আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরে দুইটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে অস্ট্রেলিয়া সফর করার কথা ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের। কিন্তু আর্থিক কারণ দেখিয়ে তথা অলাভজনক ভেবে এই সিরিজটি বাতিল করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
তবে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানাতে আপত্তি থাকলেও আফগানিস্তানের মতো টেস্টের নবীন দলকে ঠিকই দেশে খেলতে ডাকছে তারা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। ২০২০ সালে ঐতিহাসিক এই টেস্টটি খেলবে আফগানরা। এছাড়া ৩০ বছরেরও বেশি সময় পর অজিদের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বক্সিং ডে টেস্ট খেলবে নিউজিল্যান্ড। আর অজিরা বাংলাদেশ সফরে আসবে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
আইসিসির গভর্নিং বডির সভায় নয় দলের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আর ওয়ানডে লিগেরও একটা খসড়া তৈরি করা হয়েছে। যেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে আগামী বছরের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ সিরিজটিও। তবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে থাকছে না জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড আর আফগানিস্তান।
বাকি নয় দলের মধ্যে ২০২১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রতিটি টেস্টই পয়েন্টের হিসেবে হবে। সেখান থেকে সেরা দুই দল পয়েন্টের ভিত্তিতে শিরোপার জন্য লড়বে। ফাইনালের ভেন্যু এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে ২০২১ সালের জুলাইয়ের দিকে লর্ডসে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এফটিপিতে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের চক্র রয়েছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে থাকা দলগুলো দুই বছরের চক্রে ছয়টি সিরিজে (হোম এন্ড অ্যাওয়ে) খেলবে। ওয়ানডে লিগে থাকা দলগুলো ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে আটটি তিন ম্যাচের সিরিজ খেলবে। ১৩ দলের ওয়ানডে লিগে সবগুলো ওয়ানডে সিরিজই হবে তিন ম্যাচের। এখান থেকে সেরা আট দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।
দলগুলোর জন্য তিন ম্যাচের চেয়ে দীর্ঘ ওয়ানডে সিরিজ আয়োজনের একমাত্র সুযোগ থাকবে বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে। ওয়ানডে লিগ শেষ হবার পরের সময়টায় এই সিরিজ দ্বিপাক্ষীয় ভিত্তিতে আয়োজন করতে পারবে তারা।


























