বিশ্বকাপেই শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছে। গ্রুপপর্বে তাদের শেষ ১৭ ম্যাচের মধ্যে তারা হেরেছে মাত্র দুটি (৮ জয়, ৭ ড্র)।
৩৮. টাইব্রেকার বাদে ২০১৪ বিশ্বকাপের তিন অপরাজিত দলের একটি কোস্টারিকা। অন্য দুই দল নেদারল্যান্ডস ও জার্মানি।
৩৯. তিউনিসিয়া তাদের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচই জিতেছিল (১৯৭৮ সালে, মেক্সিকোর বিপক্ষে ৩-১ গোলে) এবং তারপর থেকে তাদের ১১ ম্যাচের একটিও জিততে পারেনি (৪ ড্র, ৭ হার)। সবচেয়ে বেশি ম্যাচে জয়হীন থাকার রেকর্ডটা বুলগেরিয়ার, ১৯৬২ থেকে ১৯৯৪ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ১৭ ম্যাচে তারা জয়ের মুখ দেখেনি।
৪০. জাপান তাদের গ্রুপে শীর্ষে ছিল একবারই- ২০০২ সালে যেবার তারা আয়োজক ছিল।
৪১. অস্ট্রেলিয়ার শেষ ১১ বিশ্বকাপ গোলের ৫টিই করেছেন টিম কাহিল (৪৫ শতাংশ)। শেষ তিন বিশ্বকাপেই গোল করা ৯ খেলোয়াড়ের একজন তিনি।
৪২. এই প্রথম ব্যাক টু ব্যাক বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠেছে ইরান। কখনো তারা গ্রুপপর্ব পার হতে পারেনি, ১২ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে মাত্র একটি, ড্র করেছে ৩টি, হেরেছে ৮টি। তাদের একমাত্র জয়টি ১৯৯৮ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-১ গোলে।
৪৩. ১৯৬৬ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে উঠেছে মাত্র একবার (১৯৯০) এবং তাদের শেষ পাঁচ টুর্নামেন্টে গ্রুপে প্রথম হয়েছেও একবার (২০০৬)।
৪৪. বিশ্বকাপে স্পেনের শেষ ১৪ ম্যাচের একটিও ড্র হয়নি (১০ জয়, ৪ হার)।
৪৫. সার্বিয়া তাদের শেষ দুই বিশ্বকাপে (২০০৬, ২০১০) গ্রুপপর্ব পার হতে পারেনি, এই সময়ে তাদের ৬ ম্যাচের ৫টিই হেরেছে; একমাত্র জয় জার্মানির বিপক্ষে ১-০ গোলে (২০১০)।
৪৬. পোল্যান্ড অষ্টমবারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠেছে, ২০০৬ সালের এবারই প্রথম।
৪৭. গ্রুপপর্বে পর্তুগাল নিজেদের শেষ ৯ ম্যাচের মধ্যে হেরেছে মাত্র একটি (২০১৪ সালে জার্মানির বিপক্ষে ৪-০ গোলে), জিতেছে ৫টি, ড্র করেছে ৩টি।
৪৮. ডেনমার্ক তাদের শেষ ৪ বিশ্বকাপের ৩টিতেই গ্রুপপর্ব পার হয়েছে, কিন্তু কখনো কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে পারেনি। তারা একমাত্র কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল ১৯৯৮ সালে।
৪৯. ১৯৭৮ থেকে আর্জেন্টিনার (৪) চেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে শুধু জার্মানি (৫)।
৫০. দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠেছে দশবার, যা এশিয়ার কোনো দেশের সর্বোচ্চ। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ থেকে তারা মূলপর্বে উঠতে কখনো ব্যর্থ হয়নি।
৫১. দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠেছে সেনেগাল। এর আগে ২০০২ টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিল তারা।
৫২. জাপান বিশ্বকাপে তাদের শেষ ১১ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে মাত্র দুটি (ড্র ৩টি, হার ৬টি)। দুটি জয় ২০১০ সালে ক্যামেরুন ও ডেনমার্কের বিপক্ষে।
৫৩. অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপপর্ব পার হতে পেরেছে মাত্র একবার, ২০১৬ সালে; সেবার শেষ ষোলোতে চ্যাম্পিয়ন ইতালির কাছে হারে তারা।
৫৪. সৌদি আরব পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠেছে, ২০০৬ সালের পর প্রথমবার। তাদের শেষ তিন আসরেই গ্রুপে সবার নিচে ছিল তারা।
৫৫. কোচ হিসেবে জুলেন লোপেতেগুইয়ের (স্পেন) এটিই প্রথম কোনো বড় টুর্নামেন্ট। তার একমাত্র অভিজ্ঞতা ১৯৯৪ বিশ্বকাপে তৃতীয় পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবে স্পেন দলের সঙ্গে থাকা, যেখানে তার খেলার সুযোগ হয়নি।
৫৬. কোচ হিসেবে গ্যারেথ সাউথগেটেরও (ইংল্যান্ড) এটিই প্রথম কোনো বড় টুর্নামেন্ট। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে দুই ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি।
৫৭. রাশিয়া বিশ্বকাপ কোচ হিসেবে জোয়াকিম লোর ষষ্ঠ বড় কোনো টুর্নামেন্ট। আগের পাঁচটিতেই তার অধীনে কমপক্ষে সেমিফাইনালে খেলেছে জার্মানি (২০০৮ ইউরোয় দ্বিতীয়, ২০১০ বিশ্বকাপে তৃতীয়, ২০১২ ইউরোয় সেমিফাইনাল, ২০১৪ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন, ২০১৬ ইউরোয় সেমিফাইনাল)।
৫৮. বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের শেষ আট গোলই হয়েছে ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর!
৫৯. বিশ্বকাপে স্পেনের শেষ ২০ গোলের ৯টিই করেছেন ডেভিড ভিয়া। শেষ তিন বিশ্বকাপেই গোল করা ৯ খেলোয়াড়ের মধ্যে তিনি একজন।


























