০৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

বিদেশী মিশনগুলোতে প্রবাসী শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধের দাবি

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোতে প্রবাসী শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন প্রবাসী শ্রমিকদের আইনগত সহায়তা প্রদানে কাজ করা লিগ্যাল এইড এন্ড হিউম্যান ডেভেলপম্যান্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন।বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

সংগঠনের চেয়ারম্যান ড. এম কামাল হোসাইন বলেন, প্রবাসীদের জীবনমান উন্নয়নের সরকারের আরো ভুমিকা প্রয়োজন। বিদেশি মিশনগুলোতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না। একটি ভ্রমন পাশ পাওয়ার জন্য মাসের পর মাস ঘুরতে হচ্ছে। বিশেষ করে ইতালির বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিসে এই ভোগান্তি আরো বেশি হচ্ছে। সেখানে একটি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য ১২০ ইউরো পর্যন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে। তাছাড়া প্রবাসী ওয়েজকল্যাণ বোর্ড থেকে ইস্যূকরা পাশ না থাকলে শ্রমিকদের কোন সহায়তা করা হচ্ছে না।

এ সময় তিনি তিন দফা দাবি জানিয়ে বলেন, মৃত ব্যক্তির লাশ প্রবাস থেকে দেশে পাঠাতে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে টাকা উঠিয়ে পাঠাতে হয়। যা কর্মক্ষেত্রে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই আমি আশা করি, বাংলাদেশ সরকার উদ্যোগ নিলে মৃত শ্রমিকের মরদেহ সরকারী খরছে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হলে অন্যান্য শ্রমিকরা মানসিকভাবে শক্তি পাবে। বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসের মাধ্যমে পাসপোর্ট নবায়ন, সংশোধন ও ইস্যু সহজ করা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে যে অনিয়ম ও ঘুষ দুর্নীতি হচ্ছে, তা বন্ধ করা এবং বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর ব্যাবস্থা করা। প্রাথমিক অবস্থায় বিদেশে যে শ্রমিক যাচ্ছে‌, তাদের কর্মক্ষেত্রে যেতে একমাস বা দুই মাস সময় লাগে অথবা বিদেশে প্রশিক্ষণ নিতে হয়। যা অর্থ ও সময় নষ্ট হয়। সরকার যদি তাদের সহজ লোন বা ছোট আর্থিক সহযোগিতা করে, তাহলে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে বিদেশ যেয়ে (ভারত শ্রীলংকা বা নেপালের মত) সমমানের কাজ করে উন্নত বেতন পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেয়াসহ এসব সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

 

এ সময় মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা ইতালিয়ান নাগরিক মি.ইউরিয়ো জোসেফে, সংগঠনের সদস্য কামরুজ্জামান ও আলমগীর হোসাইন প্রমুখ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিদেশী মিশনগুলোতে প্রবাসী শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধের দাবি

প্রকাশিত : ০৮:০৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোতে প্রবাসী শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন প্রবাসী শ্রমিকদের আইনগত সহায়তা প্রদানে কাজ করা লিগ্যাল এইড এন্ড হিউম্যান ডেভেলপম্যান্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন।বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

সংগঠনের চেয়ারম্যান ড. এম কামাল হোসাইন বলেন, প্রবাসীদের জীবনমান উন্নয়নের সরকারের আরো ভুমিকা প্রয়োজন। বিদেশি মিশনগুলোতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না। একটি ভ্রমন পাশ পাওয়ার জন্য মাসের পর মাস ঘুরতে হচ্ছে। বিশেষ করে ইতালির বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিসে এই ভোগান্তি আরো বেশি হচ্ছে। সেখানে একটি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য ১২০ ইউরো পর্যন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে। তাছাড়া প্রবাসী ওয়েজকল্যাণ বোর্ড থেকে ইস্যূকরা পাশ না থাকলে শ্রমিকদের কোন সহায়তা করা হচ্ছে না।

এ সময় তিনি তিন দফা দাবি জানিয়ে বলেন, মৃত ব্যক্তির লাশ প্রবাস থেকে দেশে পাঠাতে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে টাকা উঠিয়ে পাঠাতে হয়। যা কর্মক্ষেত্রে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই আমি আশা করি, বাংলাদেশ সরকার উদ্যোগ নিলে মৃত শ্রমিকের মরদেহ সরকারী খরছে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হলে অন্যান্য শ্রমিকরা মানসিকভাবে শক্তি পাবে। বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসের মাধ্যমে পাসপোর্ট নবায়ন, সংশোধন ও ইস্যু সহজ করা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে যে অনিয়ম ও ঘুষ দুর্নীতি হচ্ছে, তা বন্ধ করা এবং বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর ব্যাবস্থা করা। প্রাথমিক অবস্থায় বিদেশে যে শ্রমিক যাচ্ছে‌, তাদের কর্মক্ষেত্রে যেতে একমাস বা দুই মাস সময় লাগে অথবা বিদেশে প্রশিক্ষণ নিতে হয়। যা অর্থ ও সময় নষ্ট হয়। সরকার যদি তাদের সহজ লোন বা ছোট আর্থিক সহযোগিতা করে, তাহলে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে বিদেশ যেয়ে (ভারত শ্রীলংকা বা নেপালের মত) সমমানের কাজ করে উন্নত বেতন পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেয়াসহ এসব সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

 

এ সময় মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা ইতালিয়ান নাগরিক মি.ইউরিয়ো জোসেফে, সংগঠনের সদস্য কামরুজ্জামান ও আলমগীর হোসাইন প্রমুখ।