বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়া আর্জেন্টিনা দলকে বিনামূল্যে কোচিং করানোর প্রস্তাব করেছেন ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো মেরাডোনা।
শনিবার কাজান অ্যারেনায় শেষ ষোলোয় ফ্রান্সের কাছে ৪-৩ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় আর্জেন্টিনা। নিজের দেশের অন্য সব ম্যাচের মতো এটিতেও গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতা দলের অধিনায়ক মেরাডোনা।
২০২২ সাল পর্যন্ত হোর্হে সাম্পাওলির সঙ্গে চুক্তি থাকলেও এমন বিপর্যয়ের পর দলের দায়িত্ব নিতে ইচ্ছুক কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ভেনেজুয়েলার একটি টেলিভিশন শোতে মেরাডোনা বলেন, “হ্যাঁ, আর আমি এটা বিনামূল্যেই করতে চাই। প্রতিদানে আমি কিছুই চাই না।”
সাবেক বোকা জুনিয়র্স ও নাপোলির এই খেলোয়াড় ২০১০ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন। ঐ আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে ৪-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় ল্যাটিন পরাশক্তিরা।
দেশের হয়ে ৯১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা মারাদোনা অবশ্য পরের আট বছরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি ক্লাবে ছাড়া অন্য কোথাও কোনো দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেননি।
এখনও ফুটবলের এক অন্যতম বিতর্কিত চরিত্র তিনি। রাশিয়ায় তার সরব উপস্থিতি নজর কেড়েছে।
চলতি আসরে স্ট্যান্ডে থাকা মেরাডোনার হাস্যকর আচরণ, সমর্থকদের উদ্দেশে অশালীন ভঙ্গি, নিজের পোস্টার উন্মোচন করা, ম্যাচ চলার সময় ঘুমিয়ে পড়ার মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে।
নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে গ্যালারিতে এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৫৭ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি ফুটবলার। পরে তিনি সুস্থ হন।
বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনার বিদায় প্রসঙ্গে মেরাডোনা বলেন, “মানুষ ভাবছে আমি ভালো আছি। কিন্তু আমার হৃদয় দুঃখ ভারাক্রান্ত। আমার সত্যি খারাপ লাগছে যে কত কষ্ট করে আমরা সবকিছু তৈরি করেছিলাম আর কত সহজেই আমরা তা ধ্বংস করলাম।”


























