রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া।দুই দলের কাছেই এর তাত্পর্যটা সমান। কেননা দীর্ঘ অপেক্ষার পরে আজ স্বপ্ন জয়ের পথে সামনা-সামনি দুই দল। প্রত্যাশা একটাই খালি হাতে না ফিরে যাওয়া। মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় রাত বারোটায়।
এক নজরে ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া পরিসংখ্যান-
১.ফিফা র্যাংকিংয়ের ১২ নম্বর দল ইংল্যান্ড। অপরদিকে র্যাংকিং তালিকার ২০ নম্বর দল হলো ক্রোয়েশিয়া।
২.বিশ্বকাপে এবার প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।
৩.বিশ্বকাপ ছাড়া দুই দলের মধ্যে দেখা হয়েছে সাতবার।সাত দেখায় ইংল্যান্ড জিতেছে চারবার, ক্রোয়েশিয়া জিতেছে দুইবার। আর একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
৪.বিশ্ব ফুটবলে ১৯৬৬ সালে নিজেদের ঘরের মাঠে একমাত্র বিশ্বকাপ জয় এসেছিল ইংল্যান্ডের। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত ফাইনালে উঠতে পারেনি ক্রোয়েশিয়া।
৫.বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার সেরা অর্জন সেমিফাইনাল।১৯৯৮ সালে বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের অভিষেকেই শেষ চারে পা রেখেছিল তারা। ঐ আসরের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে সেমি-ফাইনালে হারের পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী খেলায় জয় পায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।
৬.দুই গোল করে চলতি আসরে ক্রোয়েশিয়ার সেরা গোলদাতা অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ। অপরদিকে ছয় গোল করে টুর্নামেন্টে গোলদাতাদের তালিকায় সবার উপরে আছেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
৭.জি’ গ্রুপ থেকে গ্রুপ রানার আপ হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে ইংল্যান্ড। শেষ ষোলতে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে পরাজিত করে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে।আর কোয়ার্টারে সুইডেনকে হারিয়ে সেমির টিকিট পায়।
৮.‘ডি’ গ্রুপ থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে ক্রোয়েশিয়া। দ্বিতীয় রাউন্ডে ডেনমার্ককে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক রাশিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমির টিকিট পায় তারা ক্রোয়েশিয়া।
৯.১৯৬৬ সালে নিজেদের একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের আসরে সর্বোচ্চ ১১টি গোল করেছিল ইংল্যান্ড। এই বিশ্বকাপের এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে হ্যারিকেনরা। সেমি-ফাইনালে নতুন করে ইতিহাস লেখার সুযোগ আছে তাদের।
১০.ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা নিজের শেষ ৩০টি ম্যাচে হারের মুখ দেখেননি মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসন। যে কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়ের সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড এটি।


























