বিশ্বকাপে এবার আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে বিপর্যস্ত ইংল্যান্ডের। ম্যাচটিতে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার বিষয়ে আশাবাদী টাইগার বাহিনী। তবে দুদলকেই ধর্মশালার বিধ্বস্ত মাঠে নামতে হবে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে।
মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ধর্মশালা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের সপ্তম ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড।
এর আগে মাঠটির বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির পিচ কনসালটেন্ট অ্যান্ডি অ্যাটকিনসন, বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড খেলার ম্যাচ রেফারি জাভাগাল শ্রীনাথ এবং হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামের হেড কিউরেটর সুনীল চৌহান মাঠ পরিদর্শন করেন। সে সময়ে তারা জানিয়েছেন, মাঠ ঠিক আছে। এই মাঠেই ম্যাচ চালানো যাবে।
এ দিকে বিশ্বকাপের শুরু থেকেই হ-য-ব র ল অবস্থা তৈরি হয়েছে। দর্শক, সাংবাদিক এমনকি অংশগ্রহণকারী ক্রিকেট দলের ভিসা প্রাপ্তিতে বিলম্বের মতো ঘটনা সামনে এসেছে। এখানেই থেমে নেই অব্যবস্থাপনা। গত ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচে হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড দেখে চোখ কপালে ওঠার দশা!
ফিল্ডিং করতে গিয়ে অল্পের জন্য ইনজুরিতে পড়েননি আফগান ক্রিকেটার মুজিব-উর-রহমান। দৃষ্টিনন্দন মাঠের এমন বাজে আউটফিল্ড নিয়ে বিপাকে আয়োজকরা। ম্যাচের পর যা নিয়ে নিজের ক্ষোভ লুকাননি আফগানিস্তান কোচ জনাথন ট্রট। আপত্তির পরে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠের আউট ফিল্ড ঘুরে দেখেন আইসিসির পিচ কনসালটেন্ট অ্যান্ডি অ্যাটকিনসনসহ অন্যান্যরা। তবে তারা জানিয়েছেন, সূচি অনুযায়ী এই মাঠেই খেলা হবে।
জানা গেছে, স্টেডিয়ামে বিশেষ এক ধরনের ঘাস থাকলেও গত মাসে হওয়া ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মাঠের আউট ফিল্ড। এরপর প্রায় দুই সপ্তাহের মতো সময় পেলেও মাঠের ঘাস পায়নি আগের রুপ। যার কারণে পাড়া মহল্লার মাঠের মতো আউটফিল্ডের ঘাস এবড়ো-খেবড়ো হয়ে গেছে। তাতে এত বড় আয়োজনে এ ধরনের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ক্রিকেট মহলে।


























